দীর্ঘ সাধনার স্বীকৃতি পেলেন স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত, সম্মানিত হলেন ডিলিট সম্মানে
শুধু শাস্ত্রীয় সংগীতের জগতে নয়, রবীন্দ্র সঙ্গীতের হাত ধরেও যিনি সঙ্গীত জগতে নিজের একটা আলাদা ছাপ রেখেছেন, তিনি হলেন স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত। দীর্ঘদিনের তাঁর এই সংগীত সাধনা অবশেষে পেল স্বীকৃতি।
শুধু শাস্ত্রীয় সংগীতের জগতে নয়, রবীন্দ্র সঙ্গীতের হাত ধরেও যিনি সঙ্গীত জগতে নিজের একটা আলাদা ছাপ রেখেছেন, তিনি হলেন স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত। দীর্ঘদিনের তাঁর এই সংগীত সাধনা অবশেষে পেল স্বীকৃতি। ডক্টর অফ লিটারেচার সম্মানে ভূষিত হলেন তিনি। ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি.লিট সম্মানে সম্মানিত করা হল স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্তকে।
দীর্ঘ সাধনার স্বীকৃতি পেলেন স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর এন রবি এবং রাজ্যের মন্ত্রী মাননীয় জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সকলের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় তরফ থেকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্তের হাতে। সঙ্গীত জগতে তাঁর অনন্য অবদানের জন্যই এই পুরস্কার প্রদান করা হল তাঁকে।
শুধুমাত্র একজন গায়িকা হিসাবে নয়, একজন কবি এবং সুরকার হিসেবেও পরিচিত স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত। শুধুমাত্র বাংলা নয়, হিন্দি, তামিল, তেলেগু, ইংরেজি, অসমিয়া, উর্দু এবং স্কটিশ ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। প্রায় ৫ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। ২০০৬ সালে গীতবিতানের ২০২৩টি গান মাত্র ৮০ দিনের মধ্যে রেকর্ড করে ইতিহাস তৈরি করেন।
তবে শুধুমাত্র রবীন্দ্র সংগীত নয়, ভগবতগীতা, চন্ডী বেদ, হনুমান চল্লিশা সহ একাধিক ভক্তিমূলক গানের রেকর্ডিং করেন তিনি। গানের জগত ছাড়াও তিনি নিজের শিল্পের ছাপ রেখেছেন নাচ, ফটোগ্রাফি, সিনেমা জগতে। সঙ্গীত শিল্পীর এই বহুমুখী প্রতিভাকেই এবার সম্মান জানানো হল ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় তরফ থেকে।
ডিলিট সম্মানে সম্মানিত হয়ে স্বাগতালক্ষ্মী বলেন, ‘আমি এখানে উপস্থিত প্রত্যেককে শ্রদ্ধা জানাই। আমি আজকে ভীষণ আবেগপ্রবণ। স্বীকৃতি আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি। আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমি মনে করি এই স্বীকৃতি আমার ভবিষ্যৎ জীবনের কর্ম পথকে আরো বেশি প্রশস্ত করে তুলবে। আমি আমার পরিবার এবং আমার প্রত্যেক শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশীর্বাদ চাই আগামী দিনে চলার জন্য।’
Home/Entertainment/দীর্ঘ সাধনার স্বীকৃতি পেলেন স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত, সম্মানিত হলেন ডিলিট সম্মানে