নতুন ভাবে জি বাংলায় শুরু হয়েছে দাদাগিরি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ছেড়ে যাওয়ার পর প্রায় বছর দেড়েক বন্ধ ছিল এই শো। এমনকী, দাদাগিরির ভবিষ্যত নিয়েও যখন উঠেছিল প্রশ্ন, তখন এসে হাল ধরেন দেব। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথমে অনেকেই ট্রোল করেছিলেন। বাংলা উচ্চারণ নিয়ে যার সমস্যা সে কীভাবে দাদাগিরির মতো শো সামলাবে, এমন প্রশ্নও উঠেছিল দর্শক মনে! তবে অভিনেতা প্রমাণ করেছেন, কেন তিনি বাংলার সুপারস্টার। নিজের খামতিগুলোকে ঢেকে রাখার চেষ্টাই করেননি। বরং নিদের উচ্চারণ নিয়ে হওয়া মস্করায় নিজেই হেসেছেন, তাও আবার স্টেজে দাঁড়িয়ে। বরাবরই দেব তাঁর ভক্তদের কাছে ঘরের ছেলে। আর দাদাগিরি-র সঞ্চালনার দায়িত্ব কাঁধে আসার পর, তা যেন আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

সম্প্রতি দাদাগিরির পরিচালক অভিজিৎ সেনের কাছে প্রশ্ন করা হয়, দাদাগিরি-র সঞ্চালনা করলে সৌরভের পরিবর্তে দেব কেন? আর এর জবাবে অভিজিৎ স্পষ্ট করে দেন যে, দাদার পরিবর্তে একজন দাদার খোঁজ কোনোদিনই করেননি তাঁরা। বরং এমন একজন মানুষকে চেয়েছিলেন যে সকলকে আপন করে নিতে পারবে। যার সঙ্গে দর্শকরা একাত্ম বোধ করবে। আর সেটাই হয়েছে।
অভিজিৎ আনন্দবাজারকে বলেন, ‘আসলে দেবকে না সবাই ভালোবাসে। ফলে 'দেব না', বা অনেকগুলো অপশনের মধ্যে দেব, এটা ছিল না। আমরা দাদার পরিবর্তে একজন দাদা কখনোই চাইনি। আমরা এমন একজনকে চেয়েছি যাকে সবাই ভালোবাসে। এবং যে সবাইকে আপন করে নিতে পারে। ফলে দাদার পরিবর্তে একজন দাদা খোঁজা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না। দাদার পরিবর্তে এমন একজন মানুষ আমাদের প্রয়োজন ছিল যে সবাইকে নিয়ে এগোবে। যে সবার সাথে থাকবে। যে সবাইকে ভালোবাসবে এবং দাদাগিরির এই শো-কে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এবং সেটা দেব সফলভাবে করে চলেছে।’
ইতিমধ্যেই দাদাগিরি সিজন ১১-র ২৩টি এপিসোড সম্প্রচারিত হয়েছে। সৌরভ ছাড়ার পর নতুন ফরম্যাটে সাজানো হয় শো-টি। এরইমধ্যে তারকা, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিকরাও জমিয়েছেন দেবের এই রিয়েলিটি শো-এর আসর।
{{/usCountry}}ইতিমধ্যেই দাদাগিরি সিজন ১১-র ২৩টি এপিসোড সম্প্রচারিত হয়েছে। সৌরভ ছাড়ার পর নতুন ফরম্যাটে সাজানো হয় শো-টি। এরইমধ্যে তারকা, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিকরাও জমিয়েছেন দেবের এই রিয়েলিটি শো-এর আসর।
{{/usCountry}}খবর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর দীর্ঘদিনের শো দাদাগিরি ছেড়েছিলেন জি বাংলার সঙ্গে পারিশ্রমিক সংক্রান্ত মত পার্থক্যের কারণে। দাদাকে এখন দেখা যাচ্ছে স্টার জলসায় বিগ বস বাংলায়। এই চ্যানেলে একটি গেম শো করারও কথা রয়েছে মহারাজের। অন্য দিকে, দাদাগিরির পাশাপাশি দেব ব্যস্ত তাঁর ‘দেশু ৭’ ছবি নিয়ে। যা ২০২৬ সালের পুজোয় মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। সঙ্গে মুক্তি আটকে রয়েছে তাঁর বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা-র। যা ১৫ অগস্ট মুক্তির কথা থাকলেও, তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।