...
...
Next Story

‘কমরেডরা ঠাকুর মানে?’, গণেশর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেই কটাক্ষ, মোক্ষম জবাব স্বস্তিকার

দিদি নম্বর ১-এর সেটে গণেশ পুজোর সেলিব্রেশনের ভিডিয়ো শেয়ার করেন স্বস্তিকা। সঙ্গে ‘আমার প্রাণের প্রিয় ঠাকুর’ বলেও উল্লেখ করেন। তাতেই এক নেটিজেনের প্রশ্ন, ‘কমরেডরা ঠাকুর মানে?’

Published on: Sep 16, 2026, 17:30:20 IST
Advertisement

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। সেখানে ছোটবেলা থেকেই গণেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথার ভাগ করে নেন তাঁর সেই পোস্টে। সেখানেই এক নেটিজেন তাঁকে কটাক্ষ করেন, ‘কমিউনিস্টরা আবার ঠাকুর মানে’? কী জবাব দিলেন অভিনেত্রী?

গণেশ পুজো নিয়ে পোস্ট করায় কটাক্ষ, কী জবাব স্বস্তিকার?
গণেশ পুজো নিয়ে পোস্ট করায় কটাক্ষ, কী জবাব স্বস্তিকার?

দিদি নম্বর ১-এর সেটে গণেশ পুজোর সেলিব্রেশনের ভিডিয়ো শেয়ার করে স্বস্তিকা লেখেন, ‘আমার প্রাণের প্রিয় ঠাকুর। অবশ্য শুধু ঠাকুর নয়, আমার বন্ধু ও, একা একা বসে কত কথা হয়েছে আমাদের। আপদে বিপদে সর্বক্ষণ সঙ্গে থাকেন ইনি। মা এর মোস্ট ফেভারিট। আমার যাত্রাপথের সঙ্গী, বেড়াতে যাওয়ারও সঙ্গী-- গণেশ, আমাদের গণপতি বাপ্পা’। আর এই পোস্টেই আসে সেই কটাক্ষ। অভিনেত্রী জবাবে লেখেন, ‘লকড প্রোফাইলের পিছনে বসে আপনার যেমন কচকচ করতে ভালো লাগে, ঠিক তেমন।’

প্রসঙ্গত, নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে কখনো সেভাবে কথা বলেন না স্বস্তিকা। একসময় তৃণমূল সরকারের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমেছিলেন আরজি কর কাণ্ডের সময়। সেই সময় তৃণমূলের নেতাদের বিরাগভাজনও হয়েছিলেন তিনি। স্বস্তিকা মাঝে সোশ্যালমিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘কাউকে কমরেড বলে সম্মোধন করলে আমি নিশ্চিত লাল। এক দশক বা তার একটু কম বেশি আগে পরে, এক জোড়া চোটির ছবি দিয়েছিলাম বলে আমি সবুজ… রং দে তু মোহে গেরুয়া গানটা গাইলে আমি গেরুয়া। আজাদি স্লোগান তুললে আমি জেএনইউ - ওহ না না ওরা তোহ কোন দল না, ভুলে যাই। আর কিছু বাদ পড়ল?’

স্বস্তিকার জবাবের স্ক্রিনশট।

স্বস্তিকাকে শেষ দেখা গিয়েছে গান্ধারী সিনেমা। যাতে ছিলেন তাপসী পান্নুও। নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে এই ছবিখানা। ২০২৬-এ তাঁকে আরও যে প্রোজেক্টে দেখা গিয়েছে তা হল 'বিবি পায়রা', ‘কালী পটকা’, ‘বিজয়া’, 'প্রোমোটার বৌদি'।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks