...
...
Next Story

Sunny Deol: ‘ভারত আমার মা, পাকিস্তান মাসি…’! পড়শি দেশ নিয়ে প্রশ্ন সাংবাদিকের, বাবা ধর্মেন্দ্রর বলা কথা স্মরণ করাল সানি

‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচার অনুষ্ঠানে সানির মুখে শোনা গেল ‘পাকিস্তান আমার মাসি’ মন্তব্যটি। জানেন কোন প্রেক্ষাপটে এমন কথা বলেছিলেন ধর্মেন্দ্র?

Published on: Aug 4, 2026, 11:41:48 IST
Advertisement

স্বাধীনতা দিবসের সপ্তাহে বরাবরই দেশপ্রেমের থিমে তৈরি হওয়া সিনেমা বেশ ভালো ব্যবসা করে। এবারও ঝড় তুলতে পুরোদমে প্রস্তুত সানি দেওলের ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’। আর সেখানেই সানির মুখে শোনা গেল ‘পাকিস্তান আমার মাসি’ মন্তব্যটি।

বাটওয়ারা ১৯৪৭-এর প্রচারে সানি দেওল।
বাটওয়ারা ১৯৪৭-এর প্রচারে সানি দেওল।

রবিবার ছবির প্রচার করার সময় সাংবাদিকদের তরফ পাকিস্তান সম্পর্কে সানি দেওলের মতামত জানতে চাওয়া হয়। যাতে অভিনেতা প্রথমে স্পষ্ট করে দেন যে ছবিটির শুটিং ভারতে হয়েছে, পাকিস্তানে নয়। বলেন, ‘এটা ওখানে নয়, এটা হিন্দুস্তানে শুট করা হয়েছে।’

তারপরে, কেন তিনি রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করা এড়িয়ে যাচ্ছেন তা ভাগ করে নেওয়ার সময়, তিনি দেশভাগের ইতিহাস সম্পর্কে কথা বলেন। জানান, ‘আমরা এসব পার্থক্যের কথা ভাবি না কারণ পুরো দেশটা একসময় এক ছিল। যেমন আমার বাবা বলেছিলেন, 'এটা আমার মা, এবং ওটা আমার মাসি'। আপনারা সবাই ভালো করেই তা জানেন। কোনো না কোনোভাবে, আমরা সবাই একে অপরের সঙ্গে কোথাও না কোথাও সংযুক্ত।’

‘আমি এই সবের মধ্যে খুব বেশি ঢুকতে চাই না। আমরা অভিনেতা; আমরা গল্পকার। আমরা গল্প বেছে নিই এবং সেগুলোকে জীবন্ত করে তুলি। আমরা সেগুলোকে এদিক-ওদিক নিয়ে যাই না বা রাজনৈতিক বিষয়ে পরিণত করি না, আর তা করতে চাইও না। সেজন্যই আমি এসবের কোনো বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’, আরও বলেন সানি দেওল এই অনুষ্ঠানে।

প্রথমে ছবির নাম রাখা হয়েছিল লাহোর ১৯৪৭। পরে তা পরিবর্তন করে বাটওয়ারা ১৯৪৭ করা হয়। ছবিতে সানি দেওল ছাড়াও অভিনয় করছেন করণ দেওল, আলি ফজল এবং অভিমন্যু সিং। প্রায় তিন দশক পর এই ছবিতে একসঙ্গে কাজ রাজকুমার সন্তোষী এবং সানি দেওলের।

আমির খান প্রোডাকশনসের ব্যানারে নির্মিত 'বাটওয়ারা ১৯৪৭' ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজকুমার সন্তোষী। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন এআর রহমান এবং গীতিকার জাভেদ আখতার। ছবিটি ২০২৬ সালের ১৪ই আগস্ট বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe