উর্বশী রাউতেলা সম্প্রতি মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় তিরঙ্গা অনুপ্রাণিত একটি পোশাক পরে শিরোনামে এসেছেন। তাঁর পোশাকটি ছিল ভারতের জাতীয় পতাকা দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ রঙের গাউন। যার কেন্দ্রে অশোক চক্রও ছিল।
পোশাক সম্পর্কে উর্বশী কী বলেছেন?

বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন উর্বশী রাওতেলা। বললেন, ‘আমি আমার দেশকে আমার পরিচয়ের অংশ হিসেবে বহন করি। আমি এমন কিছু পরতে চেয়েছিলাম যা শুধু আমি কোথা থেকে এসেছি তা-ই নয়, ভারত আমার কাছে কী অর্থ বহন করে, তাও প্রতিফলিত করবে। এই ভাবনা থেকেই এই অনন্য নকশার জন্ম।’
গাউনটি তৈরি করতে ৩ মাস সময় লেগেছিল
উর্বশী আরও বলেন যে এই গাউনটি তৈরি করতে ৩ মাস সময় লেগেছে। একটি পোশাকে তিনটি রঙ মেলানো সহজ ছিল না। এটি ছিল তাঁর দেশপ্রেমের অনুভূতিকে শৈল্পিক অভিব্যক্তিতে রূপান্তরিত করার একটি প্রয়াস।
উর্বশী বলেন, গাউনটি জাতীয় পতাকার হুবহু প্রতিরূপ নয়
যদিও অনেকেই উর্বশীর পোশাকটি পছন্দ করেছেন, কেউ কেউ এর সমালোচনা করে বলেছেন যে, অভিনেত্রীর শরীরের নিচের অংশে ত্রিবর্ণের অর্ধেক রঙ দেখা যাচ্ছিল এবং পোশাকের আঁচলটি মাটি ছুঁয়ে ছিল। এর জবাবে উর্বশী বলেন, তিরঙ্গা এবং তাঁর গাউনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই গাউনটি জাতীয় পতাকার হুবহু প্রতিরূপ নয়। এটি জাতীয় পতাকা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি ক্যুচার একটি প্রোডাক্ট।
উর্বশী বলেন, ‘রঙের আভা, দিকবিন্যাস, উপাদান এবং বিশেষ করে মাঝের চিহ্নের পার্থক্যগুলো তাৎপর্যপূর্ণ এবং রঙিন আলোর নীচে স্টেজে একটি বিশেষ প্রভাব তৈরি করার জন্য এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছিল।’
ভারতীয় জাতীয় পতাকা সংক্রান্ত নিয়মাবলী
{{/usCountry}}উর্বশী বলেন, ‘রঙের আভা, দিকবিন্যাস, উপাদান এবং বিশেষ করে মাঝের চিহ্নের পার্থক্যগুলো তাৎপর্যপূর্ণ এবং রঙিন আলোর নীচে স্টেজে একটি বিশেষ প্রভাব তৈরি করার জন্য এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছিল।’
ভারতীয় জাতীয় পতাকা সংক্রান্ত নিয়মাবলী
{{/usCountry}}ভারতীয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ব্যবহারের নিয়মাবলী 'ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া, ২০০২' এবং 'প্রিভেনশন অফ ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার অ্যাক্ট, ১৯৭১'-এ উল্লেখ করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা কখনই মাটিতে স্পর্শ করা উচিত নয়। ১৯৭১ সালের আইন অনুযায়ী, জাতীয় পতাকাকে পোশাক, ইউনিফর্ম বা কোমরের নিচের অংশে পরিধানযোগ্য কোনো অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করা, কিংবা কাপড়ের উপর এর নকশা করা বা ছাপানো পতাকার প্রতি অসম্মানজনক কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রকাশ্যে জাতীয় পতাকার অপমান বা অসম্মান করার ফলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।