টুইঙ্কল খান্না মানেই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে রসবোধের এক অদ্ভুত মিশেল। সম্প্রতি এক আড্ডায় তিনি নিজের লেখালেখি ও জীবনবোধ নিয়ে অকপট কথা বললেন। সেখানে যেমন ছিল তাঁর লেখক সত্তার লড়াই, তেমনই ছিল স্বামী অক্ষয় কুমারকে নিয়ে মজাদার টিপ্পনি।

অক্ষয় কুমারের ‘একমাত্র’ অবদান:
টুইঙ্কলের লেখায় কোনো সাহসী বা বিতর্কিত বিষয় থাকলেই নাকি অক্ষয় কুমারের প্রথম প্রতিক্রিয়া হয়— ‘মত করনা’ (করো না)। টুইঙ্কল হেসে বলেন, ‘এটাই অক্ষয়ের আমার লেখনী জীবনে সবথেকে বড় অবদান। ও সবসময় আমায় নিষেধ করে কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে মাথা গলাতে’। তবে লেখক টুইঙ্কল শোনেন নিজের মনের কথা।
বিব্রতকর সত্য আর স্যানিটারি প্যাড:
টুইঙ্কল জানান, একবার যুক্তরাজ্যে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে স্যানিটারি প্যাডের ওপর কর বসানো হয়েছে অথচ ভায়াগ্রা করমুক্ত— কারণ পলিসিগুলো ৬৫ বছরের পুরুষরা তৈরি করেন। তাঁর কথায়, “আমি ব্রিটেনের কথা বললেও ভারতে এসে দেখি অনেক বয়স্ক রাজনীতিবিদ আমার ওপর চটে গেছেন। তাঁদের ধারণা ছিল আমি তাঁদেরই নিশানা করেছি!”
বাবার দেওয়া ভাষার পাঠ:
টুইঙ্কলের শব্দ চয়ন বা ভাষার প্রতি ভালোবাসার নেপথ্যে রয়েছে তাঁর বাবা, কিংবদন্তি অভিনেতা রাজেশ খান্না। টুইঙ্কল মনে করেন, তাঁর জীবনের প্যারামিটার সেট করে দিয়েছিলেন বাবাই। ছোটবেলার এক স্মৃতির কথা মনে করে তিনি বলেন, “আমি বাবাকে যখন জিজ্ঞেস করেছিলাম স্কুল থেকে আমায় ‘পিক আপ’ করবে কি না, বাবা উত্তর দিয়েছিলেন— ‘তুমি কি কোনও পিক-আপ ভ্যান? আমি তোমাকে স্কুল থেকে ফেচ (Fetch) করে আনব’।”
অভিনয়ে ফেরা কি সম্ভব?
{{/usCountry}}অভিনয়ে ফেরা কি সম্ভব?
{{/usCountry}}অভিনয় নিয়ে টুইঙ্কলের স্পষ্ট জবাব— ক্যামেরা তাঁকে বরাবরই ভয় দেখায়। তিনি স্পটলাইটে থাকতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ নন। তাঁর কথায়, “স্পটলাইটে থাকলে আমার সানস্ট্রোক হয়!” তাই বইয়ের জগতই এখন তাঁর আসল আশ্রয়।
টুইঙ্কলের রেকমেন্ডেশন লিস্ট:
যাঁরা পড়তে ভালোবাসেন তাঁদের জন্য টুইঙ্কলের পছন্দের তালিকায় রয়েছে অরুণ্ধতী রায়ের ‘দ্য গড অফ স্মল থিংস’, হারুকি মুরাকামির ‘মেন উইদাউট উইমেন’ এবং ঝুম্পা লাহিড়ীর ছোটগল্প।