ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই রয়েছেন চর্চায়। স্ত্রী ধনশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ক্রিকেটারের নাম আরজে মাহাভাশের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। তবে সম্প্রতি তাঁরা ইনস্টাগ্রামে একে অপরকে আনফলো করেছেন। এবার এই প্রসঙ্গে নতুন ইঙ্গিত দিয়েছেন যুজবেন্দ্র।
ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই রয়েছেন চর্চায়। স্ত্রী ধনশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ক্রিকেটারের নাম আরজে মাহাভাশের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। তবে সম্প্রতি তাঁরা ইনস্টাগ্রামে একে অপরকে আনফলো করেছেন।
আরজে মাহাভাশের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট যুজবেন্দ্রর!
এবার এই প্রসঙ্গে নতুন ইঙ্গিত দিয়েছেন যুজবেন্দ্র। তিনি নিজের জীবনে কোনটা অগ্রাধিকার দেওয়ার উচিত সেই বিষয়ে একটি পোস্টও শেয়ার করেছেন। অনেকেই অনুমান করছেন যে এর সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক বিচ্ছেদের একটা যোগ রয়েছে।
যুজবেন্দ্র তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শ্রীমদ্ভগবদ গীতার একটি উক্তি শেয়ার করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া যুজবেন্দ্র এবং আরজে মাহাভাশের সম্পর্কের বিচ্ছেদ নিয়ে বিস্তর চর্চা যে শুরু হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই প্রসঙ্গে নেটিজেনদের একাংশের মত তাঁদের মধ্যেকার ঝগড়াই নাকি তাঁদের বিচ্ছেদের অন্যতম একটি প্রধান কারণ। আর এবার যুজবেন্দ্র নিজেই একটি পোস্ট শেয়ার করে সেই চর্চাকে আরও উসকে দিয়েছে।
যুজবেন্দ্র চাহাল শ্রীমদ্ভগবদ গীতা থেকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের একটি বানী তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন। পোস্টটিতে লেখা ছিল, ‘সময় কখনই গুরুত্বপূর্ণ নয়, সবটা নির্ভর করে অগ্রাধিকারের উপর। যদি সেই বিষয়টিকে আপনি অগ্রাধিকার দিতে চান, তাহলে আপনি এর জন্য ঠিকই সময় বের করবেন।’ অনেকেই অনুমান করছেন যে, যুজবেন্দ্র তাঁর বান্ধবি আরজে মহাভাশকে কটাক্ষ করেই খুব সম্ভবত এই স্টোরিটি দিয়েছেন।
যুজবেন্দ্র এবং ধনশ্রীর বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই আরজে মহাভাশের নাম তাঁর সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল। দু'জনকে বেশ কয়েকবার একসঙ্গে দেখাও গিয়েছে। কিন্তু দু'জনেই তাঁদের সম্পর্ককে কেবল বন্ধুত্বের বলতেব। যদিও হাওয়ায় ভাসছিল তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন। বর্তমানে তাঁদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
ধনশ্রী ভার্মার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ
২০২০ সালে যুজবেন্দ্র চাহাল নৃত্যশিল্পী ধনশ্রীকে বিয়ে করেন। তবে এই বিয়ে সুখের হয়নি। তাঁরা ২০২২ সালে আলাদা হয়ে যান। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এই দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে, ধনশ্রী বলেছিলেন যে, তাদের বাগদানের পর ক্রিকেটারের আচরণ বদলে গিয়েছিল। তাঁদের বিয়ের তিন মাসের মধ্যেই তিনি নাকি প্রতারণার শিকার হন।
অন্যদিকে, যুজবেন্দ্র বলেছিলেন যে তিনি একজন ক্রীড়াবিদ। তিনি সম্পর্কে কখনও প্রতারণা করেননি। তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের পর, বহু মিলিয়ন ডলারের খোড়পোশ নাকি ধনশ্রী নিয়ে ছিলেন এমন গুঞ্জনও শোনা গিয়েছিল।