...
...
Next Story

‘আমরা ইচ্ছাকৃতভাবেই…’! জাতীয় পতাকার আদলে গাউন পরে বিতর্ক, কী দাবি উর্বশীর?

‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতায় উর্বশী রাউতেলা ভারতের জাতীয় পতাকা থেকে অনুপ্রাণিত একটি গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙের গাউন পরে উপস্থিত হন, যার কেন্দ্রে ছিল অশোক চক্র। নেটিজেনদের একাংশ এটিকে জাতীয় পতাকার অবমাননা বলে সমালোচনা শুরু করেন। এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী।

Published on: Aug 26, 2026, 11:00:44 IST
Advertisement

উর্বশী রাউতেলা সম্প্রতি মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় তিরঙ্গা অনুপ্রাণিত একটি পোশাক পরে শিরোনামে এসেছেন। তাঁর পোশাকটি ছিল ভারতের জাতীয় পতাকা দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ রঙের গাউন। যার কেন্দ্রে অশোক চক্রও ছিল।

পোশাক সম্পর্কে উর্বশী কী বলেছেন?

উর্বশী রাওতেলা। (PTI)
উর্বশী রাওতেলা। (PTI)

বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন উর্বশী রাওতেলা। বললেন, ‘আমি আমার দেশকে আমার পরিচয়ের অংশ হিসেবে বহন করি। আমি এমন কিছু পরতে চেয়েছিলাম যা শুধু আমি কোথা থেকে এসেছি তা-ই নয়, ভারত আমার কাছে কী অর্থ বহন করে, তাও প্রতিফলিত করবে। এই ভাবনা থেকেই এই অনন্য নকশার জন্ম।’

গাউনটি তৈরি করতে ৩ মাস সময় লেগেছিল

উর্বশী আরও বলেন যে এই গাউনটি তৈরি করতে ৩ মাস সময় লেগেছে। একটি পোশাকে তিনটি রঙ মেলানো সহজ ছিল না। এটি ছিল তাঁর দেশপ্রেমের অনুভূতিকে শৈল্পিক অভিব্যক্তিতে রূপান্তরিত করার একটি প্রয়াস।

উর্বশী বলেন, গাউনটি জাতীয় পতাকার হুবহু প্রতিরূপ নয়

যদিও অনেকেই উর্বশীর পোশাকটি পছন্দ করেছেন, কেউ কেউ এর সমালোচনা করে বলেছেন যে, অভিনেত্রীর শরীরের নিচের অংশে ত্রিবর্ণের অর্ধেক রঙ দেখা যাচ্ছিল এবং পোশাকের আঁচলটি মাটি ছুঁয়ে ছিল। এর জবাবে উর্বশী বলেন, তিরঙ্গা এবং তাঁর গাউনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই গাউনটি জাতীয় পতাকার হুবহু প্রতিরূপ নয়। এটি জাতীয় পতাকা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি ক্যুচার একটি প্রোডাক্ট।

ভারতীয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ব্যবহারের নিয়মাবলী 'ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া, ২০০২' এবং 'প্রিভেনশন অফ ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার অ্যাক্ট, ১৯৭১'-এ উল্লেখ করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা কখনই মাটিতে স্পর্শ করা উচিত নয়। ১৯৭১ সালের আইন অনুযায়ী, জাতীয় পতাকাকে পোশাক, ইউনিফর্ম বা কোমরের নিচের অংশে পরিধানযোগ্য কোনো অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করা, কিংবা কাপড়ের উপর এর নকশা করা বা ছাপানো পতাকার প্রতি অসম্মানজনক কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রকাশ্যে জাতীয় পতাকার অপমান বা অসম্মান করার ফলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe