...
...
Next Story

‘এবার শীতঘুমের দিকে যাবে, একটু ঝিমিয়ে পড়বে…’! কেমন আছেন সৃজিতের পোষা সাপেরা? খাওয়া-দাওয়াই বা কী করছে?

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সৃজিত সুদূর কলম্বিয়া থেকে একটি বল পাইথন বাড়ি নিয়ে আসেন। হিন্দু পুরাণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এই সাপটির নাম রাখেন 'উলুপী'। আপাতত খবর, সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫।

Published on: Oct 26, 2026, 18:25:35 IST
Advertisement

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পোষ্যদের কথা যখন সামনে এসেছিল, তখন বেশ হকচকিয়ে গিয়েছিল তাঁর ভক্তরা। এমনকী, একই হাল ছিল টলিউডেরও। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সৃজিত সুদূর কলম্বিয়া থেকে একটি বল পাইথন বাড়ি নিয়ে আসেন। হিন্দু পুরাণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এই সাপটির নাম রাখেন 'উলুপী'। পরবর্তীতে উলুপী ছাড়াও তাঁর সংগ্রহে অনন্ত নাগ, হাইড্রা, মেডুসা ও কালনাগিনীর মতো একাধিক বল পাইথন যুক্ত হয় এবং তাঁর বাড়িতে সাপের সংখ্যাও বাড়ে। বর্তমানে তা পৌঁছেছে পাঁচে।

সৃজিতের সাপ-প্রীতি।
সৃজিতের সাপ-প্রীতি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের পোষ্যদের নিয়ে কথা বললেন সৃজিত। সাংবাদিক স্রবন্তীর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বলেন, ‘সবাই আছে, খুব সুখে আছে, আরামে আছে। সামনে শীতকাল আসছে, ওরা একটু শীতঘুমের দিকে যাবে। একটু ঝিমিয়ে পড়বে’।

সাপগুলো রাখা থাকে অ্যাকোয়ারিয়ামে। আর খায় ইঁদুর। সৃজিত জানান, কলকাতায় বর্তমানে একটা রেপ্টাইল কমিউনিটি আছে। যেখানকার সদস্যরা ইগুয়ানা, নানারকম টিকটিকি, সাপের মতো এক্সটিক পেট পোষে। আর এই এক্সটিক পোষ্যদের খাবার সরবরাহ করার জন্য, পেট ফুডের ফার্মও খুলে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, সৃজিত বন দফতর থেকে যাবতীয় প্রযোজনীয় অনুমতি নিয়েই বাড়িতে রাখছেন।

তবে সৃজিতের এই সাপ পোষার সখে বেশ ভয়েই থাকেন তাঁর পত্নী মিথিলা। বছরখানেক আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি শুরুতে শুধু একটি সাপের (উলুপি) কথাই জানতেন। কিন্তু পরে বাড়ি ফিরে দেখেন সেখানে একাধিক বল পাইথন আনা হয়েছে। তিনি কখনোই সাপ-ভক্ত নন এবং এই অদ্ভুত পরিবেশের কারণে তাঁর আতঙ্ক বা অস্বস্তিও হয়। তবে সৃজিতকে বাধা দেননি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks