‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরের উত্তাপ এখন চরমে। গত পর্বে অভিনেতা জীতু কমল যখন জীবনের সমস্ত সমীকরণ পাশে সরিয়ে সম্পূর্ণ সততার সাথে সৃজলা গুহ-কে স্পষ্ট ভাষায় প্রেমের প্রস্তাব দিলেন এবং একটি সোজা জবাব (‘Yes or No’) চাইলেন, ঠিক তখনই সৃজলার দেওয়া প্রতিক্রিয়া দেখে রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নেটিজেনরা।

সোজা ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ না বলে মৃদু হেসে ‘এমন কোরো না... এমন কোরো না’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার এই প্রবণতাটিকেই প্রাধান্য় দিতে থাকেন সৃজলা। এখন নেটপাড়ায় সৃজলার সবাইকে ঝুলিয়ে রাখার পার্সোনালিটি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
ব্যক্তিত্বের বিশ্লেষণ: প্রশ্রয় বনাম কৌশলগত নীরবতা
একজন নারীর অনুভূতি বা পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা সবসময়ই তীব্র হয়। সৃজলার নিজের কথাবাতাতেই বহুবার স্পষ্ট হয়েছে যে, জীতু তাঁর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছেন বা প্রেমে পড়ছেন— তা তিনি খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছিলেন।
যদি তিনি জীতুকে কেবল বন্ধু হিসেবেই দেখতেন, তবে শুরু থেকেই উপযুক্ত সীমা টানা উচিত ছিল, বলে জানাচ্ছে নেটপাড়ার একটা বড় অংশ। কিন্তু সারাক্ষণ একসঙ্গে সময় কাটানো, গল্প করা, মিষ্টি আড্ডা দেওয়া এবং পরবর্তীতে প্রকাশ্য প্রস্তাবের মুখে দাঁড়িয়ে নরম সুরে ‘এমন কোরো না’ বলাকে সাধারণ দর্শকদের অনেকেই ‘প্রশ্রয় দেওয়া’র প্রবণতা হিসেবেই দেখছেন।
‘সবার প্রিয়’ হয়ে থাকার মানসিকতা: ট্রোলারদের একাংশের মতে, সৃজলা এমন এক ধরণের ব্যক্তিত্ব প্রদর্শন করছেন যেখানে তিনি কাউকেই সম্পূর্ণভাবে হাতছাড়াও করতে চান না, আবার স্পষ্ট কোনো দায়বদ্ধতাও নিতে চান না। ফলে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে মাঝপথে ঝুলিয়ে রাখাটাকেই অনেকে তাঁর অহংকার এবং কোনো ভুল স্বীকার না করার মানসিকতা বলে চিহ্নিত করছেন।
{{/usCountry}}‘সবার প্রিয়’ হয়ে থাকার মানসিকতা: ট্রোলারদের একাংশের মতে, সৃজলা এমন এক ধরণের ব্যক্তিত্ব প্রদর্শন করছেন যেখানে তিনি কাউকেই সম্পূর্ণভাবে হাতছাড়াও করতে চান না, আবার স্পষ্ট কোনো দায়বদ্ধতাও নিতে চান না। ফলে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে মাঝপথে ঝুলিয়ে রাখাটাকেই অনেকে তাঁর অহংকার এবং কোনো ভুল স্বীকার না করার মানসিকতা বলে চিহ্নিত করছেন।
{{/usCountry}}নেটপাড়ায় কটাক্ষ ও দর্শকদের প্রতিক্রিয়া:
জীতু কমলের মতো একজন অভিনেতা যখন প্রকাশ্যে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করলেন, তখন সৃজলার এই গোলমেলে প্রতিক্রিয়া দেখে তাঁর অনুরাগী ও সাধারণ নেটিজেনদের বড় একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সোশাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ট্রেন্ড করছে যে, সৃজলা রিয়্যালিটি শো-তে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে এবং ড্রামা বজায় রাখতে জীতুর ফিলিংসকে ব্যবহার করছেন। নেটপাড়ার একাংশ জীতু কমলের এই স্পষ্টভাষী প্রস্তাবের প্রশংসা করলেও, সৃজলার এই ধাঁধা মার্কা অবস্থানের জন্য জীতুকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার শন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মুখে স্বীকার না করলেও শন-সৃজলার প্রেম টলিপাড়ার ওপেন সিক্রেট। শনেরও বিগ বসের ঘরে আসার কথা ছিল। কিন্তু ওপেনিং এপিসোডের প্রোমো শ্যুট করতে গিয়ে পায়ে চোট পেয়ে সোজা হাসপাতালে পৌঁছে যান শন। একটু একটু করে সেরে উঠছেন মন ফাগুন নায়ক। তবে জীতুর মনের এই আগুন দেখে শন কী করছেন?
সব মিলিয়ে, বিগ বসের মঞ্চে এটি সৃজলার আসল ব্যক্তিত্ব নাকি গেমপ্ল্যান— তা নিয়ে বিতর্ক থামার কোনো লক্ষণ নেই!