বলিউডের এই ৪ কিংবদন্তি গায়কের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে হৃদরোগ। আচমকাই গোটা বিশ্বকে কাঁদিয়ে বিদায় নেন তাঁরা। কিশোর কুমার মৃত্যুর আগে মিঠুন চক্রবর্তীর জন্য একটি গান রেকর্ড করেছিলেন। মহম্মদ রাফি তার স্ত্রী ও সন্তানদের সামনে হাসপাতালে মারা যান।

কেকে-র মৃত্যুর খবর তো প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি কেউ। কলকাতায় কনসার্ট শেষ করে, হোটেলে পেরার পথে গাড়িতে হার্ট অ্যাটাক হয় গায়কের। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২২ সালের ৩১ মে।
ওয়াজিদ খান ২০২০ সালে মারা যান। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তাঁর কিডনির সমস্যা ছিল এবং কোভিড টেস্ট পজিটিভ এসেছে। তবে তার ভাই সাজিদ খান হার্ট অ্যাটাকের মৃত্যুর কারণ জানিয়েছিলেন।
কিশোর কুমার ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মারা যান। মুম্বইয়ের নিজের বাড়িতে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন এই গায়ক। কিশোর কুমারের চলে যাওয়ার খবরে গোটা চলচ্চিত্র জগৎ হতবাক হয়ে গিয়েছিল।
{{/usCountry}}কিশোর কুমার ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মারা যান। মুম্বইয়ের নিজের বাড়িতে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন এই গায়ক। কিশোর কুমারের চলে যাওয়ার খবরে গোটা চলচ্চিত্র জগৎ হতবাক হয়ে গিয়েছিল।
{{/usCountry}}১৯৭৬ সালের ২৭ অগস্ট আমেরিকার একটি কনসার্টে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন মুকেশ। এই সময় তিনি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়ে মারা যান। এই ঘটনায় তাঁর ভক্তরা ভেঙে পড়েন।
বলিউড গায়ক মহম্মদ রাফিও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেনন। গায়ক ১৯৮০ সালের ৩১ জুলাই মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হার্ট অ্যাটাকের পর তাকে বাঁচানোর জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়।
মান্না দে, যিনি হিন্দি সিনেমায়ঁ তার গানের মাধ্যমে নিজের জন্য একটি নাম তৈরি করেছিলেন,২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর মারা যান। গায়কের মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক বলে জানা গিয়েছে।
চলচ্চিত্র ছাড়াও টিভি শো মহাভারতের জন্যও অনেক স্মরণীয় গান গেয়েছেন মহেন্দ্র কাপুর। মহেন্দ্র কাপুর ২০০৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। জানা গিয়েছে,সেইসময় তিনি কিডনির সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
গায়ক হেমন্ত কুমার ৫০ থেকে ৭০-এর দশক পর্যন্ত হিন্দি এবং বাংলা সিনেমায় অনেক স্মরণীয় গান গেয়েছিলেন। হেমন্ত কুমার ২৬ সেপ্টেম্বর হার্ট অ্যাটাকে মারা যান, তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৯ বছর।