...
...
Next Story

Tapas Paul: ‘আমরা বাড়ির লোকেরাও…’! তাপস পালের ‘ছেলে ঢুকিয়ে দেব, রেপ করে চলে যাবে’ মন্তব্য নিয়ে কী বলেছিলেন বউ নন্দিনী

‘ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেব, রেপ করে চলে যাবে’, বলেছিলেন তাপস পাল। যা নিয়ে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ মৃত্যুর আগে অবধি আফশোস করেছে, দাবি স্ত্রী নন্দিনী পালের।

Published on: Dec 18, 2025, 10:14:55 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

প্রয়াত অভিনেতা তাপস পাল বিতর্কে জড়িয়েছিলেন ‘ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেব’ বলে! এমনকী, তাঁর মৃত্যুর এতগুলো বছর পরেও যেন এই কথাগুলো পিছু ছাড়েনি। মিম হোক বা রাজনীতির মাঠ, ঘুরেফিরে আসে এই কথাগুলোই। এক সাক্ষাৎকারে তাপস-পত্নী নন্দিনী পাল বলেছিলেন যে, মৃত্যুর আগে অবধি এই আফশোস নিয়ে বেঁচে ছিলেন প্রয়াত অভিনেতা। এমনকী এই কথাগুলোর ‘কর্মফল’ বলে মনে করতেন, সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতারি, জেলখাটা।

তাপস পালের ‘ছেলে ঢুকিয়ে দেব’ মন্তব্য নিয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন স্ত্রী নন্দিনী পাল?
তাপস পালের ‘ছেলে ঢুকিয়ে দেব’ মন্তব্য নিয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন স্ত্রী নন্দিনী পাল?

এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক নিবেদিতাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নন্দিনী পাল জানিয়েছিলেন, ‘ওর মুখ থেকে ভুল কথা একটা বেরিয়ে গিয়েছিল। ও নিজেও বারবার ক্ষমা চেয়েছে। আমরা পরিবারও এটা নিয়ে লজ্জিত। উনি নিজেও এই নিয়ে কখনো আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করেননি, না আমরা কখনো করেছি।’ নন্দিনী এই সাক্ষাৎকারে আরও জানিয়েছিলেন যে, ২০১২ সাল নাগাদ এক দুর্ঘটনায় ফ্রন্টাল লোবে আঘাত পান তাপস পাল। মস্তিষ্কের এই অংশে আঘাত কিছুটা হলেও অভিনেতার ভাবনা-চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দিয়েছিল। সঙ্গে নিন্দিনী বারবার স্পষ্ট করে দেন, স্বামীর পক্ষ নিয়ে কথা বলছেন না। কোনো যুক্তিও দিতে চান না। তবে মনে করেন, এই কারণেই তাপসের ‘মুখ ফসকে’ সেই কথা বেরিয়ে গিয়েছিল।

‘২০১৬ সালের ৩০ জুন এই কথাটা (ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেব, রেপ করে চলে যাবে-তাপসের বলা কথা) ফাঁস হয়েছিল। আর এর কদিন পর ৮ অগস্ট ওর ম্যাসিভ স্ট্রোক হয়। ও নিতেই পারল না। আমি একটা মানুষকে প্রতি মুহূর্তে মরতে দেখেছি। কিন্তু আমার কিছুই করার ছিল না। ওটা সাংঘাতিক ভুল কথা বেরিয়ে গিয়েছিল, সেটা ও জানত। তারপর নিজেকে ও ক্ষমাই করেনি কোনোদিন। কোনোদিন করেনি।’, আর বলেন নন্দিনী এই সাক্ষাৎকারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe