জুন মাসের শেষে এসে শুরু হয়েছে ‘দিদি নম্বর ১’-এর নতুন সিজন। আর এবারে রচনা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে সরিয়ে, সেই দায়িত্ব এসেছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ইতিমধ্যেই স্বস্তিকার সঞ্চালনা বেশ প্রশংসা পাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। যদিও কটাক্ষও কম হচ্ছে না। তবে বরাবারই ট্রোলিং সামলাতে সিদ্ধহস্ত স্বস্তিকা। তাই দিদি নম্বর ১ নিয়ে হওয়া ট্রোলিংয়েও জবাব দিলেন বেশ মজাদার ভঙ্গিতে।
ট্রোলে স্বস্তিকার জবাব:

স্বস্তিকা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিদি নম্বর ১-এর একটি ক্লিপিংস শেয়ার করে লেখেন, ‘যে বা যারা আমায় রাক্ষসী বলে ডাকছেন, দয়া করে শাঁকচুন্নি তে শিফট করে যান।শাঁকচুন্নি ইস বেটার। আই লাভ শাঁকচুন্নিস। কদলীবালা শাঁকচুন্নি ছিল। ওটা আমাকে বেশি মানায়। এবারের দিদি নাম্বার ১ এর হোস্ট একজন শাঁকচুন্নি-- বলে দেখুন এটা বেশি ভালো লাগছে।’
নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া:
এদিকে স্বস্তিকার এমন পোস্টে বেশ মজা পেয়েছে নেটপাড়াও। এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘রূপবতী ও গুণবতী হলে এমন রাক্ষুসী শাকচুন্নি শুনতে শুনতেই জীবন পার, অনেক ভালোবাসা তোমায়’। আরেকজন লেখেন, ‘সমাজ স্বাধীনচেতা নারী মেনে নিতে পারে না। যদিও তোমার ক্যাপশনটা কিন্তু দারুন। মিষ্টি শাঁকচুন্নি। ভালো থেকো।’
একজন দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে স্বস্তিকার প্রশংসা করে লেখেন, ‘ভীষণ ন্যাচারাল, উপস্থাপনা কিভাবে করতে হবে জানেন। মেকি ব্যাপারটা নেই একেবারে।’ আরেকজন লেখেন, ‘এরকম শাকচুন্নি যেন বাংলার ঘরে ঘরে থাকে’।
রচনার ‘নাটকীয়’ বিদায়:
২০০৯ সাল থেকে শুরু হয়েছিল দিদি নম্বর ১-এর যাত্রা। যদিও প্রথম সিজনের সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিল পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়ের হাতে। দ্বিতীয় সিজন থেকে দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে আসেন রচনা। প্রথমদিকে, টিভিতে শো করা নিয়ে বেশ দোটানায় ভুগেছিলেন রচনা। তবে বলাই বাহুব্য, একবার এই যাত্রা শুরুর পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বাংলার ঘরে ঘরে তাংকে পৌঁছে দেয় দিদি নম্বর ১। মাঝে রচনাকে সরিয়ে একবার দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জুন মালিয়ার কাঁধে। এমনকী, ষষ্ঠ সিজনে এসেছিলেন দেবশ্রী রায়ও। শোনা যায়, পারিশ্রমিক নিয়ে মনোমালিন্যের জেরেই এমন সিদ্ধান্ত ছিল চ্যানেলের। তবে জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে ফের ফিরিয়ে আনা হয় রচনাকে।
{{/usCountry}}২০০৯ সাল থেকে শুরু হয়েছিল দিদি নম্বর ১-এর যাত্রা। যদিও প্রথম সিজনের সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিল পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়ের হাতে। দ্বিতীয় সিজন থেকে দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে আসেন রচনা। প্রথমদিকে, টিভিতে শো করা নিয়ে বেশ দোটানায় ভুগেছিলেন রচনা। তবে বলাই বাহুব্য, একবার এই যাত্রা শুরুর পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বাংলার ঘরে ঘরে তাংকে পৌঁছে দেয় দিদি নম্বর ১। মাঝে রচনাকে সরিয়ে একবার দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জুন মালিয়ার কাঁধে। এমনকী, ষষ্ঠ সিজনে এসেছিলেন দেবশ্রী রায়ও। শোনা যায়, পারিশ্রমিক নিয়ে মনোমালিন্যের জেরেই এমন সিদ্ধান্ত ছিল চ্যানেলের। তবে জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে ফের ফিরিয়ে আনা হয় রচনাকে।
{{/usCountry}}২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর, হুগলির সাংসদ রচনা আচমকাই দল বদলের সিদ্ধান্ত নেন। যোগ দেন এনসিপিআই-তে। তবে তারপরেও আচমকাই রচনাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চ্যানেল।