বুধবার রাতের সংঘর্ষ এবং বৃহস্পতিবারের দিনভর উত্তেজনার পর অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। অখিল ভারতীয় শিক্ষার্থী পরিষদ (ABVP) এবং স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI)-র এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় এবার সরব হলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিরিন পাল। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের ‘অপর্ণা’ চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতির আলোয় আসা শিরিন বরাবরই রাজনীতি সচেতন। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য (Comparative Literature) বিভাগের ছাত্রীও বটে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শিরিনের বার্তা ও ভাইরাল ভিডিও
নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থনে সোচ্চার হয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন শিরিন। সেখানে তিনি লেখেন— ‘মারবি যত বাড়বে মিছিল, মার কত মার মারবি!’
শিরিনের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়:
এসএফআই (SFI)-এর একটি বিশাল মিছিল ও জমায়াত।
ক্যাম্পাসে উঠছে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ এবং ‘এবিভিপি শরম করো, ডুব মরো’-র মতো তীব্র স্লোগান।
যাদবপুরের রণক্ষেত্র ও বিজেপির হুঁশিয়ারি
বুধবার রাতে শুরু হওয়া এবিভিপি ও এসএফআই সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দু’পক্ষই পৃথক মিছিল বের করে, যার জেরে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ৪ নম্বর গেটের বাইরে এবিভিপি এবং ভেতরে বাম সমর্থকরা মুখোমুখি সংঘাত ও উত্তপ্ত বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে। গেট বেয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের লোহার প্রতীকটি খুলে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
একই সাথে বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নকশাল, মাওবাদী এবং দেশবিরোধী শক্তি দিয়ে ভর্তি করে রাখা চলবে না।" তিনি সরাসরি সিপিআইএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্যকে নাম ধরে নিশানা করে বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রদের ১ ঘণ্টার মধ্যে সারেন্ডার না করালে টেনে হিঁচড়ে বার করা হবে।
{{/usCountry}}একই সাথে বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নকশাল, মাওবাদী এবং দেশবিরোধী শক্তি দিয়ে ভর্তি করে রাখা চলবে না।" তিনি সরাসরি সিপিআইএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্যকে নাম ধরে নিশানা করে বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রদের ১ ঘণ্টার মধ্যে সারেন্ডার না করালে টেনে হিঁচড়ে বার করা হবে।
{{/usCountry}}ঝড়ো রাজনীতির এই আবহেই অভিনেত্রী ও যাদবপুরের ছাত্রী শিরিনের এমন স্পষ্ট অবস্থান সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।