...
...
Next Story

Dev-Subhashree: ‘জানি না তুমি-আমি কোন ভাগ্য নিয়ে এসেছি…’! কেন বিপদে শুভশ্রীকেই ফোন, খোলসা দেবের

‘যখন বিপদে পড়েছিলেন তখন আমার নামটাই কেন মাথায় এসেছিল’, দেশু ৭-এর ট্রেলার লঞ্চে ইভেন্টে দেবকে প্রশ্ন শুভশ্রীর। কী জবাব এল নায়কের থেকে।

Published on: Oct 9, 2026, 10:30:42 IST
Advertisement

বৃহস্পতিবার ছিল দেশু ৭-এর ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্ট। কলকাতার নজরুল মঞ্চে বৃষ্টি মাথায় করেই এসেছিলেন দেব-শুভশ্রীর ভক্তরা। ইতিমধ্যেই ধামাকা করেছে দেশু ৭-এর ট্রেলার। রীতিমতো ট্রেন্ড করছে ইউটিউবে। সঙ্গে ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টে দেশু-র কেমিস্ট্রিও কেড়ে নিয়েছে সকলের মন। বিশেষ করে দেবের কাছে নায়িকার প্রশ্ন, ‘তুমি আমায় জিজ্ঞাসা করো, আমি যখন ফোন করেছিলাম ২ মিনিটের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ কেন বলেছিলে এই ছবিটাকে। এবার আমি তোমার কাছে জানতে চাই, যখন বিপদে পড়েছিলেন তখন আমার নামটাই কেন মাথায় এসেছিল।’ আর শুভশ্রীর এমন প্রশ্নে, অভিনেতার অকপট জবাব, পুরোটাই নাকি নিয়তি।

দেশু ৭-এর ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টে দেব ও শুভশ্রী।
দেশু ৭-এর ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টে দেব ও শুভশ্রী।

প্রথমেই দেব শুভশ্রীকে সাবধান করে দিয়ে বলেন, ‘আবার আমি আমার মতো করে বলব। আবার কীভাবে ল্যান্ড হবে আমি জানি না’! এরপর দেবকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে ছবি করতে দেওয়া হবে না বলেছিল পুজোতে। রিলিজ করতে দেওয়া হবে না পুজোতে। সেই দিন থেকে, আজ আমাদের পুজোর ছবির ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টে আছি। কেমন যেন সময় পালটে যায়, যে লড়াই তখন মনে হয়েছিলকত কঠিন, আজ এতগুলো মাস পেরনোর পর মনে হচ্ছে কেনই বা শুধু শুধু এত লড়াই করলাম। যোগ্য ছিলাম কি অযোগ্য সেটা পরের কথা। আমার কেমন যেন মনে হয়, সবকিছুর একটা নিয়তি আছে। হয়তো এই মঞ্চে আবার আমাদের দেখা যাবে ধূমকেতুর পর সেই জন্য হয়তো অনির্বাণ ব্যান হয়েছিল, পুজোতে এরকম একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যাতে আমি ছবি না করতে পারি। সেই কারণেই ওকে ফোন করা। আর সব যদি উলটোভাবে ভাবি আবার এই মঞ্চ হয়তো আমাদের দেখতে চাইছিল। তোমাদের সাক্ষী রাখতে চাইছিল। এবং দেশু সেভেনের মতো একটা ছবি যেখানে আমি পরিচালক হিসেবে আসতে পারলাম। লোকে ডেস্টিনিতে বিশ্বাস করে। কিছু একটা তো থাকেই।’

এরপর শুভশ্রীকে উদ্দেশ্য করে দেব বলেন, ‘আমি জানি না তুমি কোন ভাগ্য লিখে নিয়ে এসেছ, বা আমি কোন ভাগ্য লিখে নিয়ে এসেছি। তখন মনে হয়েছিল এই লড়াইতে যদি জিততে হয়, তোমাকে দরকার। এই মানুষগুলোর (দর্শকদের দেখিয়ে) স্বপ্ন যদি সত্যি করতে হয়। এদেরকে বোঝাতে হয় না আমি পরিশ্রম করি। যে আমি চেষ্টা করি। শুধু আমার জন্য নয়, চেষ্টা করি বাংলা ছবিও যাতে আমার সঙ্গে এগিয়ে যাক।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks