গত বছর আমির খানের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর একাধিক জনপ্রিয় ছবি পুনরায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও সেই তালিকায় ছিল না ‘থ্রি ইডিয়টস’। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে।

বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিধু বিনোদ চোপড়া ফিল্মসের ক্যাটালগ অধিগ্রহণের পর এনএইচ স্টুডিওজ তাদের পুনর্মুক্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০০৯ সালের এই ব্লকবাস্টারকে ২০২৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আবারও সিনেমা হলে ফিরিয়ে আনছে।
আমির খান, আর. মাধবন, শরমন জোশি, করিনা কাপুর খান এবং বোমন ইরানি অভিনীত ছবিটি মুক্তির পর থেকেই দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। এই সিনেমা আজও ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। এক সূত্র জানিয়েছে, আইকনিক এই ছবির পুনর্মুক্তির মাধ্যমে দর্শকদের আবারও বড় পর্দায় ‘থ্রি ইডিয়টস’ দেখার অভিজ্ঞতা ফিরিয়ে আনাই এনএইচ স্টুডিওজের লক্ষ্য।
এদিকে সম্প্রতি NEET-UG প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ক এবং শিক্ষা সংস্কারক সোনম ওয়াংচুকের অনশনকে ঘিরেও ছবিটি নতুন করে আলোচনায় আসে। বহুদিন ধরেই একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে, আমির খানের অভিনীত ফুংসুখ ওয়াংড়ু ওরফে রাঞ্চো চরিত্রটি সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয় যখন ছবিতে চতুরের চরিত্রে অভিনয় করা ওমি বৈদ্য একটি ভিডিয়োতে ওয়াংচুককে সমর্থন জানিয়ে একই দাবি করেন।
তবে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে (BFI) এক প্রশ্নোত্তর পর্বে আমির খান স্পষ্ট জানান, ছবির চিত্রনাট্য তৈরির সময় তিনি, পরিচালক রাজকুমার হিরানি কিংবা লেখক অভিজাত জোশী—কেউই সোনম ওয়াংচুককে চিনতেন না। তাই রাঞ্চো চরিত্রটি তাঁর জীবন থেকে অনুপ্রাণিত—এমন দাবি সঠিক নয়।
{{/usCountry}}তবে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে (BFI) এক প্রশ্নোত্তর পর্বে আমির খান স্পষ্ট জানান, ছবির চিত্রনাট্য তৈরির সময় তিনি, পরিচালক রাজকুমার হিরানি কিংবা লেখক অভিজাত জোশী—কেউই সোনম ওয়াংচুককে চিনতেন না। তাই রাঞ্চো চরিত্রটি তাঁর জীবন থেকে অনুপ্রাণিত—এমন দাবি সঠিক নয়।
{{/usCountry}}একইসঙ্গে আমির ওয়াংচুকের অনশন প্রসঙ্গেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সবাই তাঁর সুস্বাস্থ্য কামনা করছেন এবং আশা করছেন, পরিস্থিতির দ্রুত ইতিবাচক সমাধান হবে।
২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘থ্রি ইডিয়টস’ রাজকুমার হিরানি পরিচালিত এবং বিধু বিনোদ চোপড়া প্রযোজিত একটি কমেডি-ড্রামা। মুক্তির পর ছবিটি শুধু বক্স অফিসেই সাফল্য পায়নি, বরং ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনারও সূত্রপাত করেছিল। প্রায় দুই দশক পর আবারও বড় পর্দায় ছবিটির প্রত্যাবর্তন দর্শকদের মধ্যে নতুন করে উন্মাদনা তৈরি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।