মহালয়া মানেই বেজে গিয়ছে পুজোর ঘণ্টি। এখন শুধু সাজুগুজু করে, বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ঠাকুর দেখার অপেক্ষা। গোটা সপ্তাহটা হাজারও ব্যস্ততার মাঝে, একটা লম্বা ছুটি এনে দেয় দুর্গাপুজো। তাই ঠাকুর দেখা, সিনেমা দেখা, খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, আড্ডা-- এসব নিয়েই কেটে যায় সময়। সমপ্রতি এক সাক্ষাৎকারে তৃণা সাহা জানালেন যে, তিনি বিগত কিছু বছর ধরে থাকেন না কলকাতায়। আর এর কারণও করলেন খোলসা?
পুজোয় কেন কলকাতায় থাকেন না তৃণা?

তৃণাকে পুজোর পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘কিছু বছর ধরে পুজোতে এখানে আর থাকি না। কারণ একটাই, ওরকম ৪-৫টা দিন টানা ছুটি আর পাই না। যেটা খুব দরকার, আমার মনে হয় প্রত্যেকটা মানুষের দরকার। পুজোয় এখানে থাকলেও, কেউ না কেউ এই কাজ সেই কাজ বলে। তাই আমি এখানে থাকি, একরকম পালিয়ে যাই।’
‘পুজোর পাঁচদিন এটা হচ্ছে একান্তই আমার সময়। আর আমি যেখানেই থাকি, সবজায়গায় পুজো হয়। বিদেশে দেশে। আমি ঠিক ওই জায়গাটা খুঁজে নিয়ে অঞ্জলিটা দেই। কারণ এটা আমার কাছে একটা ইমোশন। কিছুতেই মিস করা চলবে না।’, আরও বলেন তৃণা।
পরশুরাম দিয়েছে জনপ্রিয়তা
আপাতত স্টার জলসার টিআরপি টপার ধারাবাহিক পরশুরাম-এ দেখা যাচ্ছে তৃণাকে। সিরিয়ালের গল্পে থাকা রহস্যের নানা পরত, প্রথম থেকেই জিতে নিয়েছে দর্শকদের মন। তবে কাজের ফাঁকে বিগত সময়ে বারবার চর্চায় এসেছে তৃণার ব্যক্তিগত জীবন। বিশেষ করে নীল ভট্টাচার্যের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক।
নীলের সঙ্গে ডিভোর্স-চর্চা
২০২১ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন তাঁরা। বেশ লম্বা সময় প্রেমের পর ধুমধাম করে চার হাত এক হয়েছিল। সেই বিয়েতে টলিপাড়ার তারকারা তো এসেছিলেনই, উপস্থিত ছিলেন তৎকাসীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এরপর ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে তাঁদের বিয়ে ভাঙার জল্পনা শুরু হয়। ২০২৬ সালের ৮ই জুন নীলের জন্মদিনে তৃণা উপস্থিত না থাকা সেই গুঞ্জনকে আরও জোরালো করে। এই নিয়ে প্রশ্ন বাড়তে থাকলে এক সাক্ষাৎকারে নীলকে বলতে শোনা যায়, ‘কাজ এবং কেরিয়ার নিয়ে এখন ভীষণ ব্যস্ত’। নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে লাইমলাইটের বাইরে রাখার ইঙ্গিত দিয়ে তৃণা বলেছিলেন, ‘বিবাহিত হওয়াটা আমার জীবনের একটা অংশ মাত্র, এটা আমার গোটা জীবন বা আমার সমগ্র অস্তিত্ব নয়।’ তবে সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করেছিলেন যে, তাঁর আর নীলের ডিভোর্স হয়নি। তবে সম্পর্কে আসা দূরত্বের খবরও একেবারে দেননি উড়িয়ে।
{{/usCountry}}২০২১ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন তাঁরা। বেশ লম্বা সময় প্রেমের পর ধুমধাম করে চার হাত এক হয়েছিল। সেই বিয়েতে টলিপাড়ার তারকারা তো এসেছিলেনই, উপস্থিত ছিলেন তৎকাসীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এরপর ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে তাঁদের বিয়ে ভাঙার জল্পনা শুরু হয়। ২০২৬ সালের ৮ই জুন নীলের জন্মদিনে তৃণা উপস্থিত না থাকা সেই গুঞ্জনকে আরও জোরালো করে। এই নিয়ে প্রশ্ন বাড়তে থাকলে এক সাক্ষাৎকারে নীলকে বলতে শোনা যায়, ‘কাজ এবং কেরিয়ার নিয়ে এখন ভীষণ ব্যস্ত’। নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে লাইমলাইটের বাইরে রাখার ইঙ্গিত দিয়ে তৃণা বলেছিলেন, ‘বিবাহিত হওয়াটা আমার জীবনের একটা অংশ মাত্র, এটা আমার গোটা জীবন বা আমার সমগ্র অস্তিত্ব নয়।’ তবে সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করেছিলেন যে, তাঁর আর নীলের ডিভোর্স হয়নি। তবে সম্পর্কে আসা দূরত্বের খবরও একেবারে দেননি উড়িয়ে।
{{/usCountry}}