...
...
Next Story

সৃজিতের ছবিতে মিলবে শ্রীচৈতন্য অন্তর্ধানের উত্তর? ঘষা কাঁচের ফ্রেমে তিন সময়ের সমাবর্তন ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে…’-এ টিজার

চলতি বছরের দোলেই সৃজিত মুখোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন তাঁর নতুন ছবি 'লহ গৌরাঙ্গের নাম রে...' আসছে। ছবিতে কারা কারা থাকছেন তাও জানানো হয়েছিল নির্মাতাদের পক্ষ থেকে। এবার প্রকাশ্য এল বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবির টিজার।

Published on: Nov 5, 2025, 14:03:31 IST
Advertisement

চলতি বছরের দোলেই সৃজিত মুখোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন তাঁর নতুন ছবি 'লহ গৌরাঙ্গের নাম রে...' আসছে। ছবিতে কারা কারা থাকছেন তাও জানানো হয়েছিল নির্মাতাদের পক্ষ থেকে। এবার প্রকাশ্য এল বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবির টিজার।

সৃজিতের ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে…’তে মিলবে শ্রীচৈতন্য অন্তর্ধানের উত্তর?
সৃজিতের ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে…’তে মিলবে শ্রীচৈতন্য অন্তর্ধানের উত্তর?

মূলত গৌরাঙ্গ বা শ্রী চৈতন্য ও নানা সময়ের সমাবর্তন এই ছবির পটভূমি। ছবিতে তিনটি সময়কাল এক সুতোয় বেঁধে তুলে ধরা হবে। সৃজিতের ছবিতে শ্রীচৈতন্যর সময়কাল, নটী বিনোদিনী-গিরিশ ঘোষের সময় কাল এবং বর্তমান সময় এক সুতোয় বাঁধা পড়বে। ছবিতে শ্রীচৈতন্যের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে দিব্যজ্যোতি দত্তকে। অন্যদিকে, অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এই ছবিতে নটী বনোদিনী। নটী বিনোদিনীর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হল 'চৈতন্যলীলা'। সেই সূত্র ধরেই নায়িকা এই ছবির খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্যদিকে, ছবির মধ্যেও একটি ছবি হতে দেখা যাবে। সেই ছবির নায়ক ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। পেশার খাতিরে সেও সাজবে শ্রী চৈতন্য।আর টিজারেও সেই ধারা অব্যহত রইল।

টিজারের শুরুতেই আবহে ভেসে এসেছে ইশা সাহার কন্ঠ স্বর। তাঁর গলাই সেই পরিচিত লাইন, ‘রোল, সাউন্ড’ আর তারপর আবহের যাত্রার পালার সেই চিরাচরিত সুর। তারপর আবার আবহে শোনা যায় এক কন্ঠ স্বর। তবে তা ইশার নয়, সৃজিতের ছবির 'নিত্যানন্দ' যিশুর গলা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘যার সংকীর্তন শুনে সমগ্র প্রাচ্য কৃষ্ণ প্রেমে মজে ছিল। সে আমাদের গৌরাঙ্গ, শ্রীচৈতন্য।’ আর ঠিক সেই সময়ই পর্দায় ফুটে ওঠে পুরীর সমুদ্রের ধারে মুন্ডিত মস্তক গৌরাঙ্গের অবয়ব।

এরপরই দেখা যায় সেই সময়ের খেলা। সময় যে নিমেষে লাফিয়ে আসে গিরিশ ঘোষের থিয়েটারে। আবহে শোনা যায় এক কন্ঠ স্বর। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এত বচ্ছর বাদে লোকে নিমাই সন্ন্যাসীর শেষ জীবনের কাঁদাকাটা দেখতে আসবে?’ আর সেখানেই দেখা মেলে গিরিশ ঘোষ রূপে ব্রাত্য বসু ও বিনোদিনী শুভশ্রীর দেখা মেলে। মঞ্চে শ্রীচৈতন্যলীলা হতে দেখা যায়। তার মাঝে দেখা মেলে শ্রীচৈতন্য দিব্যজ্যোতির।

তারপর বর্তমান সময়ের টাইম লাইনে দেখা মেলে ইশা সাহা ও ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তের। ইশাকে বলতে শোনা যায়, ‘যে লোকটার এত বড় একটা স্ট্যাচু স্বর্গদ্বারের মোড়ে রয়েছে সেই লোকটার থাকার জায়গা এখনও কেন হেরিটেজ সাইট হয়নি?’ তার মাঝেই আবার বিনোদিনী শুভশ্রীর দেখা মেলে। ফের ইশার কন্ঠে শোনা যায়, ‘কেন ওঁর সমাধি মন্দির নেই এখনও। কেন উত্তরগুলো যদি পাজেলের মতো জুড়ে দিতে না পারি, সাজিয়ে তুলতে না পাড়ি তাহলে তো এই ছবিটা করে কোনও লাভ নেই।' এর মাঝেই টাইমজাম্প হতে দেখা যায় নানা টাইম লাইনে। শেষে ফের যিশুর কন্ঠে শোনা যায়, ‘ইতিহাস কী বলে? লোককথাই বা কী বলে? কীভাবে ঘটে ছিল শ্রী চৈতন্যদেবের অন্তর্ধান?’ তারপর দেখা যায় ফের সেই সমুদ্রের দিকে মুন্ডিত মস্তক, নগ্ন পায়ে হেঁটে চলেছেন গৌরাঙ্গ, আর আবহে তখন, ‘হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে…’।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe