জি বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয়া রিয়ালিটি শোগুলির মধ্যে অন্যতম হল দাদাগিরি। যদিও প্রায় বছর দুই হল নতুন কোনো সিজন আসেনি। যার কারণ হল হোস্ট বদল। শোনা যায়, পারিশ্রমিক নিয়ে মতানৈক্যের কারণে দাদাগিরি ছাড়েন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কারণ জি-এর থেকে অনেক বেশি টাকার অফার আসে স্টার জলসার থেকে। যেখানে বিগ বস-সহ আরও একটি শো সঞ্চালনা করার কনট্র্যাক্ট সাইন করেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

তবে দাদাগিরির দর্শকদের জন্য পোয়া বারো। কুইজ রিয়েলিটি শো-র সঞ্চালনার দায়িত্ব এবার যে দেবের হাতে। আর বৃহস্পতিবার বেশ রাতের দিকে এল শো-র প্রথম প্রোমো।দেখা যাচ্ছে ভরা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করছেন দেব। সকলে চিৎকার করছে ‘দাদা’ ‘দাদা’ বলে। এমন সময়ই ঘুম ভেঙে যায় দেবের। আসলে স্বপ্ন দেখছিলেন। স্বগতোক্তি করে বলে ওঠেন, ‘উফফফ কী সাংঘাতিক স্বপ্ন বাবা।’ এমন সময় জলের গ্লাস হাতে হাজির পরিচারিকা। বলে ওঠে, ‘ভোর বেলার স্বপ্ন কিন্তু সত্যি হয় দাদা’। যদিও দেবের মনে তখনো সংশয়, ‘কোথায় দাদা আর কোথায় আমি’!
এরপর, ঘরে বাইরে সকলের কাছ থেকে দেবের কাছে আসতে থাকে একই অনুরোধ। আর তা হল দাদাগিরি হোস্ট করার। এমনকী, দেবকে রাজি করাতে আসরে নামেন বাংলার দুই জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো হোস্ট আবির ও যিশু। আর তারপরই আসরে নামেন দেব। অর্থাৎ কাঁধে তুলে নেন দাদাগিরি সঞ্চালনার গুরু দায়িত্ব। আর এবারের সিজনের নতুন থিম সং, ‘দাদাগিরি না করেও যে দাদাগিরি করা যায়’। আর নতুন ট্যাগলাইন, ‘নতুন বাংলার নতুন দাদাগিরি’। যদিও প্রোমো এলেও, কবে থেকে সম্প্রচার শুরু হবে তা এখনো জানানো হয়নি।
প্রোমো-র কমেন্ট সেকশন যদিও দুভাগে বিভক্ত। একজদল দেবের পক্ষে, আরেকদল গলা ফাটাল সৌরভকে নিয়ে। এক দেবভক্তের মন্তব্য, ‘দাদা যখন নিজেই দাদাগিরি করতে চায় না, দাদার নিজের শো-এর সাথে অ্যাটাচমেন্ট নেই, দর্শক এর এত ইমোশন না দেখানোই ভালো। দেব দেবের মতো করবে, তাতে খারাপটা কীসের....!’ আরকজন আবার অসন্তোষ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘না মানে, নতুন বাংলার দাদাগিরি অবধি ঠিক ছিল। কিন্তু দাদাগিরি-র থিম সংটাই বদলানোর মানে কী?’
{{/usCountry}}প্রোমো-র কমেন্ট সেকশন যদিও দুভাগে বিভক্ত। একজদল দেবের পক্ষে, আরেকদল গলা ফাটাল সৌরভকে নিয়ে। এক দেবভক্তের মন্তব্য, ‘দাদা যখন নিজেই দাদাগিরি করতে চায় না, দাদার নিজের শো-এর সাথে অ্যাটাচমেন্ট নেই, দর্শক এর এত ইমোশন না দেখানোই ভালো। দেব দেবের মতো করবে, তাতে খারাপটা কীসের....!’ আরকজন আবার অসন্তোষ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘না মানে, নতুন বাংলার দাদাগিরি অবধি ঠিক ছিল। কিন্তু দাদাগিরি-র থিম সংটাই বদলানোর মানে কী?’
{{/usCountry}}আরেকজন আবার দেবের রাজনৈতিক কেরিয়ারের প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘বাজে উচ্চারণ, দুর্বল অভিনয়, তাও মেনে নিলাম, কিন্তু মানুষ হিসাবে অন্তত অস্বচ্ছ। পনেরো বছর ধরে মিথ্যা মাস্টার প্ল্যান থেকে সদ্য পাল্টি খেয়ে মিথ্যা বলা সুবিধাবাদী। যার নীতি নেই । রচনা ব্যানার্জিকে বাদ দিয়ে ঠিক করলেন, কিন্তু একে নিয়ে ভুল করলেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। বাংলার মানুষ সবটা জানে। এমনিতে লাস্ট কয়েকটি সিজনে টিআরপি কমছিল। এবার তলানিতে যাবে।’
অন্য আরেকটি কমেন্টে পালটা যুক্তি, ‘আমি তো কিছুতেই বুঝে পাইনা দেব খারাপ, কিন্তু সৌরভটা কিসের ভালো? ও তো আরেক পালটিবাজ। ও অভয়ার সম্বন্ধে কী বলেছিল, একের পর এক আগের সরকারের সব অন্যায় মেনেছিল। তার চেয়েও বড় কথা খিদিরপুরে কারখানা করবে বলে ও মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। মূলত একজন স্বার্থপর অর্থ পিশাচ মানুষ। ও মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে যা বলেছে তাও সবারই মনে আছে। ও এন্টারটেনার ছিল, দেব ও এন্টারটেনার। আর তো কোন পার্থক্য নেই দুজনের মধ্যে। অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া আর পালটি খাওয়ায় দুজনেই সমান।’