এই যে খুদের ছবি দেখলেন, তিনি আজ টলিউডের প্রথম সারির নায়িকাদের একজন। একাধিক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। কদিন আগে তো বিকিনি পরে রীতিমতো ঝড় তোলেন বড় পর্দায়।

অভিনয়ের পাশাপাশি নায়িকা ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে প্রেমের সম্পর্কের কারণেও বারবার এসেছেন চর্চার কেন্দ্রে। বাংলার এক নামী পরিচালকের সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন নাকি এক বিদেশির প্রেমে মজেছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনও সম্পর্কই স্থায়ী হয়নি। তবে তারপর থেকে নায়িকার প্রেম সংক্রান্ত আর কোনো খবরই বাইরে আসেনি। এখনো নিজেকে ‘সিঙ্গেল’ বলেই পরিচয় দেন অভিনেত্রী। যদিও বন্ধুরা ইঙ্গিত করে তিনি নাকি ‘ডুবে ডুবে জল’ খাচ্ছেন।
তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে—তিনি একসময় All India Trinamool Congress-এর সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হলেও, পাঁচ বছর পরে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন, ছবির সেই খুদে মেয়েটি আর কেউ নন, বাঙালি নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। ছোট পর্দা দিয়েই অভিনয় জগতে হাতেখড়ি। গানের ওপারে ধারাবাহিকের মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু করেন। পরে বড় পর্দায় প্রথম অভিনয় করেন বাপি বাড়ি যা ছবিতে। তারপর থেকে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা দিয়েই টলিপাড়ায় পাকাপোক্ত করেন পায়ের তলার জমি।
শোনা যায়, বোঝে না সে বোঝে না ছবির শুটিং সেট থেকেই পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে মিমির। এরপর তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেন প্রলয়, যোদ্ধা: দ্য় ওয়ারিয়র এবং কাঠমান্ডু-র মতো ছবিতে। কিন্তু হঠাৎই শোনা যায় তাঁদের বিচ্ছেদের খবর। পরে পরিচালক রাজের জীবনে আসেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। গুঞ্জন ছিল, তুরস্কে শুটিং চলাকালীন বিদেশি লাইন প্রোডিউসারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থেকেই নাকি মিমি-রাজ সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। যদিও এই নিয়ে প্রকাশ্যে কখনও মুখ খোলেননি অভিনেত্রী।
{{/usCountry}}শোনা যায়, বোঝে না সে বোঝে না ছবির শুটিং সেট থেকেই পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে মিমির। এরপর তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেন প্রলয়, যোদ্ধা: দ্য় ওয়ারিয়র এবং কাঠমান্ডু-র মতো ছবিতে। কিন্তু হঠাৎই শোনা যায় তাঁদের বিচ্ছেদের খবর। পরে পরিচালক রাজের জীবনে আসেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। গুঞ্জন ছিল, তুরস্কে শুটিং চলাকালীন বিদেশি লাইন প্রোডিউসারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থেকেই নাকি মিমি-রাজ সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। যদিও এই নিয়ে প্রকাশ্যে কখনও মুখ খোলেননি অভিনেত্রী।
{{/usCountry}}বিচ্ছেদের পর আর একসঙ্গে কাজ না করলেও রাজনৈতিক মঞ্চে মাঝেমধ্যেই দেখা গিয়েছিল মিমি ও রাজকে। এমনকী শুভশ্রীর সঙ্গে বিজ্ঞাপনী শ্যুট করেছেন, রাজ-শুভশ্রীর ছোট সন্তান ইয়ালিনির জন্মের পর উরহারও পাঠিয়েছিলেন।
তবে সত্যিই কি এখনো সিঙ্গেল মিমি? এই যেমন কদিন আগে তাঁর একটি ফোটোতে অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা মন্তব্য করেছিলেন, ‘তোর প্রতিটা সোলো ট্রিপে ছবিগুলো কে তুলে দেয়, এটা একটা বড় রহস্য।’ মাসখানেক আগেও ঘটেছিল এক কাণ্ড! বেড়াতে যাওয়ার ছবি দিয়ে, ফোটো কার্টেসিতে মিমি দিয়েছিলেন একটা লাল হৃদয়ের ইমোজি। সেটা দেখেই মিমির কমেন্ট বক্সে সেইসময় পার্নো লেখেন, ‘ছবি সৌজন্যে লাল হৃদয়? হুমমমমমমমমমম।’ এমনকী, নায়িকার প্রেমিক থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন ঋতাভরীও। তবে খবর, মিমির প্রেমিক নাকি ইন্ডাস্ট্রির মানুষ নন।