কদিন আগেই বিগ বস বাংলা-র ঘরে ক্যাপ্টেন্সি টাস্ক চলাকালীন চোট পান সৃজলা গুহ। নন্দিনী তাঁকে ঘোড়া থেকে নামানোর সময় বেসামাল হয়ে একটু বেশিই বলপ্রয়োগ করে ফেলেন। যার ফলে একপ্রকার মাটিতে আছড়ে পড়েন সৃজলা। এরপর প্রায় ৫ দিন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসাও চলে।

তবে এখন ঘরের বহু সদস্যই মনে করছেন যে, সৃজলা ‘ভিক্টিম কার্ড’ খেলছেন। আর সৃজলার বিরুদ্ধে সোমবারের এপিসোডে সেই অভিয়োগ তোলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সোনামণি, তনুশ্রী, নিরঞ্জনও। এরপরই মেজাজ হারাতে দেখা যায় সৃজলাকে। তনুশ্রীর তোলা অভিযোগে চিৎকার করে বলেন যে, তিনি কোনোদিনই নন্দিনীকে ক্ষমা করবেন না। কারণ নন্দিনী তাঁকে ফেলে দেওয়ার কারণে তিনি সন্তানধারণের ক্ষমতা অবধি হারাতে পারতেন। প্রসঙ্গত, সৃজলা এর আগেও জানিয়েছিলেন যে, ওভারিতে চোট পেয়েছিলেন নন্দিনী তাঁকে ঘোড়া থেকে ফেলে দেওয়ার কারণে। এমনকী, বিগ বসের ঘরে এখনো চলছে তাঁর ফিজিওথেরাপি।
আর সৃজলার এই দাবি সামনে আসার পর, ফের ঝড় উঠেছে সোশ্য়াল মিডিয়াতে। খচে লাল মন ফাগুন অভিনেত্রীর অনুরাগীরা। একজন লিখেছেন, ‘কী হিসেবে এরা বারবার সৃজলাকে আক্রমণ করছে ভগবান জানে। না কি ভাবছে সৃজলার সঙ্গে ঝামেলা করলে জনপ্রিয়তা পাবে।’
এদিকে শনিবার দাদার দরবারে এপিসোডে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই ঘটনা নিয়ে আর কথা বলবে না কোনো পক্ষই। এমনকী সৃজলাও নয়। তবে সোমবার সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ফের উত্তাল হয় বিগ বস বাংলা-র ঘর।
এদিকে, নমিনেশন নিয়েও বড় টুইস্ট এসেছে চলতি সপ্তাহে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ঘরের সদস্যদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কারা বিগ বস বাংলা-র ঘরে নিজেদের ১০০ শতাংশ দিয়ে খেলছেন না। আর তাতে পুরো ঘর থেকে যে দুটো নাম উঠে আসে তা হল দীপেন্দু আর ঝিলম। আর বিগ বসও সরাসরি এই দুই সদস্যকেই করে নমিনেট। কিন্তু ভোটিং লাইন এখনো বন্ধ রাখা হয়েছে। এখন দেখার, আরও কিছু সদস্য আসেন নাকি নমিনেশনে, নাকি বিগ বস ভোটাধিকার তুলে দেন ঘরের সদস্যদেরই হাতে সরাসরি।
{{/usCountry}}এদিকে, নমিনেশন নিয়েও বড় টুইস্ট এসেছে চলতি সপ্তাহে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ঘরের সদস্যদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কারা বিগ বস বাংলা-র ঘরে নিজেদের ১০০ শতাংশ দিয়ে খেলছেন না। আর তাতে পুরো ঘর থেকে যে দুটো নাম উঠে আসে তা হল দীপেন্দু আর ঝিলম। আর বিগ বসও সরাসরি এই দুই সদস্যকেই করে নমিনেট। কিন্তু ভোটিং লাইন এখনো বন্ধ রাখা হয়েছে। এখন দেখার, আরও কিছু সদস্য আসেন নাকি নমিনেশনে, নাকি বিগ বস ভোটাধিকার তুলে দেন ঘরের সদস্যদেরই হাতে সরাসরি।
{{/usCountry}}