...
...
Next Story

দাউদের সঙ্গে দুবাইতে ঋষির ‘চায়ে পে চর্চা’, এসেছিল টাকা, দামি উপহারের হাতছানিও

ঋষি কাপুর তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন যে, ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণের বহু আগে দুবাইয়ে দু'বার তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল অপরাধ জগতের কুখ্যাত ব্যক্তিত্ব দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে।

Published on: Jun 11, 2026, 14:27:06 IST
Advertisement

প্রয়াত অভিনেতা ঋষি কাপুর তাঁর আত্মজীবনী খুল্লাম খুল্লা (Khullam Khulla)-তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন যে, ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণের বহু আগে দুবাইয়ে দু'বার তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল অপরাধ জগতের কুখ্যাত ব্যক্তিত্ব দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে।

কেমন ছিল দুবাইতে দাউদ ও ঋষি কাপুরের সাক্ষাৎ?
কেমন ছিল দুবাইতে দাউদ ও ঋষি কাপুরের সাক্ষাৎ?

ঋষি কাপুরের দাবি, প্রথম সাক্ষাৎটি হয় ১৯৮৮ সালে। একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দুবাই পৌঁছনোর পর বিমানবন্দরেই তাঁর কাছে একটি ফোন আনা হয় এবং জানানো হয়, ‘দাউদ সাহেব কথা বলবেন।’ পরে দাউদের আমন্ত্রণে তিনি এক অজ্ঞাত স্থানে যান। অভিনেতার বর্ণনায়, তাঁকে একটি বিলাসবহুল রোলস-রয়েসে করে এমনভাবে ঘোরানো হয়েছিল যাতে তিনি গন্তব্যস্থল চিনতে না পারেন। সেখানে কয়েক ঘণ্টা ধরে চা ও আড্ডার মাধ্যমে তাঁদের কথোপকথন চলে।

ঋষি লিখেছেন, দাউদ তাঁকে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন এবং প্রয়োজনে অর্থ বা অন্য যে কোনো সাহায্যের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তবে অভিনেতা জানান, তিনি সেই প্রস্তাবে সাড়া দেননি।

এক বছর পরে, ১৯৮৯ সালে, স্ত্রী নীতু কাপুরের সঙ্গে দুবাইয়ে কেনাকাটা করার সময় হঠাৎ করেই আবার দাউদের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। সেই সময় দাউদ তাঁর পছন্দের জিনিস কিনে দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও ঋষি তা প্রত্যাখ্যান করেন। আত্মজীবনীতে তিনি উল্লেখ করেন, কথোপকথনের এক পর্যায়ে দাউদ ভারতের বিচারব্যবস্থা ও রাজনীতিবিদদের নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, কিন্তু তিনি নিজেকে সেই আলোচনা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে বলেন, ‘আমি একজন অভিনেতা, আমাকে এসবের মধ্যে জড়াবেন না।’

পরবর্তীতে দাউদ ইব্রাহিমের নাম ১৯৯৩ সালের মুম্বই ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ-সহ একাধিক অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত দাউদ D-Company-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারতের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড পলাতক আসামি হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘও তাঁকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe