Sunny Deol wife Pooja Deol: যে সমস্ত তারকাদের স্ত্রীরা নিজেদের সব সময় লাইমলাইট থেকে আড়াল করে রাখেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন সানি দেওলের স্ত্রী। ক্যামেরার সামনে সেইভাবে কখনওই আসতে দেখা যায়নি পূজাকে। তবে খুব সম্প্রতি বিমানবন্দরে সানির সঙ্গে একসঙ্গে পোজ দিয়ে ছবি তুলতে দেখা যায় পূজা দেওলকে।

এই প্রথম নিজের প্রাইভেট ইমেজ থেকে বেরিয়ে এসে পাপারাজিদের দেখে হাসি উপহার দিলেন পূজা। বিমানবন্দরের বাইরে স্বামীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুললেন তিনি। যদিও এর আগে ছেলে করণ দেওলের বিয়েতেও একসঙ্গে ছবি তুলেছিলেন তিনি। তবে সেটি খুব অল্প সময়ের জন্য ছিল।
ভিডিয়োয় দেখা যায়, ড্রাইভারের পাশের আসনে সানি দেওল এবং পিছনে পূজা বসে আছেন। দুজনই একসাথে বিমানবন্দরের ভিতরে চলে যান। ক্যামেরা দেখেই পূজা হাসেন। তবে, তাঁরা কোনও পোজ দেননি। এদিন সানি একটি খাকি শার্ট এবং নীল জিন্স পরে ছিলেন। চোখে কালো চশমা। গাড়ির পিছনের আসন থেকে সোয়েটশার্ট পরা পূজা বের হলেন এবং দুজন একসাথে এগিয়ে গেলেন।
পূজার এই লাইমলাইট থেকে দূরে থাকার পেছনের রহস্য কিছুই নয় বরং পূজা নিজেকে ব্যক্তিগত রাখতেই পছন্দ করেন সব সময়। অনেকেই ভাবেন দেওল পরিবার হয়তো নিজেদের স্ত্রীদের ক্যামেরার সামনে আসতে দেন না কারণ ববির স্ত্রীও নিজেকে আড়াল করে রাখেন।
কিছু সময় আগে একটি সাক্ষাৎকারে সানি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি বা তাঁর বাড়ির কেউ বাড়ির মহিলাদের উপর কিছু চাপিয়ে দেয় না। পূজা নিজের স্বইচ্ছায় নিজেকে দূরে রাখেন ইন্ডাস্ট্রি থেকে। তিনি নিজের লেখালেখি নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত থাকেন। এই কারণেই সব সময় দেখতে পাওয়া যায় না পূজাকে।
{{/usCountry}}কিছু সময় আগে একটি সাক্ষাৎকারে সানি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি বা তাঁর বাড়ির কেউ বাড়ির মহিলাদের উপর কিছু চাপিয়ে দেয় না। পূজা নিজের স্বইচ্ছায় নিজেকে দূরে রাখেন ইন্ডাস্ট্রি থেকে। তিনি নিজের লেখালেখি নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত থাকেন। এই কারণেই সব সময় দেখতে পাওয়া যায় না পূজাকে।
{{/usCountry}}রিপোর্ট অনুযায়ী, সানি দেওল এবং পূজা ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন। সে সময় সানি দেওল তার প্রথম সিনেমা 'বেতাব' দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করেছিলেন। তবে, এই বিয়ে অনেক বছর গোপন রাখা হয়েছিল। এর পেছনে বড় কারণ ছিল সানি দেওলের চলচ্চিত্র কেরিয়ার। বিয়ের পর দুই ছেলে করণ এবং রাজবীর দেওলের জন্ম দেন পূজা।
তবে শুধু পূজা নয়, ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী প্রকাশ কৌরকেও খুব কম দেখা যেত। ধর্মেন্দ্রর শেষ কয়েক বছরে দুজনের একটি ছবি সামনে এসেছিল। সানি দেওলের দুই বোন অজিতা এবং বিজেতাকে খুব কম সময়ে দেখা গিয়েছে। দেওল পরিবারের পুত্রবধূ ও কন্যাদের ক্যামেরার সামনে দেখা যায়নি। তবে হেমা মালিনীর বড় মেয়ে ইশা দেওল সিনেমায় নাম করার চেষ্টা করেছেন, যদিও তিনি তার পিতামাতার মতো সফলতা দেখেননি।
ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর তাঁকে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পুরস্কার দেওয়া হয়। এই পুরস্কার গ্রহণ করতে হেমা মালিনী উপস্থিত ছিলেন। এই বিশেষ মুহূর্তে তার ছোট মেয়ে আহানা দেওলও উপস্থিত ছিলেন। অভিনেত্রী ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ করে একটি আবেগপ্রবণ পোস্টও শেয়ার করেছিলেন।