...
...
Next Story

Swaroop Biswas Arrest: ‘কৃতকর্মের ফল', স্বরূপের গ্রেফতারিতে খুশির হাওয়া টলিউডে, অনির্বাণের মিম ভাইরাল!

‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু…’, রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই বিশ্বাস ছিল টলিউডের এবার বিশ্বাস ব্রাদার্সের দাদাগিরির জমানা শেষ। এক মাসের মধ্যেই শ্রীঘরে অরূপের ছোট ভাই।

Published on: Jun 5, 2026, 08:00:37 IST
Advertisement

বৃহস্পতিবার টলিউডের বড় অংশের মানুষের কাছে স্বস্তির রাত। শান্তির ঘুমের রাত। এদিন কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। যাঁর অঙ্গুলি হেলনে এতদিন টলিউড চলত। ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি এদিন গ্রেফতার হলেন তোলাবাজি, যৌন হেনস্থার মতো গভীর অপরাধের অভিযোগে।

‘কৃতকর্মের ফল', স্বরূপের গ্রেফতারিতে খুশির হাওয়া টলিউডে, অনির্বাণের মিম ভাইরাল!
‘কৃতকর্মের ফল', স্বরূপের গ্রেফতারিতে খুশির হাওয়া টলিউডে, অনির্বাণের মিম ভাইরাল!

এক রূপটান শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার স্বরূপ। বছর দুয়েক ওই মহিলা কোনও কাজ পাননি স্বরূপের দাদাগিরিতে। কাজ চাইতে গেলে তাঁর কাছ থেকে টাকা দাবি করা হয়। এমনকি, তাঁকে ভয়ও দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। স্বরূপের একনায়কতন্ত্র নিয়ে টলিগঞ্জের অনেক কলাকুশলীর মনেই ক্ষোভ জন্মেছিল। তাই এদিন স্বস্তিতে সকলেই।

স্বরূপের গ্রেফতারির পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আচমকাই চর্চায় অনির্বাণ ভট্টাচার্য। খোকা'কে নিয়ে মিমে ছেয়ে গিয়েছে ফেসবুক। স্বরূপের দাদাগিরির জেরেই অনির্বাণের মতো পাওয়ারফুল অভিনেতা মাসের পর মাস কাজহীন হয়ে ঘরে বসে থেকেছেন। দেব জোর করে দেশু৭-এ অনির্বাণকে কাস্ট করেন, তার আগে পর্যন্ত সেই সাহস দেখাননি কেউই। স্বরূপের সোনার দুর্গ ভেঙে পড়তে পারে সেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল রাজ্য়ে রাজনৈতিক পালাবদলের পরই। এক মাসের মধ্যেই সেই আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত হল।

বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ এদিন জানান, ‘আবার প্রমাণিত, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে’। হিরণ চট্টোপাধ্যায় সাফ জানান, ‘অনেকের চোখের জলের কারণ উনি, এটা তো হওয়ারই ছিল। আশা করব আইন মেনে শাস্তি হবে’।

ফেসবুক পোস্টে সুদীপ্তা চক্রবর্তী লেখেন, ‘অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।’

মাস কয়েক আগেই পরিচালক জয়ব্রত দাসের ‘দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইনস আটর্সের মুক্তি আটকে ছিলেন স্বরূপ। এদিন পরিচালক লিখলেন, ’আমাদের ছবির যখন রিলিজ আটকে দেওয়া হয়েছিল তখন বেশ কিছু পরিচালক বাংলা ছবি বানানোর নিয়ম নামক একটি চোথা নামিয়েছিলেন ফেসবুকে। আজ এই শুভদিনে ওই চোথাটি অ্যাকচুয়ালি কে লিখেছিলেন জানতে একটু মন চায় !'

ওদিকে লীনা গঙ্গোপাধ্যায় পুত্র অর্কও এদিন মুখ বুজে থাকলেন না। কনে দেখা আলোর নির্মাতা ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন। যেখানে স্বরূপকে পাশে নিয়ে ম্যাজিক মোমেন্টসের উপর ‘ব্যান’ (সাসপেনশন)-এর খাঁড়া ঝোলানো হয়েছিল। অর্ক ভিডিয়োর কথোপকথনের অংশ তুলে ধরে লেখেন,'প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিক আর তাদের প্রিয় পরিবার মাননীয় স্বরূপ বিশ্বাস এর লাস্ট ব্যান-এর ভিডিও টা দেখছিলাম, কোর্ট থেকে ভিডিও আর transcript চেয়ে পাঠিয়েছে বলে, সামনে রাখা ছিল, জাস্ট চোখে পড়লো মাত্র। যাইহোক, একটা উইকেট পড়লো, বাকিগুলো ও আশা করি তাড়াতাড়ি পড়বে! পালটি শিল্পর বাজারও ভালো না, কি আর করা যাবে'।

কাঞ্চনা মৈত্র খোঁচা দিয়ে লেখেন, ‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তোলায় (সঙ্গে পড়বেন কাটমানি) বহুদূর’। স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারিকে ‘আপদ বিদায়’ বলে উল্লাসে মেতে উঠেছেন ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে লোকজন। এই বিতর্কের শেষ কোথায়? সেটাই এখন দেখবার।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe