Film Producer: টলিউড প্রযোজকের আত্মহত্যা! কে রাজনের দেহ উদ্ধার নদী থেকে, চাঞ্চল্য ইন্ডাস্ট্রিতে

Film Producer: ২০২৬ শুরু হতেই গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে একের পর এক খারাপ খবর শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক মাস আগে নাড়া দিয়েছিল রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু। তবে এবার যিনি মারা গেলেন তিনি কোনও দূর্ঘটনার শিকার হননি বরং আত্মহত্যার মাধ্যমে নিজেকে শেষ করে দিলেন।

Published on: May 18, 2026, 07:01:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Film Producer: ২০২৬ শুরু হতেই গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে একের পর এক খারাপ খবর শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। কিছু মৃত্যু সত্যিই নাড়া দিয়ে যায় সকলকে, যেমন কয়েক মাস আগে নাড়া দিয়েছিল রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু। তবে এবার যিনি মারা গেলেন তিনি কোনও দূর্ঘটনার শিকার হননি বরং আত্মহত্যার মাধ্যমে নিজেকে শেষ করে দিলেন।

নদী থেকে উদ্ধার মরদেহ, আত্মহত্য়া করলেন তামিল প্রযোজক কে রাজন! চাঞ্চল্য টলিউডে
নদী থেকে উদ্ধার মরদেহ, আত্মহত্য়া করলেন তামিল প্রযোজক কে রাজন! চাঞ্চল্য টলিউডে

তিনি হলেন তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক কে রাজন। আজ অর্থাৎ ১৭ মে চেন্নাইয়ের আদ্যার নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। মৃত্যুর সময় প্রযোজকের বয়স ছিল ৮৫ বছর। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সাহসী এবং বিতর্কিত কিছু মন্তব্যের জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: পুলিশ অফিসার থেকে গোয়েন্দা, ‘তারকাটা’ বিক্রমের সব ভুলে যাওয়ার রহস্য কী?

সোশ্যাল মিডিয়ায় কে রাজনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুব স্বাভাবিকভাবেই ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অভিনেত্রী খুশবু সুন্দর খবরটি নিশ্চিত করে X হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ভয়াবহ খবর। আমাদের চলচ্চিত্র জগতের প্রিয় সদস্য, প্রযোজক কে. রাজন স্যারের মৃত্যুর খবর শুনে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর আত্মহত্যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি খুব শ্রদ্ধেয় একজন মানুষ ছিলেন এবং স্পষ্ট কথা বলতে কখনো দ্বিধা করতেন না। খুবই খুবই হতাশাজনক। তাঁর আত্মা শান্তিতে থাকুক।’

অভিনেতা বিশাল লিখেছেন, ‘এইমাত্র কে রাজন স্যারের মৃত্যুর খবর শুনলাম। তিনি আত্মহত্যা করেছেন শুনে হতবাক হলাম। একজন নির্ভীক বক্তা ছিলেন। ডিস্ট্রিবিউটর ও একটি সমিতির সভাপতি ছিলেন। এই খবর শুনে খুব দুঃখ পেলাম। তাঁর আত্মা শান্তিতে থাকুক। তামিল চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বিরাট ক্ষতি।'

আর সারথ কুমার প্রযোজক হিসেবে তাঁর অবদানের প্রশংসা করেছেন এবং তাঁর মৃত্যুতে একটি শোকবার্তা লিখেছেন। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, ‘তামিল চলচ্চিত্র জগতের একজন প্রখ্যাত প্রযোজক শ্রী কে. রাজনের আত্মহত্যা করার মর্মান্তিক ঘটনাটি গভীর শোক ও দুঃখের কারণ হয়েছে। ১৯৮০ সাল থেকে তামিল সিনেমায় নিজেকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা এই প্রবীণ প্রযোজকের অপ্রত্যাশিত প্রয়াণ তামিল চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। আমি তাঁর শোকাহত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং সমগ্র তামিল চলচ্চিত্র জগতের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।’

আরও পড়ুন: '১২ বছর ধরে টানা আমি...', খাবার খাওয়ার ব্যাপারে কোন নিয়ম মেনে চলেন শোলাঙ্কি?

পরিচালক সিনু রামাস্বামী লিখেছেন, ‘প্রবীণ প্রযোজক কে. রাজন স্যারের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তামিল চলচ্চিত্র জগৎ একজন সাহসী ও নির্ভীক কণ্ঠস্বরকে হারালো। তাঁর পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা।’

কে রাজন সুরেশ অভিনীত তামিল চলচ্চিত্র ‘ব্রাম্মাচারিগাল’ (১৯৮৩)-এর মাধ্যমে প্রযোজক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯১ সালে তিনি নিজালগাল রবি ও শরৎকুমার অভিনীত ‘নাম্মা ওরু মারিয়াম্মা’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো ‘ডাবল্‌স’, ‘আভাল পাভাম’ এবং ‘নিনাইক্কাথা নালিল্লাই’। তামিল চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর চার দশক দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় ও পরিচালনাও করেছেন। তিনি তাঁর অভিনেতা পুত্র প্রভুকান্তকে রেখে গেছেন।