শাশুড়ি মায়ের ৬৬ বছরের জন্মদিনে কী সারপ্রাইজ দিলেন শুভস্মিতা?
কিছুদিন আগেই বাগদান পর্ব সেরেছেন শুভস্মিতা এবং সৌরভ। খুব সম্ভবত আগামী বছরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে লক্ষ্মী ঝাঁপি ধারাবাহিকের শেষ দিনের শুটিংও।
কিছুদিন আগেই বাগদান পর্ব সেরেছেন শুভস্মিতা এবং সৌরভ। খুব সম্ভবত আগামী বছরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে ‘লক্ষ্মী ঝাঁপি’ ধারাবাহিকের শেষ দিনের শুটিংও। ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পর তাই এবার দুজনেই শুরু করবেন বিয়ের কেনাকাটা। তবে সৌরভের সকলের সঙ্গে শুভস্মিতার ভীষণ ভালো সম্পর্ক, বিশেষ করে শাশুড়ি মায়ের সঙ্গে।

শাশুড়ি মা ইতিমধ্যেই শুভস্মিতার খুব ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছেন। তাই শাশুড়ি মায়ের ৬৬ তম জন্মদিনে শুভস্মিতা দিলেন এমন একটি উপহার, যা চোখে জল এনে দিল সৌরভের মায়ের। কোনও দামি উপহার নয়, কিন্তু যে উপহার পেলেন সৌরভের মা, তা কোনও অর্থ দিয়ে বিচার করা যায় না।
আরও পড়ুন: 'দেব যদি পরিচালনা করে, আমি নায়ক হতে রাজি', ‘দেশু ৭’-এর ইভেন্ট থেকে বড় ঘোষণা জিতের
কী দিলেন শুভস্মিতা?
শুভস্মিতার এই উপহারের কথা নিজের পোষ্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন সৌরভ। ছোটবেলার বন্ধু, যাদের অন্য কোনও বিকল্প হয় না। যাদের সঙ্গে ছোটবেলা থেকে নানান স্মৃতি জুড়ে থাকে, বাবা মায়ের পর এই বন্ধুরাই ভাই একমাত্র কমফোর্ট জোন। তাই এবার সেই বন্ধুদেরকেই উপহার হিসেবে শাশুড়ি মায়ের কাছে নিয়ে এসেছেন শুভস্মিতা।
সৌরভ লেখেন, ‘জীবনের ৬৬ বছর কাটিয়ে ফেলার পর যখন ছোটবেলার বন্ধুদের সঙ্গে আবার দেখা হয়, আবার আড্ডা হয় তখন তার একটা আলাদাই আনন্দ হয়। কত অভিজ্ঞতা, জীবনকে বুঝতে না পারা, আবার না বোঝার সমীকরণ, চাকরি, সন্তান, কত বিষয়, কত বারবার পাল্টে যাওয়া পৃথিবীর মুহূর্তরা এসে জড়ো হয় সেই আড্ডায়।’
‘মায়ের জন্মদিনে মায়ের ছোটবেলার বন্ধুদের সারপ্রাইজ হিসেবে আনার কথা প্রথম মাথায় এসেছিল শুভস্মিতার। এত বাড়াবাড়ির প্রয়োজন ছিল না বলে হালকা বকুনি খেয়েছে কিন্তু আজকের দিনে আড্ডার অলি গলিতে শৈশব না হয় সাতরঙা বেলুন নিয়ে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা হয়ে ঘুরে বেড়াক।’ লেখেন অভিনেতা।
আরও পড়ুন: বৃষ্টি মাথায় নিয়ে এলেন ভক্তরা, শুরু হল ‘দেশু ৭’- এর ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্ট, নাচে গানে মেতে উঠলেন সকলে
সৌরভ যে ছবিগুলি পোস্ট করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে, ছেলে এবং বৌমার সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন সৌরভের মা। কিন্তু সব থেকে বেশি মিষ্টি ছবি সেগুলোই যেখানে ছোটবেলার বন্ধুদের সঙ্গে হাসতে হাসতে কাটছেন সৌরভের মা। এমন একটা দিন সারা জীবন স্মৃতি হয়ে থাকবে সৌরভের মায়ের কাছে।
E-Paper

