...
...
Next Story

Virat Kohli: 'খুব ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছি'— করণের আউজনার এই গান কেন বিরাটের হৃদয়ের এত কাছে? খোলসা করলেন কিং কোহলি

গায়ক করণ আউজনার ‘উইনিং স্পিচ’ গানটিকে নিজের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় গান হিসেবে উল্লেখ করলেন বিরাট কোহলি।

Published on: Jun 22, 2026, 08:31:02 IST
Advertisement

ভারতীয় ক্রিকেট দলের মহাতারকা বিরাট কোহলি (Virat Kohli)-র পঞ্জাবি গানের প্রতি ভালোবাসার কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু কিছু গান কেবল বিনোদন দেয় না, মানুষের জীবনের নিজস্ব লড়াই আর যন্ত্রণার গল্প মনে করিয়ে দেয়। গ্লোবাল পঞ্জাবি সেনসেশন করণ আউজোলা (Karan Aujla)-র একটি বিশেষ গান ঠিক এইভাবেই বিরাটের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। ‘ওয়ানএইট’ (One8)-এর একটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বিরাট কোহলি খোলসা করলেন, কর্ণের কোন গানটি তাঁর সবচেয়ে প্রিয় এবং কেন তিনি মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে বারবার সেই গানটির কাছেই ফিরে যান।

গায়ক করণ আউজনার ‘উইনিং স্পিচ’ গানটিকে নিজের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় গান হিসেবে উল্লেখ করলেন বিরাট কোহলি।
গায়ক করণ আউজনার ‘উইনিং স্পিচ’ গানটিকে নিজের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় গান হিসেবে উল্লেখ করলেন বিরাট কোহলি।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই (PTI)-এর শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বিরাটের এই আবেগঘন বয়ান এবং ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই অবিশ্বাস্য ম্যাচের স্মৃতিচারণ এখন নেটপাড়ায় তুমুল ভাইরাল।

‘আমিও ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছি’— গানের মাঝে নিজের জীবন খুঁজে পাওয়া

বিরাট কোহলি মঞ্চে সরাসরি গায়ক করণ আউজনার প্রশংসা করে জানান, কর্ণের ‘উইনিং স্পিচ’ (Winning Speech) গানটি তিনি নিজের জীবনের সাথে গভীরভাবে মেলাতে পারেন। বিরাট বলেন, ‘করণ, তুমি মন থেকে গান লেখো। তোমার সব গানের মধ্যে আমি যার সাথে সবচেয়ে বেশি সংযোগ খুঁজে পাই, সেটা হলো ‘উইনিং... স্পিচ’। কারণ এই গানটা সম্ভবত তোমার জীবনের সেই কঠিন জার্নিটাকে ফুটিয়ে তুলেছে। আর আমি এর সাথে আমার নিজের জীবনের অনেক মিল দেখতে পাই। আমিও খুব ছোটবেলায় আমার বাবাকে হারিয়েছিলাম। তাই এই গানটা আমার কাছে ভীষণ স্পেশাল। মাঠে ম্যাচ খেলতে নামার আগে আমি প্রায়শই এই গানটা লুপে শুনি।’

অনুষ্ঠানে বিরাট শুধু গানের কথাই বলেননি, নিজের ‘নেভার-সে-ডাই’ (কখনও হার না মানা) মনোভাব নিয়েও মুখ খুলেছেন। নিজের কথার স্বপক্ষে তিনি ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা সেই ঐতিহাসিক ও রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের উদাহরণ টানেন।

সেই অবিশ্বাস্য ইনিংসের স্মৃতি হাতড়ে কিং কোহলি বলেন, ‘আমি আসলে এইভাবেই তৈরি হয়েছি। পরিস্থিতি যখন এমন জায়গায় পৌঁছায় যেখানে মানুষ মনে করে সব শেষ, ঠিক সেই খাদের কিনারা থেকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার পরিস্থিতিগুলো আমি মনে-প্রাণে খুঁজি। খুব ছোটবেলা থেকেই আমি পরিস্থিতিকে এভাবে দেখতে অভ্যস্ত। খেলার শেষ বল পর্যন্ত আমি বিশ্বাস হারাই না যে ম্যাচটা আমরা হেরে গেছি বা জিততে পারব না। আর সেই বিশ্বাসের জেরেই কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটে গেছে।’

মেলবোর্নের ম্যাচটি নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন:

“আমাকে পরে বলা হয়েছিল যে, একটা সময় ওই ম্যাচে আমাদের জেতার সম্ভাবনা ছিল মাত্র ৩ শতাংশ! কিন্তু আমি কখনও ওভাবে ভাবিইনি। আমার কাছে মাত্র ১ শতাংশ আশাই যথেষ্ট। যদি সামান্যতম সুযোগও থাকে, তবে চেষ্টা করতেই হবে। তাই যতক্ষণ না তুমি ম্যাচটা সত্যি সত্যিই হেরে যাচ্ছ, ততক্ষণ লড়াই ফুরিয়ে যায় না।”

দিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে করণের ধামাকা

অন্যদিকে, গায়ক করণ আউজোলাও তাঁর চলমান মিউজিক ট্যুর শেষ করলেন দিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এক অভূতপূর্ব ও জমকালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে। প্রায় ৭০,০০০-এরও বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে তিনি তাঁর সুপারহিট ট্র্যাক— ‘তওবা তওবা’, ‘গ্যাংস্টার’, ‘বাচকে বাচকে’, ‘বয়ফ্রেন্ড’ এবং ‘ফর আ রিজন’-এর মতো গান গেয়ে মঞ্চ কাঁপান। কনসার্টের একটি ভিডিওতে করণকে জিপ লাইনে চড়ে স্টেডিয়ামের এপার থেকে ওপারে যেতে দেখা গেছে, যা দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েন অনুরাগীরা। আতশবাজির চোখধাঁধানো আলোর রোশনাই দিয়ে শেষ হয় এই ঐতিহাসিক শো।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe