বয়স চার দশকের গণ্ডি পেরিয়ে ৪২-এ পৌঁছেছে। কিন্তু মনামী ঘোষের গ্ল্যামার ও রূপ দেখে তা বোঝার বিন্দুমাত্র জো নেই! অভিনয়ের পাশাপাশি নাচ, সোশাল মিডিয়ার সেনসেশন এবং নজরকাড়া ফ্যাশন সেন্স—সব মিলিয়ে তিনি টলিপাড়ার অন্যতম ‘মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর’। আপতত বিগ বস বাংলার ঘরের অন্যতম চর্চিত প্রতিযোগী। দীর্ঘ বছর ধরে সফলভাবে কেরিয়ার সামলালেও ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন বার বার ঘুরপাক খায়— কেন এখনও ছাদনাতলায় বসা হলো না এই জনপ্রিয় টলি-সুন্দরীর?

প্রেম থাকলেও বিয়েতে তাড়া নেই:
মনামীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নেটিজেনদের কৌতূহলের শেষ নেই। প্রেমের বিষয়ে কখনোই কোনো লুকোছাপা করেননি অভিনেত্রী। মনামী ঘোষ দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোরিওগ্রাফার ও আলোকচিত্রী সৈকত বারুরি (Saikat Baruri)-র সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। তাঁদের ভালোবাসার খবর টলিপাড়ার সবারই জানা। দুজনের বিয়ের জল্পনা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সাল নাগাদ। এরপর প্রায় এক দশক হতে চলল, তবুও সাত পাক ঘোরার কোনও তাগিদ নেই দুজনের।
নিজের শর্তে জীবন বাঁচেন মানামী। সমাজ বা বয়সের নিয়ম মেনে তড়িঘড়ি বিয়ে করার কোনো ইচ্ছে তাঁর নেই। তাঁদের সম্পর্ক এতটাই মজবুত ও ভালোবাসায় পূর্ণ যে, শুধু আইনি বা আনুষ্ঠানিক সিলমোহর দেওয়ার জন্য তাঁরা ব্যস্ত নন। এক সাক্ষাৎকারে নায়িকা বলেছিলেন, ‘বিয়ে তো একটা প্রতিষ্ঠান। আমি কাজের ক্ষেত্রে নিজের দু’শো শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করি। তেমনই বিয়ে করলেও কাজের মতোই আমি নিজের দু’শো শতাংশ দিতে চাই। একটু সংসার করলাম, একটু শুটিং করলাম, সেটা পারব না।’
কাজ ও স্বাধীন জীবনই প্রথম পছন্দ:
{{/usCountry}}কাজ ও স্বাধীন জীবনই প্রথম পছন্দ:
{{/usCountry}}মনামী বিশ্বাস করেন যে, জীবনকে নিজের মতো করে উপভোগ করাটাই আসল কথা। সমাজ কী ভাবল বা কে কী বলল, তাতে তাঁর কিছু যায় আসে না। আত্মীয়-স্বজনরা প্রশ্ন করলেও বিয়ে নিয়ে বাবা-মা কোনওদিন তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করেননি সাফ জানিয়েছেন মানামী। তিনি আরও বলেছিলেন, বিয়ে বা সন্তান নিয়ে সৈকতের সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয় না। বরং কেরিয়ার, দুজনের স্বপ্ন নিয়ে কথা হয়।
মনামী বর্তমানে নিজের অভিনয়, নাচ, ইউটিউব ট্রাভেল ব্লগ এবং ব্যক্তিগত জীবন দারুণভাবে উপভোগ করছেন। তাঁর মতে, উপযুক্ত সময় এলেই এবং দুজনে মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত মনে করলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন।
বয়সকে স্রেফ একটি সংখ্যা প্রমাণ করে মনামী ঘোষ বর্তমানে নিজের শর্তে ও মনের সুখে জীবন কাটাচ্ছেন, যা তাঁর অগণিত অনুরাগী ও ভক্তদের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা।