...
...
Next Story

Sijla-Rajveer: ‘তোমার হু হু গুলো সরাও…’, সৃজলার অন্তর্বাসে হাত রাজবীরের! সোফায় রাখা ব্রা ছোঁয়ায় মেজাজ হারালেন নায়িকা

Sijla-Rajveer: বিগ বসের ঘরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। বাথরুমের সোফায় পড়ে থাকা সৃজলার অন্তর্বাসে কেন হাত দিয়েছেন রাজবীর? সেই নিয়ে তর্কাতর্কি। হল তুমুল বচসা।

Published on: Sep 15, 2026, 13:00:49 IST
Advertisement

বিগ বসের ঘরে সোমবার রাতে তুলকালাম কাণ্ড! বাথরুম পরিষ্কার নিয়ে বচসা যে এতটা চরম কুরুচিকর মোড় নিতে পারে, তা হয়তো ভাবেননি কেউই। ঘরের ভেতর বাথরুম সাফ করার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অভিনেত্রী সৃজলা গুহর অন্তর্বাস এবং পোশাকে হাত দেন রাজবীর, সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কান্ড ঘটে গেল।

সৃজলার আন্ডারগারমেন্টে হাত রাজবীরের! সোফায় রাখা ব্রা ছোঁয়ায় মেজাজ হারালেন নায়িকা
সৃজলার আন্ডারগারমেন্টে হাত রাজবীরের! সোফায় রাখা ব্রা ছোঁয়ায় মেজাজ হারালেন নায়িকা

সোফায় রাখা ব্রা ও পোশাকের ওপর না বলে হাত দেওয়া এবং তা নিয়ে অন্যান্য প্রতিযোগীদের সামনে মশকরা করার অভিযোগে প্রতিযোগী রাজবীরের ওপর সুর চড়ালেন সৃজলা।

‘কী জঘন্য মানসিকতার ছেলে!’: গর্জে উঠলেন সৃজলা

ঘটনার সূত্রপাত বাথরুম সাফাই করতে গিয়ে, এই সপ্তাহে স্নানঘর পরিষ্কার রাখার দায়িত্বে রাজবীর। বাথরুম পরিষ্কার করতে গিয়ে সোফায় রাখা সৃজলার অন্তর্বাস ও জামাকাপড় হাত তুলে নেন রাজবীর। সঙ্গে বলেন, ‘এগুলো কার জামা'। নিজের মেকআপ নিয়ে ব্যস্ত মানামী বলে ওঠেন, ‘ছুঁড়ে ফেলেদে, শুনছে না যখন’। ব্যক্তিগত জিনিসপত্রে না বলে হাত দেওয়ার প্রতিবাদ জানালে সৃজলার সঙ্গে তর্কে জড়ান তিনি এবং পোশাকটি সেখানেই ফেলে দেন। রাজবীরের এই আচরণে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সৃজলা।

সৃজলা একমুহূর্তও না ভেবে চিৎকার করে ওঠেন। রাজবীরের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নন্দিনীর উদ্দেশ্যে সৃজলা সরাসরি বলেন, ‘আমার জামাকাপড়ে হাত দেবে না। এগুলো তোলো। কেন দেবে হাত?’ রাজবীর নিজের স্ট্যান্ড পয়েন্টে অটল। তাঁর প্রশ্ন, ‘তোমার জামাকাপড় কেন দু-দিন ধরে পড়ে’।

ঝগড়ার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই আগুনে ঘি ঢেলে তনুশ্রী এসে মন্তব্য করেন, ‘আমার লাল ব্লাউজটা তোমায় তুলতে হবে…’—যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

তবে সৃজলার অভিযোগ কেবল অন্তর্বাস ছোঁয়াতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি বিস্ফোরক দাবি করে জানান, রাজবীর বাথরুম থেকে বেরিয়ে সোজা রান্নাঘরে গিয়ে দুর্নিবারের সামনে তাঁর ব্যক্তিগত অন্তর্বাস নিয়ে হাসাহাসি ও নোংরা আলোচনা করেছেন। সৃজলা বলেন, ‘কিচেন কাউন্টারে এসে দুর্নিবারের সামনে এসে ও আমাকে বলছে তোমার হু হু গুলো সরিয়ে নাও, দুর্নিবারের সামনে বলছে একটা মেয়ের ব্রা নিয়ে'।

শুধু তাই নয়, রাজবীরের বিরুদ্ধে পুরোনো ক্ষোভ উগরে দিয়ে সৃজলা মনে করিয়ে দেন যে, এর আগেও রাজবীর মেয়েদের স্যানিটারি ন্যাপকিন অন্যকে দিয়ে ফেলানোর মতো অনুচিত কাজ করেছিলেন। একজন নারীর ব্যক্তিগত পোশাক ও হাইজিন সামগ্রী নিয়ে বারবার এমন অসংবেদনশীল ও কুরুচিকর আচরণ করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে গর্জে উঠেছেন সৃজলা।

ক্যাপ্টেন সোহিনী শান্ত গলায় বলেন, ‘তুমি এটা করতে পারো না। তুমি ওকে সরানোর জন্য় বলতে পারো…’। রাজবীর বলেন, ‘এখানে কেন থাকবে জিনিসটা’। ভরত কলও রাজবীরকে বোঝাতে আসেন তাঁর গুলো মাটিতে ফেলে দেওয়া উচিত হয়নি। রাজবীরের স্পষ্ট কথা, ‘তাহলে জামাকাপড় ওখানে ফেলে রেখেছে কেন?’ ঝামেলার মাঝে রান্নাঘর থেকেই জীতু জিগ্গেস করেন- ‘বাথরুম পরিষ্কার করার দায়িত্ব কি ওর (রাজবীরের)’। দীপেন্দু জানায়, হ্যাঁ, এই সপ্তাহে রাজবীরের। জীতু তাতে বলেন, তাহলে রাজবীর ভুল করেনি।

গোটা ঘটনায় নেটপাড়ায় কিন্তু রাজবীরের পাশে। অহেতুক ফুটেজ নেওয়ার চেষ্টা করছেন সৃজলা, এমনই দাবি তাঁদের।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks