বিচারকদের প্রশংসা আর দর্শকদের ভালোবাসায় সারেগামাপা-র চলতি মরশুমে শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। ইসলামপুরের ছোট শহর থেকে এসে কলকাতার বড় মঞ্চ জয় করা আয়ুষ গুপ্ত এবার পা রাখলেন প্লে-ব্যাকের দুনিয়ায়। জি বাংলার মেগা ফিনালের ট্রফি কার হাতে উঠবে তা নিয়ে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক তার আগেই আয়ুষের ঝুলিতে এল এক মস্ত বড় সুযোগ।

‘অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা’-য় প্লে-ব্যাক:
জি বাংলার নতুন মেগা ধারাবাহিক ‘অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা’-র জন্য প্লে-ব্যাক করেছেন আয়ুষ। ধারাবাহিকের সর্বশেষ প্রোমোতে জগদ্ধাত্রীর স্বয়ম্ভূ আর অনুরাগের ছোঁয়ার দীপা অর্থাৎ সৌম্য়দীপ-স্বস্তিকার রোম্যান্স ফুটে উঠেছে। সেখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে যে সুমধুর কণ্ঠস্বর দর্শকদের কানে পৌঁছেছে, তা আর কারোর নয়— স্বয়ং আয়ুষেরই। ‘মন আমার আজ রাজি, হারতে সব বাজি, এ কেমন কেমন লাগে, সবই আজ’, আয়ুষের সুমধুর কণ্ঠে এই গান ইতিমধ্যেই দর্শক মনে দাগ কেটেছে। সচরাচর রিয়্যালিটি শো শেষ হওয়ার পর প্রতিযোগীরা এমন সুযোগ পান, কিন্তু শো চলাকালীনই প্লে-ব্যাকের অফার পাওয়া আয়ুষের প্রতিভারই জয়গান গাইছে।
আয়ুষের কথায়, এটা আমার জন্য খুব আনএক্সপেক্টেড ছিল। যবে থেকে এই জার্নি শুরু হয়েছে, দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি আর এবার আমার জীবনের প্রথম প্লেব্য়াক। খুব সৌভাগ্য়বান, এই গানটা গাইতে পেরেছি। এটা বিরাট স্বপ্নপূরণ। ধন্যবাদ, অভিজিৎ (সেন) স্যার, জি বাংলা।'
টপ ৫-এ লড়াই:
প্রতিযোগিতার একেবারে শেষ ধাপে অর্থাৎ ‘টপ ৫’-এ জায়গা করে নিয়েছেন আয়ুষ। ইসলামপুরের মাটির ছেলের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া তাঁর শহর জুড়েই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছেন তিনি। আয়ুষ নিজেও তাঁর এই নতুন প্রাপ্তির কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন জি বাংলা কর্তৃপক্ষকে।
ভবিষ্যতের নক্ষত্র:
সারেগামাপা-র মঞ্চে প্রতিবারই নতুন নতুন সুরের জাদুকরদের খুঁজে পায় বাংলা। আয়ুষের গলায় ক্ল্যাসিক্যাল এবং আধুনিক গানের যে মেলবন্ধন বিচারকদের মুগ্ধ করেছে, তা এবার ধারাবাহিকের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে বাঙালির অন্দরমহলে।
ফিনালের ট্রফি শেষ পর্যন্ত আয়ুষের হাতে উঠুক বা না উঠুক, পেশাদার গায়ক হিসেবে আয়ুষের যাত্রা কিন্তু বেশ রাজকীয়ভাবেই শুরু হয়ে গেল।