ঋতুস্রাবের দিনগুলোয় মেয়েদের শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিক ও আবেগজনিত যে দোলাচল চলে, তা নিয়ে ইদানীং অনেকেই সোশ্যালে মন খুলে কথা বলছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন টলিউডের দুই অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত (Swastika Dutta) এবং তৃণা সাহা (Trina Saha)। পিরিয়ডসের মুড সুইং এবং মানসিক লড়াই নিয়ে স্বস্তিকার একটি পোস্টে একাত্মতা প্রকাশ করলেন তৃণাও।

স্বস্তিকার দেওয়া ‘চ্যালেঞ্জ’ এবং ভাইরাল মিম
ছোট পর্দার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’-র মুখ্য চরিত্র খ্যাত অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি মিম শেয়ার করেছেন। সেই মিমের ছবিতে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ‘Controlling your emotions while on your period is an extreme sport’ অর্থাৎ: পিরিয়ড চলার সময় নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা কোনো বিপজ্জনক খেলার চেয়ে কম নয়।
এই মিমটি শেয়ার করার পাশাপাশি স্বস্তিকা ক্যাপশনে বেশ মজার ছলে কিন্তু অত্যন্ত সত্যি একটি কথা লিখেছেন। নায়িকার বয়ানে—'আমি বাজি ধরে বলতে পারি, পিরিয়ড শুরু হওয়ার ঠিক আগে থেকেই আসল চ্যালেঞ্জটা শুরু হয়ে যায়'। আসলে ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার আগের দিনগুলোয় মেয়েদের যে প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিন্ড্রোমের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, স্বস্তিকা এখানে সম্ভবত সেই কঠিন সময়টার কথাই ইঙ্গিত করেছেন।
তৃণা সাহার ‘১০০% সহমত’
স্বস্তিকার এই রিয়েলস্টিক পোস্টটি নজরে আসতেই সেখানে কমেন্ট করতে দেরি করেননি ওঁর সহকর্মী তথা টলিপাড়ার অন্যতম প্রথম সারির অভিনেত্রী তৃণা সাহা। বর্তমানে ‘পরশুরাম’ ধারাবাহিকে ‘তটিনী’ চরিত্রে অভিনয় করা তৃণা কমেন্ট বক্সে রিঅ্যাক্ট করে লেখেন— ‘এর চেয়ে বেশি সহমত আর হওয়াই যায় না’। আপতত ব্লুজ প্রোডাকশনের দুই মেগার লিডিং লেডি স্বস্তিকা ও তৃণা। গল্পের স্বার্থে প্রায়ই একসঙ্গে শ্যুট করতে হয় দুজনকে। অফস্ক্রিনেও যে দুজনের বন্ডিং মজবুত, তা স্পষ্ট এই পোস্ট থেকেই।
দুই টলি-নায়িকার এই চ্যাট এবং পোস্টটি রাতারাতি নেটপাড়ার বহু সাধারণ মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। পিরিয়ডসের দিনগুলোয় যে অদ্ভুত মুড সুইং, কান্না পাওয়া বা অকারণ রাগ হওয়ার মতো ইমোশনাল রোলারকোস্টারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, তার সাথে নেটিজেনদের একাংশও কমেন্টে নিজেদের মিল খুঁজে পেয়েছেন।
{{/usCountry}}দুই টলি-নায়িকার এই চ্যাট এবং পোস্টটি রাতারাতি নেটপাড়ার বহু সাধারণ মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। পিরিয়ডসের দিনগুলোয় যে অদ্ভুত মুড সুইং, কান্না পাওয়া বা অকারণ রাগ হওয়ার মতো ইমোশনাল রোলারকোস্টারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, তার সাথে নেটিজেনদের একাংশও কমেন্টে নিজেদের মিল খুঁজে পেয়েছেন।
{{/usCountry}}