...
...
Next Story

‘ওরকম মিষ্টি ২টো সন্তান…’! সইফ-অমৃতার ডিভোর্সের সময় ঠিক কী হয়, জবাব শর্মিলার

করণ জোহরের শো ‘কফি উইথ করণ’-এ এসেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর ও সইফ আলি খান। আর সেখানেই কথা প্রসঙ্গে উঠে আসে সইফ আর অমৃতার বিয়ে।

Published on: Jan 8, 2026, 15:46:41 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

পতৌদি পরিবারের ছবি-ভিডিয়ো দেখে এখনও যৌথ পরিবারের স্বাদ পায় নেট-নাগরিকরা। সকলে আলাদা আলাদা থাকলেও, যে কোনও অনুষ্ঠান তাঁরা কাটায় একসঙ্গে। শর্মিলা থেকে সইফ, সোহা-সাবা, কুণাল-করিনা বাদ যান না কেউই। এমনকী করিনার বাড়িতে অবাধ যাতায়াত সইফের প্রথমপক্ষের দুই সন্তান ইব্রাহিম আলি খান ও সারা আলি খানের। করণ জোহরের শো ‘কফি উইথ করণ’-এ এসেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর ও সইফ আলি খান। আর সেখানেই কথা প্রসঙ্গে উঠে আসে সইফ আর অমৃতার বিয়ে।

সইফ-অমৃতার ডিভোর্স নিয়ে কী বলেছিলেন শর্মিলা?
সইফ-অমৃতার ডিভোর্স নিয়ে কী বলেছিলেন শর্মিলা?

১৯৯১ সালে খুব অল্প বয়সেই অমৃতাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন সইফ। বয়সেও অমৃতা ছিল অনেক বড় তাঁর থেকে। শোনা যায়, পতৌদি পরিবারের নাকি একেবারেই পছন্দ ছিল না অমৃতাকে। মেনে নিতে বছর পাঁচেক সময় লেগেছিল বলেও শোনা যায়। তা কি সত্যি?

কফি উইথ করণ-এ উঠে এল সেই বিয়ের প্রসঙ্গই। সইফ জানান, অমৃতা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে মুম্বই এসেছিলেন। আর তখনই মা-কে সইফ জানান, অমৃতাকে আগেরদিন বিয়ে করেছেন। ছেলের এভাবে না বলেকয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্তে কেঁদে ফেলেছিলেন শর্মিলা। থামছিল না চোখের জল। ছেলেকে বলেছিলেন, ‘তুমি আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছ’।

শর্মিলা করণ জোহরকে এরপর জানান, ‘বাবা-মায়ের সঙ্গে জীবনের প্রতিটা দিক ভাগ করে নেওয়া খুব ভালো। কারণ ওরাই আপনাকে দেখভাল করে বড় করেছে।’

সইফ জানান, অমৃতাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত যেমন তিনি প্রথম মা-কেই জানিয়েছিলেন, তেমনই অমৃতার সঙ্গে বিচ্ছেদের কথাও প্রথম জেনেছিল শর্মিলাই। ছেলেকে বলেছিলেন, সব পরিস্থিতিতে পাশে থাকবেন তিনি।

২০০৪ সালে অমৃতার সঙ্গে ডিভোর্সের পর ২০১২ সালে করিনা কাপুরকে বিয়ে করেন সইফ। মাঝে কিছু বছর সইফিনা জুটি ছিলেন লিভ ইনেও। তবে বাবার দ্বিতীয় বিয়ে-তে দুই সন্তানকেই পাঠিয়েছিলেন অমৃতা। সারা জানিয়েছিলেন, মা নিজের হাতে সাজিয়ে দিয়েছিল তাঁকে। করিনাও কোনওদিন চাননি সইফের আগের পক্ষের ছেলেমেয়েদের মায়ের জায়গা নিতে। বরং, ভালো বন্ধু হওয়ার হাত বাড়িয়েছিলেন বেবো।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe