...
...
Next Story

Shirin Paul: ‘মারবি যত বাড়বে মিছিল! যাদবপুর কাণ্ডে বামেদের সমর্থন, ABVP-কে ধিক্কার ‘অপর্ণা’ শিরিনের!

‘ককরোচ’দের আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলে জুটেছিল ‘দেশদ্রোহী’ তকমা। তবুও চুপ থাকতে শেখেননি শিরিন পাল।

Published on: Aug 21, 2026, 09:30:21 IST
Advertisement

বুধবার রাতের সংঘর্ষ এবং বৃহস্পতিবারের দিনভর উত্তেজনার পর অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। অখিল ভারতীয় শিক্ষার্থী পরিষদ (ABVP) এবং স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI)-র এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় এবার সরব হলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিরিন পাল। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের ‘অপর্ণা’ চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতির আলোয় আসা শিরিন বরাবরই রাজনীতি সচেতন। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য (Comparative Literature) বিভাগের ছাত্রীও বটে।

‘মারবি যত বাড়বে মিছিল! যাদবপুর কাণ্ডে বামেদের সমর্থন, ABVP-কে ‘ধিক্কার’ শিরিনের!
‘মারবি যত বাড়বে মিছিল! যাদবপুর কাণ্ডে বামেদের সমর্থন, ABVP-কে ‘ধিক্কার’ শিরিনের!

সোশ্যাল মিডিয়ায় শিরিনের বার্তা ও ভাইরাল ভিডিও

নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থনে সোচ্চার হয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন শিরিন। সেখানে তিনি লেখেন— ‘মারবি যত বাড়বে মিছিল, মার কত মার মারবি!’

শিরিনের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়:

এসএফআই (SFI)-এর একটি বিশাল মিছিল ও জমায়াত।

ক্যাম্পাসে উঠছে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ এবং ‘এবিভিপি শরম করো, ডুব মরো’-র মতো তীব্র স্লোগান।

যাদবপুরের রণক্ষেত্র ও বিজেপির হুঁশিয়ারি

বুধবার রাতে শুরু হওয়া এবিভিপি ও এসএফআই সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দু’পক্ষই পৃথক মিছিল বের করে, যার জেরে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ৪ নম্বর গেটের বাইরে এবিভিপি এবং ভেতরে বাম সমর্থকরা মুখোমুখি সংঘাত ও উত্তপ্ত বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে। গেট বেয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের লোহার প্রতীকটি খুলে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

ঝড়ো রাজনীতির এই আবহেই অভিনেত্রী ও যাদবপুরের ছাত্রী শিরিনের এমন স্পষ্ট অবস্থান সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe