...
...
Next Story

স্বরার ‘পদ্মাবত’ মন্তব্যে বিতর্ক, জহর দৃশ্যের সপক্ষে এবার মুখ খুললেন ছবির লেখক

স্বরা ভাস্কর বরাবরই তাঁর স্পষ্ট বক্তব্যের জন্য চর্চায় থাকেন। সম্প্রতি দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘পদ্মাবত’ এবং জহর প্রথা নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। এবার সেই বিতর্কের মাঝেই ছবির লেখক প্রকাশ কাপাড়িয়া জহর দৃশ্যের পক্ষে সওয়াল করে জানালেন, ছবিতে তৎকালীন সময়ের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছিল।

Published on: Sep 3, 2026, 10:22:36 IST
Advertisement

বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মন্তব্যের জন্যও প্রায়ই শিরোনামে থাকেন। নিজের স্পষ্ট ও অকপট মতামতের জন্য পরিচিত স্বরাকে প্রায়ই নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে কথা বলতে দেখা যায়। সম্প্রতি দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘পদ্মাবত’ সিনেমা এবং তাতে উঠে আসা জহর প্রথা নিয়ে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে এবার ছবির জহর দৃশ্যের সপক্ষে মুখ খুললেন ‘পদ্মাবত’-এর লেখক প্রকাশ কাপাড়িয়া।

পদ্মাবত ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোন। (IMDb)
পদ্মাবত ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোন। (IMDb)

সঞ্জয় লীলা বনশালির সঙ্গে যৌথভাবে ‘পদ্মাবত’-এর গল্প লিখেছিলেন প্রকাশ কাপাড়িয়া। সম্প্রতি HT-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছবিতে জহর দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করেন

‘প্রত্যেকে ছবিকে নিজের মতো করে বোঝেন’

প্রকাশ কাপাড়িয়া বলেন, গবেষণা এবং ইতিহাসের বইয়ে থাকা তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁরা ছবিটি তৈরি করেছিলেন। তাঁর কথায়, প্রত্যেক দর্শক একটি ছবিকে নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করেন। ‘পদ্মাবত’-এ জহরের যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে, সেটিও সেই সময়ের বাস্তবতার ভিত্তিতেই তৈরি।

লেখকের বক্তব্য, সেই সময়ের পরিস্থিতি ছিল অনেকটা ‘করো অথবা মরো’-র মতো। পুরুষ যোদ্ধারা কেশরিয়া পোশাক পরে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতেন এবং শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করতেন।

‘মানুষের মেজাজের উপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে’

স্বরা ভাস্করের মন্তব্য নিয়ে সরাসরি কোনও পাল্টা বক্তব্য দিতে চাননি প্রকাশ। তিনি বলেন, একটি ছবি দর্শকের কেমন লাগবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে সেই সময় তাঁর মানসিক অবস্থার উপর। তাঁর মতে, ভালো ছবি খারাপ মেজাজে দেখলে সেটিকেও খারাপ লাগতে পারে।

‘পদ্মাবত’ মুক্তির আগেও হয়েছিল তীব্র বিতর্ক

প্রকাশ কাপাড়িয়া মনে করিয়ে দেন, ‘পদ্মাবত’ মুক্তির আগেই ছবিটিকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদও হয়েছিল। তাঁর মতে, সেই সময় যে আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা এত বছর পরেও কোনও না কোনওভাবে চলছে।

তবে স্বরার মন্তব্য নিয়ে আর কোনও বিতর্কে জড়াতে চান না ছবির লেখক। প্রকাশের কথায়, ‘আমি আর কিছু বলতে পারি না। মানুষ যা বলতে চায়, বলতে দিন।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe