রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ: সচ ইয়া সাজা’-তে এসে নিজের দাম্পত্য জীবন নিয়ে অকপটে মুখ খুললেন সুনীতা আহুজা। গোবিন্দার একাধিক প্রেমের সম্পর্ক থেকে শুরু করে তাঁদের বিবাহিত জীবনের নানা চড়াই-উতরাই— সবকিছু নিয়েই খোলামেলা মন্তব্য করেছেন তিনি।
‘গোবিন্দার মতো স্বামীর চেয়ে ওর মতো ছেলে চাই’

রীতেশ দেশমুখ ও ফারাহ খান সঞ্চালিত রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ: সচ ইয়া সাজা’-র একটি পর্বে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন সুনীতা আহুজা। সেখানেই তাঁর অতীতের একটি মন্তব্য তুলে ধরেন ফারাহ খান, যেখানে বলা হয়েছিল, ‘গোবিন্দার মতো স্বামীর চেয়ে ওর মতো একটা ছেলে হলে বেশি ভালো লাগত।’
এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সুনিতা জানান, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে গোবিন্দার একাধিক প্রেম সম্পর্কের কথা জেনেও তিনি তাঁর পাশে থেকেছেন।
‘চি চি-র জীবনে অনেক প্রেম ছিল’
গোবিন্দাকে তাঁর ডাকনাম 'চি চি' বলে সম্বোধন করে সুনীতা বলেন, ‘ভালোবাসলে অনেক কিছুই সহ্য করতে হয়। চি চি-র জীবনে অনেক প্রেম ছিল। আসলে নায়ক-নায়িকাদের জীবনে এসব হয়েই থাকে। এতগুলো বছর ওর পাশে থাকার পর আমার মনে হয়, ওর মতো একটা ছেলে আমারও প্রাপ্য।’ এই মন্তব্যের পর থেকেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁদের দীর্ঘ দাম্পত্য সম্পর্ক।
'তৃতীয় ব্যক্তি এলে 'হাঁটুতে গুলি' মন্তব্যের ব্যাখ্যা'
শোয়ের আরেকটি পর্বে রীতেশ দেশমুখ সুনিতার পুরনো একটি মন্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে থাকলে চোখ দিয়ে গুলি করো। কিন্তু সম্পর্কে যদি তৃতীয় ব্যক্তি আসে, তাহলে তার হাঁটুতে গুলি করো।’
{{/usCountry}}শোয়ের আরেকটি পর্বে রীতেশ দেশমুখ সুনিতার পুরনো একটি মন্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে থাকলে চোখ দিয়ে গুলি করো। কিন্তু সম্পর্কে যদি তৃতীয় ব্যক্তি আসে, তাহলে তার হাঁটুতে গুলি করো।’
{{/usCountry}}এর জবাবে সুনীতা হাস্যরসের সুরে বলেন, ‘যদি শুনে থাকো, চি চি, তাহলে মন দিয়ে শোনো। জীবনে কেউ ঢুকলেই হাঁটুতে গুলি লাগে। আমি মিথ্যে বলিনি। আমি তখন মুম্বইতেও ছিলাম না, খাতু শ্যামে ছিলাম। অথচ অনেকে বলল, আমিই নাকি ওকে গুলি করেছি!’
বিচ্ছেদের জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছিল পরিবার
১৯৮৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন গোবিন্দ ও সুনীতা আহুজা। তাঁদের দুই সন্তান— কন্যা টিনা আহুজা এবং পুত্র যশবর্ধন আহুজা।
দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি হিসেবে পরিচিত। যদিও সুনীতা এর আগে জানিয়েছিলেন, জীবনযাত্রা ও দৈনন্দিন অভ্যাসের পার্থক্যের কারণে তাঁরা বর্তমানে আলাদা বাড়িতে থাকেন।
চলতি বছরের শুরুতে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে জোর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে পরে পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র সেই জল্পনা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেয়। এখনও পর্যন্ত গোবিন্দ বা সুনীতা— কেউই বিচ্ছেদের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি।