একটা স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল। যেখানে দেখা যাচ্ছে ২০২১-এ বিজেপির হারের পর পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় টুইট করেন, ‘আজকে বিশ্ব রগড়ানি দিবস পালিত হোক’। আর যার জবাবে স্বস্তিকা লেখেন, ‘হাহাহা হোক হোক’। আর সেই স্ক্রিনশট শেয়ার করে স্বস্তিকাকে বিজেপি বিরোধী তকমা দেওয়া হচ্ছে। এবার গোটা ঘটনা নিয়ে নীরাবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী।

স্বস্তিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট করলেন, পরমব্রতর সেই টুইট আর তাতে তাঁর জবাব ছিল দিলীপ ঘোষের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। আর এখন সেসব না লিখেই, শুধু স্ক্রিনশট ভাইরাল করছে একাংশ। অভিনেত্রী লেখেন, ‘২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আশেপাশে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, ‘শিল্পীদের রগড়ে দেবো, আমি কেমন রগড়াই তা সবাই জানেন’ ইত্যাদি…। বহু শিল্পী সেই সময়ে এই কথার প্রতিবাদ করেছিলেন, যাদের মধ্যে ওনার দলের বেশ কয়েকজনও ছিলেন | ২০২১-এ বিজেপি ইলেকশনে হারার পর, দিলীপবাবুর সেই অপমানের পরিপ্রেক্ষিতে ২ মে ২০২১-এ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় টুইট করেছিলেন — ‘আজকে বিশ্ব রগড়ানি দিবস পালিত হোক’।আমিও দিলীপ ঘোষের শিল্পীদের প্রতি দেখানো অসম্মানের উত্তরে টুইটের রিপ্লাই দিয়ে বলেছিলাম — ‘হাহাহা হোক হোক’। স্ক্রিনশট তুলে পোস্ট করার হলে পুরো ঘটনাটা করুন। নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য আউট অফ কনটেক্সট একটা টুইট তুলে নিয়ে নোংরামো করবেন না।’
সেভাবে প্রকাশ্যে কোনো দলের হয়েই রাজনীতি করতে দেখা যায়নি স্বস্তিকাকে। বরং, আরজি কর আন্দোলনের সময় শাসক দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় কম কটাক্ষের মুখে পড়েননি। অভিনেত্রী তাঁর এদিনের পোস্টে আরও লেখেন, ‘মানুষ চেয়েছে, সরকার পাল্টেছে—খুব আনন্দের কথা। অনেক কাজ আছে করার, আমরা বরং সেই কাজের দিকে ফোকাস করি। আমি কোনোদিন পার্টি/পলিটিক্স করিনি। কোনোদিন কোনো সরকারের কাছ থেকে বা পুলিশ-প্রশাসনের থেকে কোনো ফেভার্স নিইনি। যেখানে প্রতিবাদ করা উচিত বলে মনে করেছি, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি। নতুন সরকারকে আমার শুভেচ্ছা। আশা করব যে, শিল্পীরা নিজেদের কাজটুকুই করেছে, এই দল-ওই দলের রং গায়ে মাখেনি— তাদের নিয়ে অযথা নোংরামো হবে না। শান্তি বজায় রাখুন। আমরা কেউ কোনও রকম ভায়োলেন্সকে সাপোর্ট করি না। পোস্ট ইলেকশন আমাদের রাজ্যে আগেও যা হয়েছে, এখনো যা হচ্ছে তাতে সবার ক্ষতি। তীব্র নিন্দা জানাই। আসুন, আমরা সবাই নিজেদের ভালোর জন্য আরও ভালো আগামী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করি।’
{{/usCountry}}সেভাবে প্রকাশ্যে কোনো দলের হয়েই রাজনীতি করতে দেখা যায়নি স্বস্তিকাকে। বরং, আরজি কর আন্দোলনের সময় শাসক দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় কম কটাক্ষের মুখে পড়েননি। অভিনেত্রী তাঁর এদিনের পোস্টে আরও লেখেন, ‘মানুষ চেয়েছে, সরকার পাল্টেছে—খুব আনন্দের কথা। অনেক কাজ আছে করার, আমরা বরং সেই কাজের দিকে ফোকাস করি। আমি কোনোদিন পার্টি/পলিটিক্স করিনি। কোনোদিন কোনো সরকারের কাছ থেকে বা পুলিশ-প্রশাসনের থেকে কোনো ফেভার্স নিইনি। যেখানে প্রতিবাদ করা উচিত বলে মনে করেছি, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি। নতুন সরকারকে আমার শুভেচ্ছা। আশা করব যে, শিল্পীরা নিজেদের কাজটুকুই করেছে, এই দল-ওই দলের রং গায়ে মাখেনি— তাদের নিয়ে অযথা নোংরামো হবে না। শান্তি বজায় রাখুন। আমরা কেউ কোনও রকম ভায়োলেন্সকে সাপোর্ট করি না। পোস্ট ইলেকশন আমাদের রাজ্যে আগেও যা হয়েছে, এখনো যা হচ্ছে তাতে সবার ক্ষতি। তীব্র নিন্দা জানাই। আসুন, আমরা সবাই নিজেদের ভালোর জন্য আরও ভালো আগামী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করি।’
{{/usCountry}}নিজের এই পোস্টের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সেই বিতর্কিত মন্তব্য, সেই সময় তারকাদের সমস্বরে প্রতিবাদ, বিভিন্ন মহল থেকে দিলীপ ঘোষের সমালোচনা হওয়ার বিিন্ন নিউজ আর্টিকেলও দিলেন অভিনেত্রী।