কেরিয়ারের নতুন মোড় এসেছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের। কারণ বর্তমানে তিনি সিনেমা-সিরিজের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাজত্ব করছেন টিভি-তেও। মাত্র কয়েক মাসেই হয়ে উঠেছেন দর্শকদের ঘরের মানুষ। অবশ্য এই দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালনা নিয়ে তাঁকে কম কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়নি। অনেকেই বলেছিলেন এই কাজে তিনি অযোগ্য়। কিন্তু সকলকে ভুল প্রমাণ করেছেন স্বস্তিকা।

দিদি নম্বর ১-এর সাম্প্রতিক একটি পর্বে দেখা গেল, স্বস্তিকার মঞ্চে এক নৃত্যশিল্পী। তিনি নিজের লড়াইয়ের গল্প বলতে গিয়ে জানান, ‘অনেকেই বলেছিল আমি কিছু করতে পারব না। নাচের স্কুল ২ দিনে বন্ধ হয়ে যাবে।’ আর সেই মেয়েটির কথার প্রসঙ্গ ধরে স্বস্তিকাও বলে ওঠেন, ‘লোকে আমাকেও বলেছিল দিদি নম্বর ১ সিজন ১০ শুরু হয়েই বন্ধ হয়ে যাবে। এই মঞ্চে দিদিরা নতুন করে পায় সম্মান। আর এই মঞ্চ দিদিদের বানায় দিদি নম্বর ১।’
স্বস্তিকা জানিয়েছেন যে, দিদি নম্বর ১-এ সঞ্চালনা বড় পছন্দ হয়েছে তাঁর মেয়ের। এমনকী, অন্বেষা জি ফাইভের সাবস্ক্রিপশনও নিয়েছে এই শো দেখবে বলে। এমনকী মেয়ে নাকি মস্করা করে বলেছে, দিদি নম্বর ১-এ বিভিন্ন গেমগুল যখন খেলা হয়, তখন প্রতিযোগীদের থেকেও বেশি হইচই করেন স্বস্তিকা।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে শুরু হয় ‘দিদি নম্বর ওয়ান’। অনেকেরই জানা নেই, প্রথম সিজনে শো-টির দায়িত্বভার সামলেছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়। ওই একটা সিজনই দিদি নম্বর ১ সঞ্চালনা করেন পুষ্পিতা। তবে দ্বিতীয় সিজন থেকে দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব আসে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। শোনা যায়, মায়ের অসুস্থতার কারণে সরে দাঁড়ান পুষ্পিতা। সেই ২০১০ থেকেই রচনা হয়ে উঠেছিলেন টিভির দিদি। জি বাংলার এই রিয়েলিটি শো দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে।
তবে চলতি বছরের ২৯ জুন থেকে শোটি একদম নতুন ফরম্যাটে আনার পরিকল্পনা করে চ্যানেল। কোনো আগাম দীর্ঘ আলোচনা ছাড়াই বসিয়ে দেওয়া হয় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, তেমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি সংবাদমাধ্যমকে। প্রশ্ন তুলেছিলেন, কন্ট্রাক্টে সাত দিনের নোটিসে শো বন্ধ করার নিয়ম থাকতেই পারে। কিন্তু ১৫ বছর ধরে যে মানুষটি চ্যানেলের সঙ্গে কাজ করছেন এবং তাঁর সঞ্চালনায় শোটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তাঁর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কন্ট্রাক্টের নিয়ম দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা নৈতিক।
{{/usCountry}}তবে চলতি বছরের ২৯ জুন থেকে শোটি একদম নতুন ফরম্যাটে আনার পরিকল্পনা করে চ্যানেল। কোনো আগাম দীর্ঘ আলোচনা ছাড়াই বসিয়ে দেওয়া হয় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, তেমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি সংবাদমাধ্যমকে। প্রশ্ন তুলেছিলেন, কন্ট্রাক্টে সাত দিনের নোটিসে শো বন্ধ করার নিয়ম থাকতেই পারে। কিন্তু ১৫ বছর ধরে যে মানুষটি চ্যানেলের সঙ্গে কাজ করছেন এবং তাঁর সঞ্চালনায় শোটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তাঁর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কন্ট্রাক্টের নিয়ম দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা নৈতিক।
{{/usCountry}}