বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মন্তব্যের জন্যও প্রায়ই শিরোনামে থাকেন। নিজের স্পষ্ট ও অকপট মতামতের জন্য পরিচিত স্বরাকে প্রায়ই নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে কথা বলতে দেখা যায়। সম্প্রতি দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘পদ্মাবত’ সিনেমা এবং তাতে উঠে আসা জহর প্রথা নিয়ে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে এবার ছবির জহর দৃশ্যের সপক্ষে মুখ খুললেন ‘পদ্মাবত’-এর লেখক প্রকাশ কাপাড়িয়া।

সঞ্জয় লীলা বনশালির সঙ্গে যৌথভাবে ‘পদ্মাবত’-এর গল্প লিখেছিলেন প্রকাশ কাপাড়িয়া। সম্প্রতি HT-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছবিতে জহর দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করেন
‘প্রত্যেকে ছবিকে নিজের মতো করে বোঝেন’
প্রকাশ কাপাড়িয়া বলেন, গবেষণা এবং ইতিহাসের বইয়ে থাকা তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁরা ছবিটি তৈরি করেছিলেন। তাঁর কথায়, প্রত্যেক দর্শক একটি ছবিকে নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করেন। ‘পদ্মাবত’-এ জহরের যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে, সেটিও সেই সময়ের বাস্তবতার ভিত্তিতেই তৈরি।
লেখকের বক্তব্য, সেই সময়ের পরিস্থিতি ছিল অনেকটা ‘করো অথবা মরো’-র মতো। পুরুষ যোদ্ধারা কেশরিয়া পোশাক পরে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতেন এবং শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করতেন।
‘মানুষের মেজাজের উপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে’
স্বরা ভাস্করের মন্তব্য নিয়ে সরাসরি কোনও পাল্টা বক্তব্য দিতে চাননি প্রকাশ। তিনি বলেন, একটি ছবি দর্শকের কেমন লাগবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে সেই সময় তাঁর মানসিক অবস্থার উপর। তাঁর মতে, ভালো ছবি খারাপ মেজাজে দেখলে সেটিকেও খারাপ লাগতে পারে।
প্রকাশ আরও বলেন, বিষয়টি দর্শকের উদ্দেশ্য বা মানসিকতার সঙ্গেও যুক্ত। কেউ যদি শুধুমাত্র বিতর্কিত বা নেতিবাচক কিছু খুঁজতে ছবি দেখতে যান, তাহলে তাঁর দেখার ধরনও আলাদা হবে।
{{/usCountry}}প্রকাশ আরও বলেন, বিষয়টি দর্শকের উদ্দেশ্য বা মানসিকতার সঙ্গেও যুক্ত। কেউ যদি শুধুমাত্র বিতর্কিত বা নেতিবাচক কিছু খুঁজতে ছবি দেখতে যান, তাহলে তাঁর দেখার ধরনও আলাদা হবে।
{{/usCountry}}‘পদ্মাবত’ মুক্তির আগেও হয়েছিল তীব্র বিতর্ক
প্রকাশ কাপাড়িয়া মনে করিয়ে দেন, ‘পদ্মাবত’ মুক্তির আগেই ছবিটিকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদও হয়েছিল। তাঁর মতে, সেই সময় যে আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা এত বছর পরেও কোনও না কোনওভাবে চলছে।
তবে স্বরার মন্তব্য নিয়ে আর কোনও বিতর্কে জড়াতে চান না ছবির লেখক। প্রকাশের কথায়, ‘আমি আর কিছু বলতে পারি না। মানুষ যা বলতে চায়, বলতে দিন।’