টলিউডে আচমকাই ছড়িয়ে পড়ল শোকের ছায়া। হঠাৎ করে জানা গেল, সহকারী পরিচালক দীপঙ্কর সরকারের আকস্মিক মৃত্যুর খবর। কিছুদিন আগেও পথিকৃৎ বসুর সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। সবকিছুই ঠিক ছিল কিন্তু হঠাৎ করে কি হলো তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন সকলে।

‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ ছবিতে পথিকৃৎ বসুর সঙ্গে কাজ করেছিলেন দীপঙ্কর। তবে এই প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিক প্রজেক্টে একসঙ্গে তিনি কাজ করেছিলেন পথিকৃৎ বসুর সঙ্গে। দীপঙ্করের মৃত্যুর খবর শুনে স্তব্ধ পরিচালক। হঠাৎ এমন ঘটনা কেন ঘটল, বুঝতে পারছেন না তিনি।
আরও পড়ুন: ‘যেদিন থেকে ও এসেছে’, বিগ বসের বাড়িতে সুস্মিতার প্রিয় প্রতিযোগী কে?
দীপঙ্করের মৃত্যুর নিয়ে আজকাল ডট ইনকে পথিকৃৎ জানান, দীপঙ্করের মৃত্যুর খবর শুনেই তিনি দীপঙ্করের স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু ফোনের ওপারে ছিল পুলিশ। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ আরো কিছুটা বেড়েছে। এটি যে অস্বাভাবিক মৃত্যু, সেটা এই মুহূর্তে আন্দাজ করছেন অনেকেই।
তবে পথিকৃৎ জানান, সাদামাটা কাজ পাগল মানুষ ছিলেন দীপঙ্কর। সরল জীবন যাপন করতেই ভালোবাসতেন। আর্থিক সমস্যাও ছিল না। একের পর এক কাজ করছিলেন তিনি। কাজ নিয়ে থাকতেও ভালোবাসতেন। একজন কাজ পাগল মানুষ হঠাৎ করে এমন কাণ্ড কেন ঘটালেন তা ঠাওর করতে পারছেন না পথিকৃৎ।
আরও পড়ুন: নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকেও ভক্তদের দেখা দিলেন অমিতাভ, রবিবারে চেনা ছবি জলসায়
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকেও ভক্তদের দেখা দিলেন অমিতাভ, রবিবারে চেনা ছবি জলসায়
{{/usCountry}}পরিচালকের মতোই হতভম্ব পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র। তাঁর প্রায় ২০ বছরের বন্ধু ছিলেন দীপঙ্কর। ‘দীপঙ্কর ভীষণ ভালো মানুষ ছিলেন, এমন ভদ্র ছেলে খুব কম দেখা যায়’, বলেন শুভজিৎ। উল্লেখ্য, দীপঙ্কর শেষ কাজ করেছেন ‘স্পর্ধা’ ছবিতে, যেখানে পরমব্রত এবং কোয়েল মল্লিক অভিনয় করেছেন।
উল্লেখ্য, কাজের সূত্রে পরিবার থেকে দূরে থাকতেন দীপঙ্কর। কলকাতায় একাই থাকতেন তিনি। ব্যক্তিগত সমস্যা না পেশাগত সমস্যা, মৃত্যুর পেছনে ঠিক কি কারণ রয়েছে তা জানার জন্য ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে তদন্ত। তবে কারণ যাই থাকুক না কেন দীপঙ্করের অকাল প্রয়াণ যে সকলকে স্তব্ধ করে দিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।