‘কমলা নিবাস’ ধারাবাহিকে আদিত্য চরিত্রে এখন দেখা মিলছে ঋদ্ধিশ চৌধুরীর। ইতিমধ্যেই দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন জি বাংলার এই হাই টিআরপি ধারাবাহিক দিয়ে। তবে বর্তমানে খ্যাতির শীর্ষে থাকা মেগাতে কাজ করলেও, একসময় চরম অর্থকষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল ঋদ্ধিশকে।

নিজের মুখেই সেই কথা জানিয়েছিলেন কমলা নিবাস অভিনেতা। চরম দারিদ্রতার মধ্যে দিয়ে বেড়ে ওঠাই তাঁর পরবর্তীতে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার তাগিদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। নিজের স্বপ্ন পূরণের অদম্য জেদ তৈরি করে দিয়েছিল তাঁর মনে।
ছোটবেলার একটি অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন ঋদ্ধিশ। , টানা দু’দিন তাঁদের বাড়িতে খাবার জোটেনি। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর মা উনুনের ছাই দিয়ে পরের বাড়ির বাথরুমের সবুজ মগ পরিষ্কার করে, সেখান থেকে ভাত চেয়ে এনে ছেলেকে খাইয়েছিলেন।
পরিবারের হাল ধরতে ব্যাকআপ ডান্সার হিসেবে কাজ শুরু করেন ঋদ্ধিশ। দিনের পর দিন প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে চলত মহড়া। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে কখনও কখনও রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত চলত রিহার্সাল। তবে সেইসময়ও পেতেন কটা মাত্র টাকা। বেশ টানাটানি। খাওয়ার পিছনে খরচও করতে পারতেন না বেশি। ঋদ্ধিশ জানিয়েছেন, প্রায় দু’বছর ধরে কখনও বিস্কুট, কখনও বিস্কুট-চা, আবার কখনো জলে ভিজিয়ে বিস্কুট খেয়েই পেট ভরাতেন।
এখানেই শেষ নয়, মানসিকভাবেও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয় ঋদ্ধিশকে। একের পর এক অডিশন দিচ্ছে, বেশিরভাগসময়ই প্রতাখ্যাত হচ্ছেন। কখনও অডিশন শুরু হওয়ার আগেই তাঁকে ‘থ্যাংক ইউ’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ কটাক্ষ করেছে, তাঁর চেহারা নায়ক সুলভ নয়। কিন্তু হাল ছাড়েননি। বরং তাতে অভিনয়ের খিদে যেন আরও বেড়েছে। সঙ্গে নিজের উপও ছিল তাঁর প্রবল বিশ্বাস।
{{/usCountry}}এখানেই শেষ নয়, মানসিকভাবেও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয় ঋদ্ধিশকে। একের পর এক অডিশন দিচ্ছে, বেশিরভাগসময়ই প্রতাখ্যাত হচ্ছেন। কখনও অডিশন শুরু হওয়ার আগেই তাঁকে ‘থ্যাংক ইউ’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ কটাক্ষ করেছে, তাঁর চেহারা নায়ক সুলভ নয়। কিন্তু হাল ছাড়েননি। বরং তাতে অভিনয়ের খিদে যেন আরও বেড়েছে। সঙ্গে নিজের উপও ছিল তাঁর প্রবল বিশ্বাস।
{{/usCountry}}তবে আপাতত ঋদ্ধিশের ভাগ্য বদলে দিয়েছে কমলা নিবাস ধারাবাহিকটি। আদিত্য হিসেবে ভালোবাসাও পাচ্ছেন দর্শকদের থেকে। সঙ্গে জনপ্রিয়তা পেয়েছে তাঁর আর দেবাদৃতা বসু-র কেমিস্ট্রি।
সোদপুরের এক সাধারণ পরিবারের ছেলে ঋদ্ধিশকে এর আগে দেখা গিয়েছে অলৌকিক না লৌকিক, বারাণসী জংশন, হয়তো তোমারই জন্য, মোটিভেশনের মতো প্রোজেক্টে। প্রতিদিন সন্ধ্য়া সাড়ে ৬টায় জি বাংলায় সম্প্রচার হচ্ছে কমলা নিবাস। যাতে দেখা যাচ্ছে দেবশঙ্কর হালদার, সোহিনী সেনগুপ্ত, দেবাদৃতা বসু, ঋদ্ধিশ চৌধুরী, ধ্রুবজ্যোতি সরকার, সংহতি ব্যানার্জিকে। ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই মেগার গল্প।