...
...
Next Story

হার্ট অ্যাটাক প্রাণ কাড়ে বলিউডের এই ৮ গায়কের! কেকে-কিশোর-রফি, আর কে আছে তালিকায়

হিন্দি সিনেমায় স্মরণীয় গান উপহার দেওয়া এই জন গায়কের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল এবং পৃথিবী শেষ হয়ে গিয়েছিল। হার্ট অ্যাটাকে কেড়ে নেয় এই কিংবদন্তি গায়কদের জীবন। আজ শুধু তার স্মরণীয় গানই শোনার জন্য বাকি আছে।

Published on: May 11, 2026, 09:35:55 IST
Advertisement

বলিউডের এই ৪ কিংবদন্তি গায়কের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে হৃদরোগ। আচমকাই গোটা বিশ্বকে কাঁদিয়ে বিদায় নেন তাঁরা। কিশোর কুমার মৃত্যুর আগে মিঠুন চক্রবর্তীর জন্য একটি গান রেকর্ড করেছিলেন। মহম্মদ রাফি তার স্ত্রী ও সন্তানদের সামনে হাসপাতালে মারা যান।

হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারিয়েছেন এই গায়করা।
হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারিয়েছেন এই গায়করা।

কেকে-র মৃত্যুর খবর তো প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি কেউ। কলকাতায় কনসার্ট শেষ করে, হোটেলে পেরার পথে গাড়িতে হার্ট অ্যাটাক হয় গায়কের। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২২ সালের ৩১ মে।

কেকে

ওয়াজিদ খান ২০২০ সালে মারা যান। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তাঁর কিডনির সমস্যা ছিল এবং কোভিড টেস্ট পজিটিভ এসেছে। তবে তার ভাই সাজিদ খান হার্ট অ্যাটাকের মৃত্যুর কারণ জানিয়েছিলেন।

kishore kumar

১৯৭৬ সালের ২৭ অগস্ট আমেরিকার একটি কনসার্টে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন মুকেশ। এই সময় তিনি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়ে মারা যান। এই ঘটনায় তাঁর ভক্তরা ভেঙে পড়েন।

বলিউড গায়ক মহম্মদ রাফিও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেনন। গায়ক ১৯৮০ সালের ৩১ জুলাই মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হার্ট অ্যাটাকের পর তাকে বাঁচানোর জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়।

মহম্মদ রফি

মান্না দে, যিনি হিন্দি সিনেমায়ঁ তার গানের মাধ্যমে নিজের জন্য একটি নাম তৈরি করেছিলেন,২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর মারা যান। গায়কের মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক বলে জানা গিয়েছে।

চলচ্চিত্র ছাড়াও টিভি শো মহাভারতের জন্যও অনেক স্মরণীয় গান গেয়েছেন মহেন্দ্র কাপুর। মহেন্দ্র কাপুর ২০০৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। জানা গিয়েছে,সেইসময় তিনি কিডনির সমস্যাতেও ভুগছিলেন।

গায়ক হেমন্ত কুমার ৫০ থেকে ৭০-এর দশক পর্যন্ত হিন্দি এবং বাংলা সিনেমায় অনেক স্মরণীয় গান গেয়েছিলেন। হেমন্ত কুমার ২৬ সেপ্টেম্বর হার্ট অ্যাটাকে মারা যান, তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৯ বছর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe