গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। সেখানে ছোটবেলা থেকেই গণেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথার ভাগ করে নেন তাঁর সেই পোস্টে। সেখানেই এক নেটিজেন তাঁকে কটাক্ষ করেন, ‘কমিউনিস্টরা আবার ঠাকুর মানে’? কী জবাব দিলেন অভিনেত্রী?

দিদি নম্বর ১-এর সেটে গণেশ পুজোর সেলিব্রেশনের ভিডিয়ো শেয়ার করে স্বস্তিকা লেখেন, ‘আমার প্রাণের প্রিয় ঠাকুর। অবশ্য শুধু ঠাকুর নয়, আমার বন্ধু ও, একা একা বসে কত কথা হয়েছে আমাদের। আপদে বিপদে সর্বক্ষণ সঙ্গে থাকেন ইনি। মা এর মোস্ট ফেভারিট। আমার যাত্রাপথের সঙ্গী, বেড়াতে যাওয়ারও সঙ্গী-- গণেশ, আমাদের গণপতি বাপ্পা’। আর এই পোস্টেই আসে সেই কটাক্ষ। অভিনেত্রী জবাবে লেখেন, ‘লকড প্রোফাইলের পিছনে বসে আপনার যেমন কচকচ করতে ভালো লাগে, ঠিক তেমন।’
প্রসঙ্গত, নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে কখনো সেভাবে কথা বলেন না স্বস্তিকা। একসময় তৃণমূল সরকারের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমেছিলেন আরজি কর কাণ্ডের সময়। সেই সময় তৃণমূলের নেতাদের বিরাগভাজনও হয়েছিলেন তিনি। স্বস্তিকা মাঝে সোশ্যালমিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘কাউকে কমরেড বলে সম্মোধন করলে আমি নিশ্চিত লাল। এক দশক বা তার একটু কম বেশি আগে পরে, এক জোড়া চোটির ছবি দিয়েছিলাম বলে আমি সবুজ… রং দে তু মোহে গেরুয়া গানটা গাইলে আমি গেরুয়া। আজাদি স্লোগান তুললে আমি জেএনইউ - ওহ না না ওরা তোহ কোন দল না, ভুলে যাই। আর কিছু বাদ পড়ল?’
টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ২০২৬ সালের জুন মাস থেকে জি বাংলার রিয়েলিটি শো দিদি নম্বর ১ সঞ্চালনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। এতদিন যা ছিল রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাঁধে। স্বস্তিকা আসার পর থেকে একদম নতুন ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে দিদি নম্বর ১। এখন ১০ জন দিদিকে নিয়ে খেলা চলে। নিজের এই নতুন ভূমিকায় দর্শকদের থেকে ভরে ভরে ভালোবাসাও পাচ্ছেন। আর ট্রোল যা হয়, তা নিজের মতো করে সামলে নেন। বরাবরই তিনি মুফট। রাখঢাক করে কথা বলা যে তাঁর ধাতে নেই, সেটাও স্পষ্ট করেছেন বহুবার।
{{/usCountry}}টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ২০২৬ সালের জুন মাস থেকে জি বাংলার রিয়েলিটি শো দিদি নম্বর ১ সঞ্চালনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। এতদিন যা ছিল রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাঁধে। স্বস্তিকা আসার পর থেকে একদম নতুন ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে দিদি নম্বর ১। এখন ১০ জন দিদিকে নিয়ে খেলা চলে। নিজের এই নতুন ভূমিকায় দর্শকদের থেকে ভরে ভরে ভালোবাসাও পাচ্ছেন। আর ট্রোল যা হয়, তা নিজের মতো করে সামলে নেন। বরাবরই তিনি মুফট। রাখঢাক করে কথা বলা যে তাঁর ধাতে নেই, সেটাও স্পষ্ট করেছেন বহুবার।
{{/usCountry}}স্বস্তিকাকে শেষ দেখা গিয়েছে গান্ধারী সিনেমা। যাতে ছিলেন তাপসী পান্নুও। নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে এই ছবিখানা। ২০২৬-এ তাঁকে আরও যে প্রোজেক্টে দেখা গিয়েছে তা হল 'বিবি পায়রা', ‘কালী পটকা’, ‘বিজয়া’, 'প্রোমোটার বৌদি'।