ভালোবাসা এমন একটি বস্তু যা শুধুমাত্র সৌন্দর্যের জন্য আটকে থাকে না, ভালবাসতে হয় এমন করে যা স্থান কাল পাত্র অনুযায়ী পাল্টে যায় না। ঠিক এমন ভাবেই নিজের বোনকে আগলে রাখেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়।
ভালোবাসা এমন একটি বস্তু যা শুধুমাত্র সৌন্দর্যের জন্য আটকে থাকে না, ভালবাসতে হয় এমন করে যা স্থান কাল পাত্র অনুযায়ী পাল্টে যায় না। ঠিক এমন ভাবেই নিজের বোনকে আগলে রাখেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়।
আজও প্রিয় বোনকে বুকে আগলে রাখেন বিক্রম
আপাতদৃষ্টিতে যে মানুষটিকে আপনার কঠোর মনে হয়, সেই বিক্রম চট্টোপাধ্যায় কিন্তু আদতে একজন সোনার টুকরো ছেলে। ছোটবেলা থেকেই নিজের বোনকে প্রাণ দিয়ে ভালবাসেন তিনি, যে ভালোবাসা এত বছর পরেও বিন্দুমাত্র কমেনি।
বিক্রমের বোন আর পাঁচটা বোনের মতো স্বাভাবিক নন। কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে যার ফলে তাঁর মুখের একাংশ কিছুটা ফুলে থাকে সবসময়। কিন্তু বোনের এই বাহ্যিক সৌন্দর্যের রকমভেদ নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথা ঘামাতে নারাজ অভিনেতা।
বিক্রমের বোনের নাম মেঘা। কাজের জন্য যতই বিক্রম বাইরে থাকুন না কেন, কাজ না থাকলে বেশিরভাগ সময় বোনকে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। শত ব্যস্ততা থাকলেও ভাইফোঁটার দিন কলকাতায় থাকার চেষ্টা করেন বিক্রম, সময় দেওয়ার চেষ্টা করেন আদরের বোনকে।
প্রসঙ্গত, ছোট্ট বোন জীবনে আসার পর সকলে বোনকে উপহার দিচ্ছিল দেখে বেশ রাগ হয়েছিল বিক্রমের। যদিও সেই রাগ পরে পরিবর্তিত হয়ে যায় ভালোবাসায়। প্রতিদিন ছোট বোনের থেকে কিছু না কিছু শেখেন তিনি। কুকুরদের খেতে দেওয়া থেকে বাড়ির ছাদে গাছে জল দেওয়া, সবকিছুই বড্ড যত্ন করে করে বিক্রমের আদরের মৌ।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই বিক্রমকে দেখা গিয়েছে ‘মৃগয়া’ সিনেমায় অভিনয় করতে। একজন পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। এছাড়াও ‘রাস’ ছবিতে একেবারে অন্যরকম ভাবে নিজেকে ধরা দিয়েছিলেন বিক্রম।
এই বছরেই মুক্তি পেয়েছিল ‘অমরসঙ্গী’, যেখানে সোহিনীর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন তিনি, যদিও সেই সিনেমা বক্স অফিসে একেবারেই সাফল্য অর্জন করেনি। অন্যদিকে আবার চলতি বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দুর্গাপুর জংশন’ পেয়েছিল দুর্দান্ত সাফল্য, যেখানে স্বস্তিকার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন বিক্রম।