রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরের ভেতরের সম্পর্ক ও সমীকরণ নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। বিশেষ করে প্রতিযোগী রাজবীর ও নন্দিনীর রসায়ন ইতিমধ্যেই ব্যাপক নজর কেড়েছে দর্শকদের। ঘরের ভেতর দুজনের বন্ধুত্বের ঊর্ধ্বে গড়ে ওঠা গাঢ় সম্পর্ক নিয়েও কম চর্চা হয়নি। তবে এই সম্পর্ক কি রিয়েলিটি শো-এর সীমানা পেরিয়ে বাস্তবের আলোতেও স্থায়ী হবে? এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের স্পষ্ট ও বিতর্কিত মতামত জানালেন সম্প্রতি শো থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিযোগী জয়িতা।

'শো-এর বাইরে গিয়ে এই সম্পর্ক টিকবে না!'
পডকাস্টে রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক প্রসঙ্গে জয়িতাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ঘরের ভেতরে যে তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বের চেয়েও গভীর একটি বন্ডিং তৈরি হয়েছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এই সম্পর্ক বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়ে আসল জীবনে কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় প্রকাশ করেছেন জয়িতা।
টিকবে না রাজবীর-নন্দিনীর প্রেম!
সরাসরি নিজের মতামত জানিয়ে জয়িতা বলেন, ‘আমার মনে হয় না এদের সম্পর্ক বাইরে গিয়ে টিকবে! কারণ আজকের দিনে যে কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে প্রচুর স্যাক্রিফাইস (উৎসর্গ) ও কম্প্রোমাইজ (বোঝাপড়া) করতে হয়, নিজেকে সরিয়ে রেখে সামনের মানুষটাকে গুরুত্ব দিতে হয়। আজকালকার দিনে দাঁড়িয়ে যে কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এমনিতেই খুব কঠিন, আর এখন দুজনেই সবার আগে নিজেদের ক্যারিয়ারে মনোনিবেশ করতে চায়। তাই আমার মনে হয় এই সম্পর্কটা হয়তো টিকবে না।’
রাজবীর বিগ বস বাংলার ঘরে পা রাখার পর জয়িতার সঙ্গে তাঁর সমীকরণ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। হঠাৎ জয়িতার পরিবর্তে নন্দিনীর সঙ্গে গাঢ় হয় তাঁর রসায়ন। দিন কয়েকের মধ্যেই বাদ পড়েন জয়িতা। এরপর নন্দিনীকে জয়িতার জীবনের ‘বনলতা’ হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন অনেকেই।
{{/usCountry}}রাজবীর বিগ বস বাংলার ঘরে পা রাখার পর জয়িতার সঙ্গে তাঁর সমীকরণ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। হঠাৎ জয়িতার পরিবর্তে নন্দিনীর সঙ্গে গাঢ় হয় তাঁর রসায়ন। দিন কয়েকের মধ্যেই বাদ পড়েন জয়িতা। এরপর নন্দিনীকে জয়িতার জীবনের ‘বনলতা’ হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন অনেকেই।
{{/usCountry}}সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে চর্চা:
বিগ বসের ঘরের রোমান্স অনেক সময়ই শো শেষ হওয়ার পর ফিকে হয়ে যায়, এমনটা বহুবার দেখা গেছে। জয়িতার এই বক্তব্যের পর রাজবীর ও নন্দিনীর অনুগামী এবং নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে— সত্যিই কি কেবল লাইমলাইটে থাকার জন্য এই কেমিস্ট্রি, নাকি বাস্ত্বেও কোনো ভবিষ্যৎ রয়েছে তাঁদের? উত্তর দেবে সময়ই।