শুক্রবার হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে এবং ‘জয় হিন্দ’ স্লোগান দিতে দিতে দিল্লির মধ্যাঞ্চলের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ দেখান ককরোচ জনতা পার্টির কয়েকশো সমর্থক ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। এই ঘটনার পরই দিল্লি পুলিশ ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করে। তাঁর পাশাপাশি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-এর সভানেত্রী নেহা বোরাকেও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এবার এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন গায়ক বিশাল দাদলানি।

নেহা বোরাকে নিয়ে কী বললেন বিশাল?
ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করে বিশাল দাবি করেছেন, নেহাকে একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন গায়ক। তিনি লেখেন, এখন সকলকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে এবং নেহার অবস্থান খুঁজে বের করতে হবে। দিল্লি পুলিশকে জানাতে হবে, নেহা কোথায় রয়েছেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন তোলেন, দিল্লিতে কি এটাই আইনের শাসন?
এই পোস্টের সঙ্গে বিশাল আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এক তরুণ নেত্রীকে প্রকাশ্যে ‘গায়েব’ করে দেওয়া হয়েছে। বিশালের মতে, নেহা বর্তমানে ভারতের বহু প্রগতিশীল তরুণ-তরুণীর প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাই তাঁর অবস্থান সম্পর্কে দ্রুত তথ্য প্রকাশ করা জরুরি।
ককরোচ জনতা পার্টির অভিযোগ
অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির তরফেও অভিযোগ করা হয়েছে, অভিজিৎ দীপকেকে অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে সংগঠনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, আটক করার পর অভিজিৎকে জাফরপুর কালান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির তরফেও অভিযোগ করা হয়েছে, অভিজিৎ দীপকেকে অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে সংগঠনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, আটক করার পর অভিজিৎকে জাফরপুর কালান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
{{/usCountry}}আইসার প্রাক্তন সভানেতা এন সাই বালাজিও নেহার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ পোশাকে আসা ব্যক্তিরা নেহাকে বাসের মধ্যে থেকে একা আটক করেছিলেন। নেহার শেষ অবস্থানের সূত্র ধরে তাঁকে মঙ্গোলপুরীর মাদকবিরোধী টাস্ক ফোর্সের দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। এরপর থানার তরফে কেন জানানো হচ্ছে যে নেহা সেখানে নেই, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বালাজি।
কী দাবিতে বিক্ষোভ?
উল্লেখ্য, শুক্রবার মান্ডি হাউস এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নেন ছাত্রছাত্রী এবং আইসা ও এসএফআইয়ের সদস্যরা। তাঁদের দাবির মধ্যে ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া প্রত্যাহার এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত আইন বাতিল করা।
নেহা বোরার বর্তমান অবস্থান নিয়ে বিশাল দাদলানি ও ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলির বিষয়ে দিল্লি পুলিশের কোনও বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।