...
...
Next Story

Twinkle Khanna: 'স্যানিটারি প্যাডে কর, কিন্তু ভায়াগ্রা ট্যাক্স ফ্রি', বেফাঁস টুইঙ্কল, চটে লাল হয় কারা?

একজন লেখিকা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে টুইঙ্কল খান্না (Mrs Funnybones) সব সময়ই স্পষ্টবক্তা। বিশ্ব বই দিবস (২৩ এপ্রিল) উপলক্ষে এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর জীবনের দর্শন, লেখালেখির অভিজ্ঞতা এবং হাস্যরসাত্মক কিছু অজানা কথা শেয়ার করেছেন।

Published on: Apr 29, 2026, 11:30:22 IST
Advertisement

টুইঙ্কল খান্না মানেই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে রসবোধের এক অদ্ভুত মিশেল। সম্প্রতি এক আড্ডায় তিনি নিজের লেখালেখি ও জীবনবোধ নিয়ে অকপট কথা বললেন। সেখানে যেমন ছিল তাঁর লেখক সত্তার লড়াই, তেমনই ছিল স্বামী অক্ষয় কুমারকে নিয়ে মজাদার টিপ্পনি।

'স্যানিটারি প্যাডে কর, কিন্তু ভায়াগ্রা ট্যাক্স ফ্রি', বেফাঁস টুইঙ্কল, চটে লাল হয় কারা?
'স্যানিটারি প্যাডে কর, কিন্তু ভায়াগ্রা ট্যাক্স ফ্রি', বেফাঁস টুইঙ্কল, চটে লাল হয় কারা?

অক্ষয় কুমারের ‘একমাত্র’ অবদান:

টুইঙ্কলের লেখায় কোনো সাহসী বা বিতর্কিত বিষয় থাকলেই নাকি অক্ষয় কুমারের প্রথম প্রতিক্রিয়া হয়— ‘মত করনা’ (করো না)। টুইঙ্কল হেসে বলেন, ‘এটাই অক্ষয়ের আমার লেখনী জীবনে সবথেকে বড় অবদান। ও সবসময় আমায় নিষেধ করে কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে মাথা গলাতে’। তবে লেখক টুইঙ্কল শোনেন নিজের মনের কথা।

বিব্রতকর সত্য আর স্যানিটারি প্যাড:

টুইঙ্কল জানান, একবার যুক্তরাজ্যে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে স্যানিটারি প্যাডের ওপর কর বসানো হয়েছে অথচ ভায়াগ্রা করমুক্ত— কারণ পলিসিগুলো ৬৫ বছরের পুরুষরা তৈরি করেন। তাঁর কথায়, “আমি ব্রিটেনের কথা বললেও ভারতে এসে দেখি অনেক বয়স্ক রাজনীতিবিদ আমার ওপর চটে গেছেন। তাঁদের ধারণা ছিল আমি তাঁদেরই নিশানা করেছি!”

বাবার দেওয়া ভাষার পাঠ:

টুইঙ্কলের শব্দ চয়ন বা ভাষার প্রতি ভালোবাসার নেপথ্যে রয়েছে তাঁর বাবা, কিংবদন্তি অভিনেতা রাজেশ খান্না। টুইঙ্কল মনে করেন, তাঁর জীবনের প্যারামিটার সেট করে দিয়েছিলেন বাবাই। ছোটবেলার এক স্মৃতির কথা মনে করে তিনি বলেন, “আমি বাবাকে যখন জিজ্ঞেস করেছিলাম স্কুল থেকে আমায় ‘পিক আপ’ করবে কি না, বাবা উত্তর দিয়েছিলেন— ‘তুমি কি কোনও পিক-আপ ভ্যান? আমি তোমাকে স্কুল থেকে ফেচ (Fetch) করে আনব’।”

অভিনয় নিয়ে টুইঙ্কলের স্পষ্ট জবাব— ক্যামেরা তাঁকে বরাবরই ভয় দেখায়। তিনি স্পটলাইটে থাকতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ নন। তাঁর কথায়, “স্পটলাইটে থাকলে আমার সানস্ট্রোক হয়!” তাই বইয়ের জগতই এখন তাঁর আসল আশ্রয়।

টুইঙ্কলের রেকমেন্ডেশন লিস্ট:

যাঁরা পড়তে ভালোবাসেন তাঁদের জন্য টুইঙ্কলের পছন্দের তালিকায় রয়েছে অরুণ্ধতী রায়ের ‘দ্য গড অফ স্মল থিংস’, হারুকি মুরাকামির ‘মেন উইদাউট উইমেন’ এবং ঝুম্পা লাহিড়ীর ছোটগল্প।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe