বাংলার মানুষদের চোখ ছিল তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায়। কারণ বিজেপি ও সিপিএম প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরেই, ঘোষণা এল রাজ্যের শাসক দলের পক্ষ থেকে। আর বারবরের মতো এবারেও, নতুন নতুন তারকা প্রার্থী দাঁড়াবেন বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু সে আশায় খানিক পড়ল জল। অন্তত প্রার্থী তালিকায় সেরকম নতুন মুখ এলেন না। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় থেকে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ইমন চক্রবর্তীরা এবার টিএমসি-র টিকিটে ভোটে দাঁড়াবেন শোনা গেলেও, তা হল না কার্যত।

খবর ছিল টালিগঞ্জ থেকে ভোটে দাঁড়াতে পারেন টলিউড অভিনেতা, পরিচলক, প্রযোক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। তবে প্রার্থী ঘোষণার সময় নাম ঘোষণা হল অরূপ বিশ্বাসের। ব্যারাকপুরে প্রার্থী তালিকায় হল না কোনো রদবদল। থাকলেন রাজ চক্রবর্তী। রাজের বিরুদ্ধে অবশ্য সেভাবে দলের অন্দরে কোনো অভিযোগের খবর ছিল না। ফলে রাজ এবারেও ভোটে লড়বেন ব্যারাকপুর থেকেই।
একইভাবে সোনারপুর দক্ষিণ থেকেই টিকিট পেলেন অরুন্ধতী মৈত্র অর্থাৎ অভিনেত্রী লাভলি মৈত্র। যদিও শোনা গিয়েছিল, এবার টিকিট নাও পেতে পারে লাভলি। কিন্তু নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে, লাভলিকেই দেওয়া হল সোনারপুর দক্ষিণের দায়িত্ব। জায়গা বদল হল সোহমের। অভিনেতা-রজবীতিবিদকে চণ্ডিপুর থেকে সরিয়ে, পাঠানো হল তেহট্টে।
এদিকে বাদ গেলেন কাঞ্চন মল্লিক। ব্যক্তিগত জীবনে ক্রমাগত বিতর্কে জড়ানোর কারণে, কাঞ্চনের বিরুদ্ধে দলের অন্দরেই ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। উত্তরপাড়া আসনে তাঁকে চাইছিলেন না এলাকার মানুষই। খবর ছিল, এই আসনে এবার দাঁড় করানো হতে পারে ইমন চক্রবর্তীকে। যদিও তা হল না। এমনিতেই একসময়ের বাংঘাঁটি হিসেবে পরিচিত উত্তরপাড়াআসন থেকে বামেদের হয়ে লড়ছেন মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। আর তাই রাজনীতির মুখকেই রাখল তৃণমূল এই আসনে। টিকিট পেলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।
একইভাবে চন্দননগর আসন থেকে এবারেও ভোটে লড়বেন গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রিয় পাত্র হিসেবেই পরিচিত ইন্দ্রনীল। দলের অন্দরেও ‘কাজের ছেলে’ হিসেবেই পরিচিত। একইভাবে ফের বরানগর থেকে লড়ছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।
{{/usCountry}}একইভাবে চন্দননগর আসন থেকে এবারেও ভোটে লড়বেন গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রিয় পাত্র হিসেবেই পরিচিত ইন্দ্রনীল। দলের অন্দরেও ‘কাজের ছেলে’ হিসেবেই পরিচিত। একইভাবে ফের বরানগর থেকে লড়ছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।
{{/usCountry}}