বছরের পর বছর ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এবং রাজনৈতিক জগতের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অনেক অভিনেতা নেতা হয়ে রাজনীতিতে তাদের বিশেষ স্থান তৈরি করেছেন। একইসঙ্গে বচ্চন পরিবার ও ইন্দিরা গান্ধীর পরিবারের বন্ধুত্বও আর কারও কাছে গোপন নয়। বছরের পর বছর ধরে, তাদের মধ্যে ছিল গভীর সম্পর্ক। এক সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও তেজি বচ্চন (অমিতাভ বচ্চনের মা), দুজনে ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কিন্তু রাজীব গান্ধী হত্যার (১৯৯১ সালের ২১ মে) পর দুই পরিবারের মধ্যে দূরত্ব আসে।

১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর ইন্দিরা গান্ধী হত্যাকাণ্ডের পর রাজীব গান্ধীর নির্দেশেই রাজনীতিতে এসেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। কিন্তু রাজনীতিতে তিনি বেশিদিন স্থায়ী হননি এবং তিনি চিরতরে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে জরুরি অবস্থার পর।
১৯৬৮ সালে যখন সোনিয়া গান্ধী প্রথমবারের মতো ভারতে এসেছিলেন, তখন অমিতাভ বচ্চন নিজেই দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়েছিলেন। সোনিয়া গান্ধী প্রায় দেড় মাস বচ্চন পরিবারের সঙ্গে ছিলেন। শুধু তাই নয়, তেজী বচ্চনকে তাঁর ‘তৃতীয় মা’ বলে ডাকতে শুরু করেন সোনিয়া। ধর্মযুগকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোনিয়া গান্ধী নিজেই বলেছিলেন যে, রাজীব গান্ধীকে বিয়ে করার আগে তাঁর শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধী তাঁকে বচ্চন পরিবারের সঙ্গে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন যাতে তিনি ভারতের জীবনযাত্রা শিখতে পারেন। কারণ ইন্দিরা গান্ধি ও তেজী বচ্চনের মধ্যে খুব গভীর বন্ধুত্ব ছিল। যাই হোক, ১৯৯১ সালের মে মাসে রাজীব গান্ধীর হত্যার পরে, বচ্চন পরিবার এবং গান্ধী পরিবারের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে।
প্রখ্যাত লেখক ও সাংবাদিক রশিদ কিদওয়াই লিখেছেন, জরুরি অবস্থা আরোপের সময় বিচ্ছেদের সূত্রপাত হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধী যখন মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত করার জন্য বচ্চন পরিবারকে একটি জনসভায় ডেকে আনার কথা ভেবেছিলেন, সেই সময় তেজী বচ্চন তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন যে, এটি অমিতাভ বচ্চনের সিনেমা কেরিয়ারে খুব খারাপ প্রভাব ফেলবে। ইন্দিরা গান্ধীর এই বিষয়টি এতটাই খারাপ লাগছিল যে, এর পরে বচ্চন এবং গান্ধী পরিবারের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে।
{{/usCountry}}প্রখ্যাত লেখক ও সাংবাদিক রশিদ কিদওয়াই লিখেছেন, জরুরি অবস্থা আরোপের সময় বিচ্ছেদের সূত্রপাত হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধী যখন মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত করার জন্য বচ্চন পরিবারকে একটি জনসভায় ডেকে আনার কথা ভেবেছিলেন, সেই সময় তেজী বচ্চন তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন যে, এটি অমিতাভ বচ্চনের সিনেমা কেরিয়ারে খুব খারাপ প্রভাব ফেলবে। ইন্দিরা গান্ধীর এই বিষয়টি এতটাই খারাপ লাগছিল যে, এর পরে বচ্চন এবং গান্ধী পরিবারের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে।
{{/usCountry}}