টেলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রথম সারির অভিনেত্রী তৃণা সাহা (Trina Saha)। ছোটপর্দায় ‘খড়কুটো’ থেকে শুরু করে ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মে ‘গভীর জলের মাছ’— নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বারবার দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। তবে ওটিটি বা মেগা সিরিয়ালে তাঁকে নিয়মিত দেখা গেলেও, বাংলা মূলধারার বাণিজ্যিক সিনেমায় তাঁকে খুব একটা দেখা যায় না।

বর্তমানে স্টার জলসার পরশুরাম ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে তৃণাকে। এটা তাঁর কেরিয়ারের ৭ নম্বর মেগা। একমাত্র বালিঝড় বাদ দিলে তৃণা অভিনীত প্রত্যেকটা মেগার জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বড়পর্দায় অভিনয় না করা এবং নিজের ক্যারিয়ার চয়েস নিয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ও খোলামেলা জবাব দিয়েছেন তৃণা।
সিনেমায় কেন অভিনয় করছেন না বা কম দেখা যায়— এই প্রশ্নের উত্তরে তৃণা জানান যে, বিনোদন জগতে টিকে থাকতে হলে বা নিজের অভিনয় ক্ষমতা প্রমাণ করতে হলে কেবল সিনেমা বা বড়পর্দাই একমাত্র মাধ্যম নয়। তাঁর কাছে কাজ করার মাধ্যমটির (Medium) চেয়ে কাজের মান এবং চরিত্রটি কতটা আকর্ষণীয়, তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি বেশ কিছু সিনেমা করেছি। তবে কোথাউ গিয়ে প্রযোজক বা পরিচালকদের মনে হয় আমি ব্যবসা দিতে পারব না। আমার সেই নিয়ে কোনও রাগ বা অভিমান নেই। যখন সময় আসবে নিশ্চয় কাজ করব’।
তৃণার শিক্ষাগত যোগ্যতা তাক লাগানো। বিজনেস ম্য়ানেজমেন্ট নিয়ে মাস্টার্স করেছেন। কর্পোরেট দুনিয়ার মোটা মাইনের হাতছানি ছেড়ে ভালোবাসার তাগিদেই অভিনয়ে আসা। তবে একটা সময় দেড় বছর হাতে কাজ ছিল না তৃণার। নায়িকার কথায়, ‘আমার হাতে দেড় বছর কাজ ছিল না। ওইসময় বাবা-মা’কে একটা বাড়ি কিনে দিই। তবে ধৈর্য্য় ধরতে হবে। তাহলেই সবকিছু ঠিকঠাক হবে বলেই আমার বিশ্বাস'।
{{/usCountry}}তৃণার শিক্ষাগত যোগ্যতা তাক লাগানো। বিজনেস ম্য়ানেজমেন্ট নিয়ে মাস্টার্স করেছেন। কর্পোরেট দুনিয়ার মোটা মাইনের হাতছানি ছেড়ে ভালোবাসার তাগিদেই অভিনয়ে আসা। তবে একটা সময় দেড় বছর হাতে কাজ ছিল না তৃণার। নায়িকার কথায়, ‘আমার হাতে দেড় বছর কাজ ছিল না। ওইসময় বাবা-মা’কে একটা বাড়ি কিনে দিই। তবে ধৈর্য্য় ধরতে হবে। তাহলেই সবকিছু ঠিকঠাক হবে বলেই আমার বিশ্বাস'।
{{/usCountry}}নিজের ব্যক্তিগত জীবন এবং কাজকে আলাদা রাখতে ভালোবাসেন তৃণা। তাঁর কথায়, বিয়ে বা ব্যক্তিগত জীবন যেমন ওঁর জীবনের একটা অংশ, পুরো জীবনটা নয়; ঠিক তেমনই ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রেও সিনেমা করাটাই ওঁর জীবনের শেষ কথা নয়। তিনি যেখানেই কাজ করুন না কেন— তা ছোটপর্দা হোক বা ওটিটি— দর্শকদের মনোরঞ্জন করতে পারা এবং নিজের ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিতে পারাটাই নায়িকার আসল লক্ষ্য।