...
...
Next Story

Kangana-Vir: ‘রিভলভার রানি’র চুমুর দৃশ্যে কঙ্গনা কি সত্যি তাঁর ঠোঁট রক্তাক্ত করেছিল? মুখ খুললেন বীর দাস

মোদী বিরোধী অবস্থানের জেরে কঙ্গনার থেকে ‘দেশদ্রোহী’ কটাক্ষ শুনেছেন বীর দাস। নায়িকার বিরুদ্ধে আনা সাংবাদিকের ভাইরাল দাবির জবাবে কী বললেন অভিনেতা?

Published on: Jun 29, 2026, 14:51:03 IST
Advertisement

বলিউডের ‘কন্ট্রোভার্সি কুইন’ কঙ্গনা রানাওয়াত'কে নিয়ে বিনোদন দুনিয়ায় চর্চার শেষ নেই। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পুরনো দাবি নতুন করে ভাইরাল হতেই ফের খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন বিজেপি সাংসদ। দাবি করা হয়েছিল, ২০১৪ সালের ‘রিভলভার রানি’ (Revolver Rani) ছবির একটি গভীর চুম্বনের দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে সহ-অভিনেতা বীর দাস-কে কামড়ে রক্তাক্ত এবং জখম করে দিয়েছিলেন কঙ্গনা!

‘রিভলভার রানি’র চুমুর দৃশ্যে কঙ্গনা কি সত্যি তাঁর ঠোঁট রক্তাক্ত করেছিল? মুখ খুললেন বীর দাস
‘রিভলভার রানি’র চুমুর দৃশ্যে কঙ্গনা কি সত্যি তাঁর ঠোঁট রক্তাক্ত করেছিল? মুখ খুললেন বীর দাস

এক নামী সাংবাদিকের এই বিস্ফোরক দাবির পর এতদিন চুপ থাকলেও, এবার এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে পোস্ট করে খোদ বীর দাস এই জল্পনা উড়িয়ে দিলেন। কঙ্গনার পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে পুরো ঘটনাটিকে ‘আজব গল্প’ বলে তকমা দিলেন এই কমেডিয়ান-অভিনেতা।

‘পরিচালক কাট বলার পরও কঙ্গনা থামেননি, ঠোঁট কেটে রক্তারক্তি!’— কী ছিল সেই দাবি?

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কান্নানের একটি পডকাস্টে উপস্থিত হয়ে প্রবীণ বিনোদন সাংবাদিক সিমি চন্দোক দাবি করেন, ‘রিভলভার রানি’ ছবির শুটিংয়ের সময় কঙ্গনা এবং বীর দাসের একটি প্যাশনেট কিসিং সিন ছিল। সিমি বলেন, ‘বীর দাসকে আপনার পডকাস্টে আনুন, ও হয়তো সেই যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতির কথা মনে করে কেঁদেই ফেলবে! ওই দৃশ্যে কঙ্গনার খুব গভীরভাবে বীরকে চুমু খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কঙ্গনা এতটাই মগ্ন হয়ে যান যে পরিচালক ‘কাট’ বলার পরও তিনি থামেননি। বেচারা বীরের ঠোঁট কামড়ে একদম রক্তারক্তি করে দিয়েছিলেন তিনি!’

‘কঙ্গনা সম্পূর্ণ প্রফেশনাল, এটা ওঁর বিরুদ্ধে কুৎসা’— সপাটে বীর

টুইটারে অনুরাগীর সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বীর দাস স্পষ্ট ভাষায় কঙ্গনার পাশে দাঁড়ান এবং এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেন।

বীর লেখেন, ‘বেশ, বিষয়টি পরিষ্কার করে নেওয়া যাক। এই গল্পটি সম্পূর্ণ মনগড়া এবং কাল্পনিক। কঙ্গনা সেটে অত্যন্ত প্রফেশনাল ছিলেন এবং আমি এখনও বিশ্বাস করি উনি একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান শিল্পী। ওঁর বিরুদ্ধে এই ধরণের কথা বলাটা অনুচিত কুৎসা। এটা ঠিক যে কয়েক বছর পর আমার কমেডির জন্য উনি আমাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলেছিলেন, কিন্তু সেটে... আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যাই ছিল না’।

অতীতের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মনমালিন্য ভুলে কাজের জায়গায় কঙ্গনার সততাকে যেভাবে বীর সার্টিফিকেট দিলেন, তা নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়োচ্ছে। এর আগে ২০২৩ সালেও যখন এই একই দাবি উঠেছিল, তখন কঙ্গনাও রসিকতা করে ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘হৃতিক রোশনের পর এবার কি আমি বেচারা বীর দাসের সম্মানহানি করলাম? এটা কবে হলো!’

বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল ‘রিভলভার রানি’

২০১৪ সালের এই ক্রাইম-ড্রামা ছবিতে কঙ্গনা রানাওয়াতকে এক গ্যাংস্টার তথা রাজনীতিক ‘রিভলভার রানি’র চরিত্রে দেখা গিয়েছিল, যার প্রেমে পড়েন বলিউডের উঠতি তারকা রোহান মেহরা সাঁই কবির শ্রীবাস্তবের পরিচালনায় পীষূষ মিশ্র, জাকির হুসেন অভিনীত ২২ কোটি বাজেটের এই সিনেমাটি বক্স অফিসে মাত্র ১৩ কোটি টাকা আয় করে ফ্লপ তকমা পেয়েছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe