খুব সম্প্রতি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম। একের পর এক ছবিতে তিনি যেভাবে অসাধারণ অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরেছেন, সেটা সত্যি প্রশংসার যোগ্য। তবে অনেকেই জানেন না উরি সিনেমায় অভিনয় করা ঠিক আগে তিনি বলিউড ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছিলেন।

অভিনেত্রী সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ২০১২ সালে ‘ভিকি ডোনার’ ছবিতে অভিনয় করার পর তিনি তেমনভাবে উল্লেখযোগ্য কোনও কাজ পাচ্ছিলেন না। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের অভাবে তিনি অভিনয় জগত ছেড়ে হিমাচল প্রদেশে নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: 'কলা গাছের সঙ্গে প্রেম করতেও...', চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে আর কী কী করেন রণজয়?
বলিউড ছাড়া সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছিলেন ইয়ামি?
সম্প্রতি ইয়ামি বলেন, ‘উরি ও বালা সিনেমা ঠিক আগে আমি ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম আমি হিমাচল ফিরে যাব। সেখানে আমাদের চাষের জমি আছে এবং আমি সেখানে একদম ভিন্ন একটা জীবন শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। আমার বাবা-মা ও আমার এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে যেই আমি ইন্ডাস্ট্রিকে ভয় পাওয়া বন্ধ করে দিলাম তখনই সবকিছু বদলে গেল। পরপর কিছু এমন চরিত্র পেলাম যারা তারা দিয়ে আমার জীবনকে বদলে দিল।’
কেন তিনি ছাড়তে চেয়েছিলেন বলিউড?
{{/usCountry}}কেন তিনি ছাড়তে চেয়েছিলেন বলিউড?
{{/usCountry}}বলিউড ছাড়ার প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘চলচিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে যে সুযোগ খুব সহজে তারকা সন্তানরা পেয়ে থাকেন সেটা পান না বহিরাগতরা। ক্রমাগত নিজেকে প্রমাণ করে যেতে হত তখন। যখনই আপনি কোনও চরিত্রের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন ঠিক তখনই অন্য কেউ বিনা পরিশ্রমে সেই সুযোগ পেয়ে যেত। আমার মনে হয়েছিল যে আমাকেও যদি এমন সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে আমিও অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে উন্নতি করতে পারতাম। ধীরে ধীরে আমি হতাশায় ডুবে গিয়েছিলাম। কিন্তু একটা সময় পরিস্থিতি বদলে গেল।’
আরও পড়ুন: অনেকটা ভয় আর নতুন অনুভূতি! গত ৫ মাসে কী কী অভিজ্ঞতা হল চিত্রাঙ্গাদার?
প্রসঙ্গত, খুব সম্প্রতি ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আর্টিকেল ৩৭০’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর সম্মান অর্জনের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম। পাশাপাশি, ছবিটিও এ বছরের জাতীয় পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ ফিচার ফিল্ম হিসেবে সম্মানিত হয়েছে, ফলে গোটা টিমের জন্য এই সাফল্য হয়ে উঠেছে দ্বিগুণ আনন্দের।