বিধানসভা ভোটের ফলাফল বার হওয়ার একমাস যেতে না যেতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলটা রক্ষা করতে পারবেন কিনা এখন সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। বিধানসভায় বিদ্রোহী তৃণমূলের অধিকাংশ বিধায়ক। জাতীয় স্তরের ছবিটাও একইরকম।

বিজেপির ইন্ধনে নাকি ঘর ভাঙছে তৃণমূলের। বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখেছেন মমতা-অভিষেক ঘনিষ্ঠ একাধিক বিধায়ক-সাংসদ। সর্বশেষ চর্চা, সায়নী ঘোষও নাকি বিদ্রোহী সাংসদদের ২০-এর তালিকায় রয়েছেন। এত বিতর্কের মাঝেই সায়নী ঘোষ পুরোপুরি গায়েব ছিলেন। মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়া তো দূরের কথা কোথাউ দেখা মেলেনি তাঁর। অবশেষে মিডিয়ার ক্যামেরায় ধরা দিলেন সায়নী। কিন্তু তাঁকে দেখে চেনার উপায় নেই! এয়ারপোর্টে মুখ ঢেকে পালালেন সায়নী।
গত কয়েকদিন দলের একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও অ্যাক্টিভ নন সায়নী। এবার সরাসরি তাঁকে খোঁচা দিলেন দলের বিধায়ক। সায়নীর এই ‘গোপনীয়তা’ বজায় রাখার মানসিকতা এবং সংবাদমাধ্যমের চোখ এড়িয়ে চলার কায়দাকে কার্যত তীব্র উপহাস করেছেন কুণাল।
'উনি কী এমন করেছেন যে মুখ ঢেকে ঘুরতে হবে?'
সায়নী ঘোষের বিমানবন্দরে মুখ ঢেকে হেঁটে যাওয়ার ছবি বা ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা নজরে আসে কুণালের। সায়নীকে এক হাত নিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘সায়নী ঘোষের এয়ারপোর্ট থেকে বেরোনোর একটা ছবি দেখলাম। আমার তো মনে হল ওটা করোনার সময়কার ছবি! ওটা আজকের ছবি কিনা একবার ভালো করে চেক করুন? যদি আজকের ছবিই হয়, তাহলে উনি এত মুখ ঢাকতে যাবেন কেন? উনি কী এমন করেছেন যে এত মুখ ঢেকে চলাফেরা করবেন? একটা ভয়ঙ্কর গোপন গোপন ভাব! তিনি দলে আছেন নয় তিনি ভয়ঙ্কর রকমের বিপ্লবী, দুটোর মাঝে তো কিছু নেই। কিন্তু তার জন্য মুখ ঢাকতে হবে কেন?’
কেন মুখ ঢাকলেন সায়নী? তুঙ্গে জল্পনা
{{/usCountry}}কেন মুখ ঢাকলেন সায়নী? তুঙ্গে জল্পনা
{{/usCountry}}কুণাল ঘোষের এই মন্তব্য শাসকদলের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে আবারও একাধিক প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কি সত্যিই মমতার হাত ছেড়ে মোদীর দলে নাম লেখাতে চলেছেন সায়নী? এত আলোচনার মাঝে এদিন একটা টুঁ শব্দও করেননি সায়নী।