শনিবার দুপুরে ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আর তার পদত্যাগের পর বেশ খুশি দেশের বড় এক অংশ। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরোধে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল গোটা দেশে, তাতে একপ্রকার মাথা নোয়াতে বাধ্য হন ধর্মেন্দ্র প্রধান। আর তাঁর পদত্যাগের পর পোস্ট এল টলিউড তারকাদের থেকেও।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর বিদিপ্তাকে ট্যাগ করে বিরসা দাশগুপ্ত লেখেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। কফিনে পড়ল প্রথম পেরেক। শিক্ষার্থীদের জয় হোক।’ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি শেয়ার করে নিয়েছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। যেখানে লেখা ‘ভিক্টরি’। আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে ‘ও ইয়ুভা ইয়ুভা’।
জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন, ‘অবশেষে ভালোবেসে চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান’। পোস্ট এসেছে রূপাঞ্জনা মিত্রের থেকেও। যেখানে লেখা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। পাশে একটি স্মাইলি ও টিক মার্ক। সঙ্গে হ্যাশট্যাগে অ্যাকাউন্টিবিলিটি, ডেমোক্রেসি, সিস্টেম ক্লিনিং-এর মতো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
এক্স (X - প্রাক্তন টুইটার) এবং ফেসবুকে তাঁর দুই পাতার ইস্তফাপত্রটি পোস্ট করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। লেখেন, ‘আমার প্রিয় যুবসাথীরা, গত ১০ দিনের ঘটনাক্রম দেখে আমার মন অত্যন্ত ব্যথিত। এটি আমার ব্যক্তিগত সম্মান বা মর্যাদার বিষয় নয়। ভারতের যুবশক্তিই এই দেশের প্রকৃত শক্তি।’ সঙ্গে আরও জানান যে, দিল্লির জন্তর-মন্তরে চলমান ছাত্র আন্দোলন (ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে) এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি যাতে কোনো ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। দেশের ঐক্য অটুট রাখতে এবং ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে কোনো দীর্ঘমেয়াদী আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে, তা বিবেচনা করেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পোস্ট করেন জীতু কমলও। তিনি এটিকে ভারতের ‘যুবশক্তির জয়’ বলে বর্ণনা করেছেন।
এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিজিৎ দীপকে। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা যন্তর মন্তরে দাঁড়িয়ে একে জনগণের শক্তির জয় বলে ঘোষণা করেন। বলেন, 'ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। আপনারা ভয় না পেলে এবং মাথা নত না করলে, আমরা যেকোনো পদত্যাগ আদায় করে নিতে পারি।' সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করেছেন যে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরও আন্দোলন থামবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানান, তাঁদের আরও দুটি দাবি রয়েছে। সেই দাবিগুলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তরে লড়াই জারি থাকবে।
{{/usCountry}}এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিজিৎ দীপকে। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা যন্তর মন্তরে দাঁড়িয়ে একে জনগণের শক্তির জয় বলে ঘোষণা করেন। বলেন, 'ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। আপনারা ভয় না পেলে এবং মাথা নত না করলে, আমরা যেকোনো পদত্যাগ আদায় করে নিতে পারি।' সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করেছেন যে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরও আন্দোলন থামবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানান, তাঁদের আরও দুটি দাবি রয়েছে। সেই দাবিগুলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তরে লড়াই জারি থাকবে।
{{/usCountry}}