Swastika-Dibyojyoti: ‘আমরা আড্ডা দিতাম, ঘুরতে যেতাম…’! দিব্যজ্যোতির সঙ্গে প্রেম ছিল, নাকি সবটই রটনা? জবাব স্বস্তিকার
অনুরাগের ছোঁয়া দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন স্বস্তিকা ঘোষ আর দিব্যজ্যোতি দত্ত। শুধু তাই নয়, দুজনের জুটি এতটাই পছন্দ করেছিলেন দর্শক যে, তাঁদের প্রেম নিয়েও খুব চর্চা হয়েছিল সেই সময়তে।
সাড়ে তিন বছর সম্প্রচারের পর, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের শেষে এসে বন্ধ হয় অনুরাগের ছোঁয়ার পথ চলা। আর স্টার জলসার এই ধারাবাহিক দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন স্বস্তিকা ঘোষ আর দিব্যজ্যোতি দত্ত। শুধু তাই নয়, দুজনের জুটি এতটাই পছন্দ করেছিলেন দর্শক যে, তাঁদের প্রেম নিয়েও খুব চর্চা হয়েছিল সেই সময়তে।

আপাতত দিব্যজ্যোতি ব্যস্ত তাঁর প্রথম সিনেমা লহ গৌরাঙ্গের নাম রে নিয়ে। যেখানে চৈতন্য মহাপ্রভুর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। স্বস্তিকা আপাতত নিজেকে সময় দিচ্ছেন। পরবর্তী কাজ হাতে নেওয়ার আগে একটু বিরতি। নিজেকে নতুন করে সাজিয়ে নেওয়া।
আরও পড়ুন: ২২ বছর লিভ ইন! ‘শারীরিক সুখ’ দিতে পারেননি দীপঙ্কর, মা হওয়া নিয়ে কী বলেছিলেন দোলন
অনুরাগের ছোঁয়ার শ্যুটুং চলাকালীন সেটে তাঁদের খুনসুটি, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দেখতে পেতেন দর্শক, যা এখন খুব মিস করছেন ‘সূর্য-দীপা’ জুটির ভক্তরা। আদৌ কি কোনো প্রেম ছিল দুজনের? একসঙ্গে কাজ করতে করতে গিয়ে মন দিয়ে ফেলেছিলেন তাঁরা একে-অপরকে? নাকি সবটাই জল্পনা?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে মুখ খুললেন ‘দীপা’ স্বস্তিকা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এসব শুনে আমরা হাসতাম, আর কী বা করতে পারি! দেখো বন্ধুত্বটাকে কেউ যদি প্রেম হিসেবে ছড়ায়, আমরা আর কী বা করতে পারি। খুব ভালো একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক। সেটা যদি কেউ প্রেম বলে, আমরা কী বলব। রিয়্যাক্টটা তো ওভাবেই করতে হবে। ভাবলে ভাবুক, কী আর করা যাবে’!
কীভাবে ছড়ায় এসব প্রশ্নে স্বস্তিকা বলেন, ‘জানি না কারা ছড়ায়। কাজের ওখান থেকে হতে পারে। বা আমরা অ্যাওয়ার্ড শো-তে যেতাম, আড্ডা দিতাম, ঘুরতে যেতাম, ডিনারে যেতাম সবাই মিলে। সেটা থেকেও হতে পারে… ওই যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা, ওই যে জেলিংটা কারও চোখে পড়ে গিয়েছিল হয়তো।’
তবে স্বস্তিকা ও দিব্যজ্যোতির সম্পর্কের নানা পরত চোখে পড়েছে তাঁর ভক্তদের। মাঝে একে-অপরকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আনফলো পর্যন্ত করে দিয়েছিলেন। শোনা যায়, মন কষাকষি হয়েছিল। তবে তা বাড়তে দেননি কোনো পক্ষই। মিটিয়ে নেন। দিব্যজ্যোতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘দুটো বাসন যদি এক জায়গায় থাকে তাহলে তো খোটাখুটি লাগবেই’।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


