সানি দেওল, বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্জ এবং আহান শেট্টি অভিনীত বর্ডার ২ সনেমাটি ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমাটি ১৯৯৭ সালে এসেছিল, এবং এটি পরিচালনা করেছিলেন জেপি দত্ত। বর্ডার ২ সিনেমাটি ঘোষণা হওয়ার পর থেকে চর্চায়। এমনকী, ট্রেলারও মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের।

তবে খুব স্বাভাাবিকভাবেই বর্ডার সিনেমার সঙ্গে বারংবার তুলনা আসবে বর্ডার ২-এর। আর সেই কাল্ট হিটকে পরাজিত করা বর্ডার ২-এর পক্ষে খুব একটা সহজ হবে না। ৫টি রেকর্ড ভাঙতে হবে।
যদি বর্ডার ২-কে বর্ডারকে ছাপিয়ে যেতে হয়, তবে এটিকে দর্শকদের সঙ্গে একটি সংবেদনশীল সংযোগ দেখাতে হবে যাতে তা দর্শকদের মধ্যে ক্রেজ তৈরি করতে পারে। বর্ডার মুভির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল এর সংগীত। যা এখনও ঘোরে দর্শকদের মুখে মুখে। বিশেষ করে ‘ঘর কব আওগে’, বা ‘হামনে যব যে মহব্বত’! এই সমস্ত গান এখনও মানুষের প্লেলিস্টে জায়গা করে নেয়। যদিও নির্মাতারা বর্ডার ২-এ এই পুরনো গানগুলি ব্যবহার করেছেন। সঙ্গে অবশ্য নতুন কিছু গানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
খুব কম লোকই জানেন যে মাত্র ১০ কোটি টাকায় নির্মিত 'বর্ডার' ছবিটি বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ৬৫ কোটি টাকা আয় করে। অর্থাৎ ৬ গুণ। বর্ডার ২ কি সেই এই অলৌকিক কাজ করতে সক্ষম হবে? তা অবশ্য সময়ই বলে দেবে।
ছবির স্টার কাস্ট খুব ভেবেচিন্তে বেছে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু অভিনেতারা কি আগের ছবির মতো প্রেক্ষাগৃহে বসে থাকা দর্শকদের চোখে জল আনতে পারবেন? দর্শকরা কি গতবারের মতো একই রোমাঞ্চ ও দেশপ্রেম অনুভব করতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তরও মিলবে ২৩ তারিখেই।
{{/usCountry}}ছবির স্টার কাস্ট খুব ভেবেচিন্তে বেছে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু অভিনেতারা কি আগের ছবির মতো প্রেক্ষাগৃহে বসে থাকা দর্শকদের চোখে জল আনতে পারবেন? দর্শকরা কি গতবারের মতো একই রোমাঞ্চ ও দেশপ্রেম অনুভব করতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তরও মিলবে ২৩ তারিখেই।
{{/usCountry}}সঙ্গে আরও একটা জিনিস যা বর্ডার ২-এর ভাগ্য নির্ধারণ করবে, তা হল সংলাপ। দেশপ্রেমের ছবি মানেই, তা দেখে যেন গায়ে কাঁটা দেয় দর্শকদের। চোখে জল, মনে ক্ষোভ, দেশভক্তির আগুন জ্বলে অন্দরে। সঙ্গে বর্ডার ২-তে ব্যবহৃত গ্রাফিক্সের গুণগতমানও উচ্চমানের হওয়া প্রয়োজন ছবিকে হিট করতে।