Mimi Chakraborty: ২০২৬ শুরুর দিকে বনগাঁতে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে একটি সমস্যায় জড়িয়ে পড়েন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তিনি দাবি করেন, তাঁকে জোর করে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। যদিও অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রী দাবি করেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের অনেকটা পরে অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মিমি।
Mimi Chakraborty:২০২৬ -এর শুরুর দিকে বনগাঁতে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে একটি সমস্যায় জড়িয়ে পড়েন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তিনি দাবি করেন, তাঁকে জোর করে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। যদিও অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রী দাবি করেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের অনেকটা পরে অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মিমি। যেহেতু রাত ১২টার পর আর অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না তাই তিনি মিমিকে অনুরোধ করেন মঞ্চ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য।
বিজেপি জিততেই বনগাঁ কাণ্ড নিয়ে অস্বস্তিতে মিমি
কিন্তু এই ঘটনার বেশ কিছু সময় পর তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয় মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্তা করার অপরাধে। অন্যদিকে জেল থেকে বেরিয়ে মিমির বিরুদ্ধে জোড়া মামলা করেন তনয়। তিনি জানান, তাঁকে জোর করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর কিছুদিন পরে বিজেপির পতাকা হাতে বিজেপিতে যোগ দিতে দেখা যায় তনয়কে।
২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপি জিততেই এবার মিমি চক্রবর্তীর মামলা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির জয়ী আইনজীবী তরুনজ্যোতি তিওয়ারি। প্রসঙ্গত, তিনি তনয় শাস্ত্রীর হয়ে মামলা লড়ছিলেন এতদিন। তবে মাঝে ভোট, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ এই সবকিছু নিয়ে তিনি ব্যস্ত ছিলেন। তবে মিমি চক্রবর্তীর মামলার কথা যে তিনি একেবারেই ভুলে যাননি সে কথা তিনি জানান আনন্দবাজার ডট কমকে।
তরুণজ্যোতি জানান, তিনি সব কিছু মনে রেখেছেন। বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তিনি ব্যস্ত। তবে এইসব মিটলেই তিনি মিমি চক্রবর্তীর মামলা আদালতে তুলবেন। এরপর আইন মেনে যা যা করার সব কিছুই করা হবে। একটি নয় দুটি পরপর মামলা করা হয়েছে মিমির বিরুদ্ধে।
তরুণজ্যোতি জানান, প্রথম মামলা করা হয় ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা দাবি করে, যে টাকা মিমি অনুষ্ঠানে আসার জন্য নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় মামলা করা হয় তরুণ শাস্ত্রীর মানহানির মামলার ভিত্তিতে, যেখানে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছে মিমি চক্রবর্তীর কাছ থেকে।
তরুণজ্যোতি জানান, মিমি সময়ের অনেকটা দেরি করে অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। তাঁর ব্যবহার একেবারেই ভালো ছিল না। অনুষ্ঠান সঠিক সময়েই শেষ করার কথা ছিল তাই যথেষ্ট সম্মান দেখিয়ে মিমিকে স্টেজ থেকে নেমে যেতে বলা হয়। মিমি অকারণে মিথ্যা অভিযোগ আনেন তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তনয়কে হেনস্থা করেছেন মিমি।